সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জে বিধবার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে উপজেলায় সেলিনা বেগম (৩৫) নামের এক বিধবার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৪ মে) উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের রামভদ্র কদমতলা গ্রাম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সেলিনা বেগম ওই গ্রামের আমির আলীর মেয়ে ও সোনারায় ইউনিয়নের বৈদ্যনাথ গ্রামের মৃত ফজলু মিয়ার স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানায়, প্রায় ৩ বছর আগে সেলিনার স্বামী ফজলু মিয়া মারা যায়। তার কোন সন্তান না থাকায় স্বামী মৃত্যুর পর থেকেই বাবার বাড়িতে বসবাস করতেন। সেলিনা বেগম ছোটবেলা থেকে মৃগী রোগী। দীর্ঘদিন থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অধীনে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শুক্রবার রাতে পরিবারের অন্য সদস্যদের মতো তিনিও তার ঘরে ঘুমাতে যায়। শনিবার সকালে পরিবার লোকজন তাকে ডাকাডাকি করে কোন সাড়া না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে। মানুষিক ভারসাম্যহীনতার কারণে আত্মহত্যা করেছে বলে স্বজনদের দাবি।

সর্বানন্দ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, নিহত সেলিনা বেগম দীর্ঘদিন থেকে মৃগী রোগে ভুগছিলেন। সে কারনেই হয়তো আত্মহত্যা করেছে।

সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরকার ইফতেখারুল মোকাদ্দে বলেন,  খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিধবা সেলিনা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে।

সুন্দরগঞ্জে বিধবার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময়: ০৭:৪২:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মে ২০২২

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে উপজেলায় সেলিনা বেগম (৩৫) নামের এক বিধবার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৪ মে) উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের রামভদ্র কদমতলা গ্রাম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সেলিনা বেগম ওই গ্রামের আমির আলীর মেয়ে ও সোনারায় ইউনিয়নের বৈদ্যনাথ গ্রামের মৃত ফজলু মিয়ার স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানায়, প্রায় ৩ বছর আগে সেলিনার স্বামী ফজলু মিয়া মারা যায়। তার কোন সন্তান না থাকায় স্বামী মৃত্যুর পর থেকেই বাবার বাড়িতে বসবাস করতেন। সেলিনা বেগম ছোটবেলা থেকে মৃগী রোগী। দীর্ঘদিন থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অধীনে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শুক্রবার রাতে পরিবারের অন্য সদস্যদের মতো তিনিও তার ঘরে ঘুমাতে যায়। শনিবার সকালে পরিবার লোকজন তাকে ডাকাডাকি করে কোন সাড়া না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে। মানুষিক ভারসাম্যহীনতার কারণে আত্মহত্যা করেছে বলে স্বজনদের দাবি।

সর্বানন্দ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, নিহত সেলিনা বেগম দীর্ঘদিন থেকে মৃগী রোগে ভুগছিলেন। সে কারনেই হয়তো আত্মহত্যা করেছে।

সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরকার ইফতেখারুল মোকাদ্দে বলেন,  খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিধবা সেলিনা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে।