যে মুখে সর্বদা লেগে থাকে কষ্টের ছাপ, সে মুখে চাল পেয়ে দেখা গেছে হাসি হাসি ভাব। যে হাসিতে নেই কোন ছলনা, কষ্ট দুঃখ লেগে থাকা সেই মানুষ গুলো ছলনা কি বোঝেনা, সরকারের দেয়া সামান্য ১০ কেজি চাল পেয়েই মহাখুশি তারা।
চাল পেয়েই তাদের মুখে দেখা গেছে হাসি হাসি ভাব, আবার মন প্রান উজার করে শুকরিয়া আদায় করতেও এতটুকু কৃন্ঠাবোধ নেই তাদের মনে।
তাই তো হাসান পাড়ার স্বামী পরিত্যাক্তা অসহায় সুরমালী বলেই বসলেন শেখের বেটি হাসিনা ঈদ আলেই হামার হোরোক চাউল দেয়। নিজ পাড়ার মোসলেম চাচাও একই শুরে বললেন শেখ হাসিনা ঈদ উপহার দিলো বাহে ছল।
ভ্যানে বসা ছকিনা আর মোরশেদা বেগম ও মুচকি হাসির ঝিলিকে বলেছে এই অভাবের সময় ১০ কেজি চাল হামার অনেক উপকারে আসপি। ঈদ পার হবি এই চাল দিয়ে শেখের বেটি হাসিনাকে আল্লায় অনেক দিন বাচি থুক।
এভাবে কথাগুলো বলছিলেন রোজা অবস্হায় প্রখর রোদ আর ভ্যাপসা গরমে লাইনে দাড়িয়ে অনেক কষ্টের পর চাল হাতে পাওয়া সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে থাকা বিভিন্ন শ্রেনী পেশার নারী-পুরুষেরা।
মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) সকাল ৯ টায় এ ইউনিয়নে ভিজিএফ চাল বিতরণ উদ্ধোধন করেন গাইবান্ধা-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম স্মৃতি।
আসন্ন ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসাবে ভিজিএফ বরাদ্দ একমাত্র ধাপেরহাট ইউনিয়নে ৪ হাজার ৩০০ জন অসহায় হতদরিদ্র পরিবার মাথা পিছু ১০ কেজি করে চাল পাবেন।
ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান শফিকুল কবির মিন্টু জাগো২৪.নেট-কে জানান হতদরিদ্রদের আগাম তালিকা তৈরী করে মঙ্গলবার সকাল ৯ টা থেকে অত্র ইউনিয়নের ২২টি গ্রামের ৪ হাজার ৩ মানুষের হাতে শান্তিপুর্ণ পরিবেশে মাথা পিছু ১০ কেজি করে চাল তুলে দেয়া হয়েছে।

আমিনুল ইসলাম, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 

















