গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের দাউদপুর মৌজায় ধান কাটতে গিয়ে প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হয়েছে নারীসহ ৬ ব্যক্তি। এসময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাদেরকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে হাসপাতাল শয্যায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে তারা।
শুক্রবার সকাল ৯ টার দিকে উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নে দাউদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন, ওই গ্রামের বাদশা মিয়া, সাহেরা বেগম, রত্না বেগম, রহিমা বেগম, একরামুল হক ও ইয়াছিন আলী।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, দাউদপুর গ্রামের মৃত জসমত উল্লা আকন্দের ছেলে বাদশা মিয়া দাউদপুর মৌজার ২৪ শতক জমি ক্রয় সুত্রে মালিক হন। এদিকে একই গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে মধু মিয়া ও তার ছেলে ময়নুল মিয়া ওই জমি বে-দখল দেওয়ার পায়তারা করে আসছিলেন। এ নিয়ে বাদশা মিয়া বিজ্ঞ আদালতে একটি পিটিশন মামলা দায়ের করে। এরই প্রেক্ষিতে আদালত উভয় পক্ষের কাগজপত্র পর্যালোচনা করে ময়নুল মিয়া গংদের এই জমিতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়।
এরই একপর্যায়ে শুক্রবার সকালে বাদশা মিয়া ও তার স্ত্রী সাহেরা বেগম তাদের জমির পাকা ধান কাটতে গেলে প্রতিপক্ষরা দলবদ্ধভাবে ধারালো অস্ত্রে উত্তেজীত হয়ে হামলা চালায়। এসময় বাদশা ও সাহেরাকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে। তাদের উদ্ধার করতে গিয়ে রত্না বেগম, রহিমা বেগম, একরামুল হক ও ইয়াছিন আলীও অস্ত্রাঘাতের শিকার হয়। স্থানীয়রা তাদের রক্তাক্ত আহত অবস্থায় উদ্ধার করে রংপুর ও গাইবান্ধা সদর হাসাপাতালে ভর্তি করান। এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটানোর পরও ক্ষান্ত হয়নি ময়নুল মিয়া গংরা। মামলা না করার জন্য আবারও হুমিক দিচ্ছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগি বাদশা মিয়ার স্বজনরা জানান, ঘটনার সময় তাৎক্ষণিক থানায় ফোন দেওয়া হয়েছিলো। এছাড়াও ৯৯৯ নম্বরে কল দেওয়া হয়। বিলম্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। হামলার ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে ময়নুল মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
জামালপুর ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) এসএম রেজাউর রহমান রেজা জাগো২৪.নেট-কে জানান, হামলার বিষয়টি জানা নেই তার।
সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার রায় জাগো২৪.নেট-কে বলেন, আমি ছুটিতে আছি। মারামারির বিষয়টি লোকমুখে শুনেছি।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, গাইবান্ধা 

















