সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরের তিনটি ইউপি’র নির্বাচন সমাচার

২১ অক্টোবর ২০২১ ইং তারিখে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর পৌরসভার প্রথম গেজেট প্রকাশিত হওয়ার পর ষষ্ঠ ধাপে উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নের মধ্যে ৮ ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আর জামালপুর, বনগ্রাম, কামারপাড়া এই তিনটি ইউনিয়নের নির্বাচন স্থগিত ছিল।

এরপর রিট পিটিশন, আদেশ, নির্দেশ চিঠিপত্র, চালাচালির পর ২৫ এপ্রিল ২০২২ ইং তারিখে নির্বাচন কমিশন সারাদেশের ১৩৫টি ইউনিয়ন পরিষদের তফসিল ঘোষণা করেন। যার ভোটগ্রহণ হবে ইভিএমে অনুষ্ঠিত হবে ১৫ জুন ২২ ইং তারিখের মধ্যে। সাদুল্লাপুর উপজেলার স্থগিত হওয়া জামালপুর, বনগ্ৰাম ও কামারপাড়া ইউনিয়নে পূর্ব নির্ধারিত সীমানা অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা হয়েছে । পৌরসভার প্রথম ও দ্বিতীয় গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। এখন পৌরসভা তার নিজস্ব গতিতে বাস্তবায়ন হবে। ওই তিন ইউনিয়নের একজন মানুষও এ কাজে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি দাঁড়াবেও না।

কিন্তু ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হওয়ার পর আবারো নির্বাচন বন্ধের ঘোষণায় এই তিন ইউনিয়নবাসী ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তাদেরকে নিয়ে এটি কোন ধরনের তামাশা চলছে আজ নির্বাচনের ঘোষণা হয় আবার কাল বন্ধ হয়। কারা করছেন এই তামাশা? কেন করছেন এই তামাশা?

এই তিন ইউনিয়নের প্রার্থী ও ভোটারদের মধ্যে তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনের উৎসব বিরাজ করছিল। মিষ্টি খাওয়া থেকে শুরু করে পটকা-আতশবাজি পর্যন্ত পোড়ানো হয়েছে। প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র কিনেছেন, পুরণ করেছে দলীয় প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এবং মনোনীত হয়েছেন। কিন্তু হাজারো জনগণের ভোটের এই উৎসবকে বন্ধ করে দিলেন মাত্র কয়েকজন ব্যক্তি। তারা কারা? তারা হলেন তিন ইউনিয়নের কয়েকজন জনপ্রতিনিধি এবং সেটি তাদের সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত স্বার্থে।

উদ্দেশ্য আবারো পাঁচ দশ বছর অনির্বাচিত ভাবে ক্ষমতায় থাকা। কিন্তু এখন পর্যন্ত পৌরসভার যত গেজেট চিঠি পত্র বের হয়েছে সেখানে কি কোথাও লেখা আছে যে, তারাই পৌরসভা না হওয়া পর্যন্ত ৫-১০ বছর ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বার হিসেবে ক্ষমতায় থাকবেন। সরকার যদি যে কোন সময় প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে দেন তখন কি করবেন তারা ? সেটাও হয়তো বন্ধ করবেন তারা। নির্বাচনে এত ভয় কেন তাদের ? জনগণ ভোট দিলে তারাইতো আবার চেয়ারম্যান-মেম্বার হবেন। তারা আসলে কি চান? তিন ইউনিয়নের ১৬ টি মৌজা দাউদপুর থেকে শালাইপুর পর্যন্ত পৌরসভার প্রাথমিক গেজেট হয়েছে। যার দুরত্ব পুর্ব পশ্চিমে প্রায় ৭-৮ কিলোমিটার। সেটাতেও তাদের বাধা এ এলাকা বাদ পরেছে ও এলাকা বাদ পরেছে। তাহলে তারাই এই মুহূর্তে পৌরসভাতেও বাধা দিচ্ছেন ইউপি নির্বাচনেও বাধা দিচ্ছেন। জনগণকে এত বোকা ভাবা ঠিক নয়। জনগণকে নিয়ে এত ছিনিমিনি খেলাও ঠিক নয়।

কয়দিন? জনগণ কিন্তু সবই বোঝে সবই জানে কে কে কি করছেন। জনগণই কিন্তু জনপ্রতিনিধিদের প্রধান সম্পদ তাদের ভোটেই আপনারা ইউপি চেয়ারম্যান হবেন, পৌরসভার চেয়ারম্যান হবেন, উপজেলা চেয়ারম্যান হবেন, পার্লামেন্ট মেম্বার হবেন। এতএব জনগণের মতামতকে সম্মান দেখান। জনগনকে ক্ষেপিয়ে তুলবেন না। তাতে লংকাকাণ্ড হওযার সম্ভাবনা থাকে। সব সম্ভবের দেশ বাংলাদেশ।

লেখকঃ মোঃ মাহমুদুল হক মিলন

৯নং বনগ্রাম ইউনিয়নের ভোটার

সাদুল্লাপুরের তিনটি ইউপি’র নির্বাচন সমাচার

প্রকাশের সময়: ০৯:৩৩:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মে ২০২২

২১ অক্টোবর ২০২১ ইং তারিখে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর পৌরসভার প্রথম গেজেট প্রকাশিত হওয়ার পর ষষ্ঠ ধাপে উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নের মধ্যে ৮ ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আর জামালপুর, বনগ্রাম, কামারপাড়া এই তিনটি ইউনিয়নের নির্বাচন স্থগিত ছিল।

এরপর রিট পিটিশন, আদেশ, নির্দেশ চিঠিপত্র, চালাচালির পর ২৫ এপ্রিল ২০২২ ইং তারিখে নির্বাচন কমিশন সারাদেশের ১৩৫টি ইউনিয়ন পরিষদের তফসিল ঘোষণা করেন। যার ভোটগ্রহণ হবে ইভিএমে অনুষ্ঠিত হবে ১৫ জুন ২২ ইং তারিখের মধ্যে। সাদুল্লাপুর উপজেলার স্থগিত হওয়া জামালপুর, বনগ্ৰাম ও কামারপাড়া ইউনিয়নে পূর্ব নির্ধারিত সীমানা অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা হয়েছে । পৌরসভার প্রথম ও দ্বিতীয় গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। এখন পৌরসভা তার নিজস্ব গতিতে বাস্তবায়ন হবে। ওই তিন ইউনিয়নের একজন মানুষও এ কাজে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি দাঁড়াবেও না।

কিন্তু ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হওয়ার পর আবারো নির্বাচন বন্ধের ঘোষণায় এই তিন ইউনিয়নবাসী ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তাদেরকে নিয়ে এটি কোন ধরনের তামাশা চলছে আজ নির্বাচনের ঘোষণা হয় আবার কাল বন্ধ হয়। কারা করছেন এই তামাশা? কেন করছেন এই তামাশা?

এই তিন ইউনিয়নের প্রার্থী ও ভোটারদের মধ্যে তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনের উৎসব বিরাজ করছিল। মিষ্টি খাওয়া থেকে শুরু করে পটকা-আতশবাজি পর্যন্ত পোড়ানো হয়েছে। প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র কিনেছেন, পুরণ করেছে দলীয় প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এবং মনোনীত হয়েছেন। কিন্তু হাজারো জনগণের ভোটের এই উৎসবকে বন্ধ করে দিলেন মাত্র কয়েকজন ব্যক্তি। তারা কারা? তারা হলেন তিন ইউনিয়নের কয়েকজন জনপ্রতিনিধি এবং সেটি তাদের সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত স্বার্থে।

উদ্দেশ্য আবারো পাঁচ দশ বছর অনির্বাচিত ভাবে ক্ষমতায় থাকা। কিন্তু এখন পর্যন্ত পৌরসভার যত গেজেট চিঠি পত্র বের হয়েছে সেখানে কি কোথাও লেখা আছে যে, তারাই পৌরসভা না হওয়া পর্যন্ত ৫-১০ বছর ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বার হিসেবে ক্ষমতায় থাকবেন। সরকার যদি যে কোন সময় প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে দেন তখন কি করবেন তারা ? সেটাও হয়তো বন্ধ করবেন তারা। নির্বাচনে এত ভয় কেন তাদের ? জনগণ ভোট দিলে তারাইতো আবার চেয়ারম্যান-মেম্বার হবেন। তারা আসলে কি চান? তিন ইউনিয়নের ১৬ টি মৌজা দাউদপুর থেকে শালাইপুর পর্যন্ত পৌরসভার প্রাথমিক গেজেট হয়েছে। যার দুরত্ব পুর্ব পশ্চিমে প্রায় ৭-৮ কিলোমিটার। সেটাতেও তাদের বাধা এ এলাকা বাদ পরেছে ও এলাকা বাদ পরেছে। তাহলে তারাই এই মুহূর্তে পৌরসভাতেও বাধা দিচ্ছেন ইউপি নির্বাচনেও বাধা দিচ্ছেন। জনগণকে এত বোকা ভাবা ঠিক নয়। জনগণকে নিয়ে এত ছিনিমিনি খেলাও ঠিক নয়।

কয়দিন? জনগণ কিন্তু সবই বোঝে সবই জানে কে কে কি করছেন। জনগণই কিন্তু জনপ্রতিনিধিদের প্রধান সম্পদ তাদের ভোটেই আপনারা ইউপি চেয়ারম্যান হবেন, পৌরসভার চেয়ারম্যান হবেন, উপজেলা চেয়ারম্যান হবেন, পার্লামেন্ট মেম্বার হবেন। এতএব জনগণের মতামতকে সম্মান দেখান। জনগনকে ক্ষেপিয়ে তুলবেন না। তাতে লংকাকাণ্ড হওযার সম্ভাবনা থাকে। সব সম্ভবের দেশ বাংলাদেশ।

লেখকঃ মোঃ মাহমুদুল হক মিলন

৯নং বনগ্রাম ইউনিয়নের ভোটার