পীরগঞ্জ উপজেলার রামনাথপুর ইউনিয়নে প্রায় দুই হাজার হেক্টর জমিতে কচুর আবাদ করছে উপজেলা কৃষি অফিসের কোন পরামর্শ ও প্রযুক্তি ছাড়াই। এ বছর আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় বাম্পার ফলনের আশা করছে কচু চাষীরা।
উক্ত ইউনিয়নের ১৮টি গ্রামের মধ্যে বড় রাজারামপুর, বড় মহজিদপুর, খেজমতপুর, ঘোলা, সয়েকপুর, মাদারপুর, রাধাকৃষ্ণপুর, আব্দুল্যাপুর, শায়েস্তাপুর সহ কয়েকটি গ্রামের মাটির ধরন এ.ই জেট-৩-২৭ এবং মাটি এটেল, লালমাটি এবং দোআশ মাটি হওয়ার কারনে কচুর ফলন এবং গুনগত মান ভালো হয়।
বড় রাজারামপুর গ্রামের কচুচাষী আব্দুল কাদের মিয়ার পুত্র মোকছেদ আলী, সাহেব আলীর পুত্র আনিছার রহমান, বড় মহজিদপুর গ্রামের আনছার আলীর পুত্র আশরাফ মিয়া, একই গ্রামের সাদেকুল ইসলাম, রাধাকৃষ্ণপুর গ্রামের আলহাজ্ব রইচ উদ্দিনের পুত্র জামাল হোসেন, ঐ গ্রামের আব্দুল মান্নান, খেজমতপুর গ্রামের সাদেক আলীর পুত্র মেহেদুল ইসলাম, সয়েকপুর গ্রামের আফছার আলী সহ একাধিক কচুচাষীর সাথে কথা বলে জানা গেছে যে জমিতে কচু রোপন করা হয়েছে সেই জমিগুলোতে আলু চাষ করেছিলাম। আলু উঠানোর পূর্বেই কচুর বীজ রোপন করা হয়েছিল। এরপর আলু উত্তোলন করে বিশেষ কৌশলে কচুতে পানি সেচ, জৈব সার (গোবর) এবং কিছু রাসায়নিক সার দিয়ে গাছ বড় করানো হয়। কোন কোন কচুচাষী এ আবাদকে বাড়তি ফসল হিসেবে মনে করে।
আগামী জৈষ্ঠ্য আষাড় মাসে সব কিছু ঠিক থাকলে কচু উত্তোলন করে সেই জমিতে আমন ধান রোপন করা হবে। এতে সারের পরিমাণও কম প্রয়োজন হয় বলে জানা যায়। উল্লেখিত গ্রামগুলোতে ৯৫ ভাগ জমিতে কচুর আবাদ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা একদিনের জন্যও কচু আবাদ দেখতে বা কোন প্রকার পরামর্শ দেননি অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাদেকুজ্জামান সরকারকে একাধিকবার ফোন দিয়ে তথ্য জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি একটি দাপ্তরিক কাজের মিটিংএ আছি।
জেলা উপ-পরিচালক ওবায়দুর রহমান মন্ডল জাগো২৪.নেট-কে বলেন কচুর আবাদ খড়া এবং বর্ষা উভয়ই সহনীয় আবাদ। প্রযুক্তিগত সহায়তা পেলে ফলন ভালো হবে এবং কচু চাষীরা বেশি লাভবান হবে, কেননা এটি একটি বাড়তি ফসল।
সরকার বেলায়েত, করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, পীরগঞ্জ (রংপুর) 















