সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ব্রহ্মপুত্রের তীরে বিনোদন প্রেমীদের ঢল   

পবিত্র ঈদ উল ফিতরের তৃতীয় দিনে আনন্দ-উৎসব উপভোগ করতে দেশের উত্তরাঞ্চলের গাইবান্ধার বৃহত্তম নৌবন্দর বালাসী ঘাটের দু’পাড়ে ঢল নেমেছে বিনোদন প্রেমিদের।

গাইবান্ধা সদর ও ফুলছড়ি উপজেলায় তেমন কোন বিনোদন কেন্দ্র না থাকায় পবিত্র ঈদ উল ফিতরের দিন থেকে প্রতিদিন ব্রহ্মপুত্র নদের বালাসি ঘাটের দুই পাড়ে আনন্দঘন পরিবেশে হাজার হাজার মানুষের ঢলে মুখরিত হচ্ছে। বসেছে হরেক রকমের পণ্যের মেলা। অনেকেই আবার বালাসি ঘাট ও ব্রহ্মপুত্র নদ কে এক নজর দেখতে বিভিন্ন জায়গা থেকে এসেছেন।

বালাসী ঘাট এর দুই পাড়ে দেখা গেছে, রংপুর, বগুড়া,লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামসহ বিভিন্ন জেলা থেকে হাজারও মানুষের সমাগম।ব্রহ্মপুত্র নদীর পাড়ে পবিত্র ঈদ উল ফিতরের আনন্দ উপভোগ করতে শিশু, কিশোর-কিশোরী, নারী-পুরুষ ও পরিবার-পরিজন নিয়ে হেঁটে যাচ্ছে। আবার কেউ কেউ নৌকা,লঞ্চ,ডিঙ্গি নৌকায় নদীর মাঝ খানে দাঁড়িয়ে বন্ধু-বান্ধব ও পরিবার-পরিজনদের সঙ্গে ছবি ও সেলফি তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

ছোট ডিঙি নৌকায় চড়ে পবিত্র ঈদ উল ফিতরের আনন্দ ভাগাভাগি করছেন। কেউ কেউ আবার নদীর চরগুলোতে ঘুরে ঘুরে দেখছেন।বালাসি ঘাটে ফুচকা, চানাচুর,আইক্রিমের দোকানের পাশাপাশি চুড়ি ফিতা ও বেলুনসহ বিভিন্ন রকমারীর দোকান বসেছে। সবগুলো দোকানেই ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় ছিল। পবিত্র ঈদ উল ফিতরে প্রিয়জনদের সাথে খানিকটা বিনোদন ও ভালো লাগার অনুভূতি পেতে হাজারও মানুষের ঢল নামে বালাসি ঘাটে। নদের নয়নাভিরম ও নৈসর্গিক দৃশ্য যে কোনো বিনোদন প্রেমি মানুষকে কাছে টানবে। যে কারণে প্রকৃতির নির্মল বাতাস ও বাধের নয়নাভিরম নৈসর্গিক দৃশ্য উপভোগ করতে ঈদে হাজারো মানুষের ঢল নেমেছে।

স্থানীয়রা জানান, এ এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন ছিল এ বালাসি হতে বাহাদুরাবাদ ঘাট পর্যন্ত ফেরি চলাচল করবে। কিন্তু নাব্যতা সংকট এর কারণে ছোট্ট পরিসরে হলেও লঞ্চ চলাচল শুরু হওয়া গাইবান্ধা বাসির স্বপ্ন সত্যি হয়েছে। এ পবিত্র ঈদ উল ফিতরে হাজারও মানুষের ঢলে মূখরিত।

কিন্তু সব মানুষেই নদীর দুই পাড়ে হেঁটে যাওয়া ও ডিঙি নৌকা ভেসে বেড়ানোই হয়েছে। কোনো দর্শনার্থী শান্তিমত বসে গল্প ও আড্ডা দিতে চাই বাস টার্মিনালের ভেতর মনোরম পরিবেশে ফুট হ্যাভেন নামে একটি রেস্তোরাঁ রয়েছে সেখানে দর্শনার্থীদেরকে খানাপিনা করতে  দেখা গেছে। বালাসি ঘাটে তীররক্ষা বাঁধের দুই পাশে বেঞ্চ জাতীয় কিছু বসার ব্যবস্থা করা দরকার। এতে দর্শক সমাগম বাড়তো। বর্তমানে ব্রহ্মপুত্র নদীর  উপর দিয়ে চলাচল ছাড়াও এখানে প্রতিদিন বিকেলে শতশত দর্শনার্থী দূর-দূরান্ত থেকে এসে ভিড় জমায়। বিশেষ করে সন্ধ্যার গোধুলি বেলায় সূর্যের অস্ত যাওয়ার দৃশ্যটা মুগ্ধতার আবেশ ছড়িয়ে যায়।

রাজু সরকার নামের একজন দর্শনার্থী বলেন, বালাসী ঘাট এর প্রতিরক্ষা বাঁধের পাশে আগত দর্শনার্থীদের জন্য বেঞ্চ ও ছাতা জাতীয় কিছু অবকাঠামো গড়ে তোলা দরকার। সেই সাথে সুপেয় পানি ও স্যানিটারী ল্যাট্টিনে ব্যবস্থা অত্যন্ত জরুরী হয়ে পড়েছে।

ব্রহ্মপুত্রের তীরে বিনোদন প্রেমীদের ঢল   

প্রকাশের সময়: ১২:০৭:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মে ২০২২

পবিত্র ঈদ উল ফিতরের তৃতীয় দিনে আনন্দ-উৎসব উপভোগ করতে দেশের উত্তরাঞ্চলের গাইবান্ধার বৃহত্তম নৌবন্দর বালাসী ঘাটের দু’পাড়ে ঢল নেমেছে বিনোদন প্রেমিদের।

গাইবান্ধা সদর ও ফুলছড়ি উপজেলায় তেমন কোন বিনোদন কেন্দ্র না থাকায় পবিত্র ঈদ উল ফিতরের দিন থেকে প্রতিদিন ব্রহ্মপুত্র নদের বালাসি ঘাটের দুই পাড়ে আনন্দঘন পরিবেশে হাজার হাজার মানুষের ঢলে মুখরিত হচ্ছে। বসেছে হরেক রকমের পণ্যের মেলা। অনেকেই আবার বালাসি ঘাট ও ব্রহ্মপুত্র নদ কে এক নজর দেখতে বিভিন্ন জায়গা থেকে এসেছেন।

বালাসী ঘাট এর দুই পাড়ে দেখা গেছে, রংপুর, বগুড়া,লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামসহ বিভিন্ন জেলা থেকে হাজারও মানুষের সমাগম।ব্রহ্মপুত্র নদীর পাড়ে পবিত্র ঈদ উল ফিতরের আনন্দ উপভোগ করতে শিশু, কিশোর-কিশোরী, নারী-পুরুষ ও পরিবার-পরিজন নিয়ে হেঁটে যাচ্ছে। আবার কেউ কেউ নৌকা,লঞ্চ,ডিঙ্গি নৌকায় নদীর মাঝ খানে দাঁড়িয়ে বন্ধু-বান্ধব ও পরিবার-পরিজনদের সঙ্গে ছবি ও সেলফি তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

ছোট ডিঙি নৌকায় চড়ে পবিত্র ঈদ উল ফিতরের আনন্দ ভাগাভাগি করছেন। কেউ কেউ আবার নদীর চরগুলোতে ঘুরে ঘুরে দেখছেন।বালাসি ঘাটে ফুচকা, চানাচুর,আইক্রিমের দোকানের পাশাপাশি চুড়ি ফিতা ও বেলুনসহ বিভিন্ন রকমারীর দোকান বসেছে। সবগুলো দোকানেই ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় ছিল। পবিত্র ঈদ উল ফিতরে প্রিয়জনদের সাথে খানিকটা বিনোদন ও ভালো লাগার অনুভূতি পেতে হাজারও মানুষের ঢল নামে বালাসি ঘাটে। নদের নয়নাভিরম ও নৈসর্গিক দৃশ্য যে কোনো বিনোদন প্রেমি মানুষকে কাছে টানবে। যে কারণে প্রকৃতির নির্মল বাতাস ও বাধের নয়নাভিরম নৈসর্গিক দৃশ্য উপভোগ করতে ঈদে হাজারো মানুষের ঢল নেমেছে।

স্থানীয়রা জানান, এ এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন ছিল এ বালাসি হতে বাহাদুরাবাদ ঘাট পর্যন্ত ফেরি চলাচল করবে। কিন্তু নাব্যতা সংকট এর কারণে ছোট্ট পরিসরে হলেও লঞ্চ চলাচল শুরু হওয়া গাইবান্ধা বাসির স্বপ্ন সত্যি হয়েছে। এ পবিত্র ঈদ উল ফিতরে হাজারও মানুষের ঢলে মূখরিত।

কিন্তু সব মানুষেই নদীর দুই পাড়ে হেঁটে যাওয়া ও ডিঙি নৌকা ভেসে বেড়ানোই হয়েছে। কোনো দর্শনার্থী শান্তিমত বসে গল্প ও আড্ডা দিতে চাই বাস টার্মিনালের ভেতর মনোরম পরিবেশে ফুট হ্যাভেন নামে একটি রেস্তোরাঁ রয়েছে সেখানে দর্শনার্থীদেরকে খানাপিনা করতে  দেখা গেছে। বালাসি ঘাটে তীররক্ষা বাঁধের দুই পাশে বেঞ্চ জাতীয় কিছু বসার ব্যবস্থা করা দরকার। এতে দর্শক সমাগম বাড়তো। বর্তমানে ব্রহ্মপুত্র নদীর  উপর দিয়ে চলাচল ছাড়াও এখানে প্রতিদিন বিকেলে শতশত দর্শনার্থী দূর-দূরান্ত থেকে এসে ভিড় জমায়। বিশেষ করে সন্ধ্যার গোধুলি বেলায় সূর্যের অস্ত যাওয়ার দৃশ্যটা মুগ্ধতার আবেশ ছড়িয়ে যায়।

রাজু সরকার নামের একজন দর্শনার্থী বলেন, বালাসী ঘাট এর প্রতিরক্ষা বাঁধের পাশে আগত দর্শনার্থীদের জন্য বেঞ্চ ও ছাতা জাতীয় কিছু অবকাঠামো গড়ে তোলা দরকার। সেই সাথে সুপেয় পানি ও স্যানিটারী ল্যাট্টিনে ব্যবস্থা অত্যন্ত জরুরী হয়ে পড়েছে।