সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিরামপুর বাজারে উঠেছে নতুন লিচু

লিচুর জেলা দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা শহর ও স্থানীয় হাট বাজারে পাকা লিচু উঠতে শুরু করেছে। শনিবার (১৪ মে) বিরামপুর হাটে নতুন লিচু কিনতে ক্রেতারা আগ্রহী হয়ে ওঠে।

লিচু চাষী বিরামপুর উপজেলার দূর্গাপুর গ্রামের আয়েজ উদ্দিন জানান, তার বাগানে মাদ্রাজী জাতের লিচু পাকতে শুরু করেছে। বাগান থেকে প্রতি ১০০ লিচু ১৬০ টাকা দরে পাইকাড়ি বিক্রি হচ্ছে। একটু বেশী দাম পাওয়ার আশায় তিনি শনিবার বিরামপুর হাটে লিচু বিক্রি করতে এনেছেন। হাটে প্রতি ১০০ লিচু ১৮০-২০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। নবাবগঞ্জ থেকে বিরামপুর হাটে লিচু বিক্রি করতে আনা লিচু চাষী কৃষ্ণজীবনপুর গ্রামের সাগর মিয়াও একই অভিমত ব্যক্ত করেন। বিরামপুর চকপাড়া গ্রামের সুমন মিয়া জানান, তিনি বেদেনা জাতের প্রতি ১০০ লিচু ৩০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। তারা বলেন, এবার লিচুর পরিচর্যা খরচ বেড়ে যাওয়ায় তারা গত বছরের তুলনায় বেশী দামে লিচুবিক্রি করছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নিকছন চন্দ্র পাল জানান, লিচুর মুকুল আসার পর প্রাকৃতিক ভাবে কিছু গুটি ঝরে পড়েছে। তবে উপজেলা কৃষি দপ্তরের সার্বিক পরামর্শে এলাকায় লিচুর ফলন ভালো হয়েছে।

বিরামপুর বাজারে উঠেছে নতুন লিচু

প্রকাশের সময়: ০৫:৪৩:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মে ২০২২

লিচুর জেলা দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা শহর ও স্থানীয় হাট বাজারে পাকা লিচু উঠতে শুরু করেছে। শনিবার (১৪ মে) বিরামপুর হাটে নতুন লিচু কিনতে ক্রেতারা আগ্রহী হয়ে ওঠে।

লিচু চাষী বিরামপুর উপজেলার দূর্গাপুর গ্রামের আয়েজ উদ্দিন জানান, তার বাগানে মাদ্রাজী জাতের লিচু পাকতে শুরু করেছে। বাগান থেকে প্রতি ১০০ লিচু ১৬০ টাকা দরে পাইকাড়ি বিক্রি হচ্ছে। একটু বেশী দাম পাওয়ার আশায় তিনি শনিবার বিরামপুর হাটে লিচু বিক্রি করতে এনেছেন। হাটে প্রতি ১০০ লিচু ১৮০-২০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। নবাবগঞ্জ থেকে বিরামপুর হাটে লিচু বিক্রি করতে আনা লিচু চাষী কৃষ্ণজীবনপুর গ্রামের সাগর মিয়াও একই অভিমত ব্যক্ত করেন। বিরামপুর চকপাড়া গ্রামের সুমন মিয়া জানান, তিনি বেদেনা জাতের প্রতি ১০০ লিচু ৩০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। তারা বলেন, এবার লিচুর পরিচর্যা খরচ বেড়ে যাওয়ায় তারা গত বছরের তুলনায় বেশী দামে লিচুবিক্রি করছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নিকছন চন্দ্র পাল জানান, লিচুর মুকুল আসার পর প্রাকৃতিক ভাবে কিছু গুটি ঝরে পড়েছে। তবে উপজেলা কৃষি দপ্তরের সার্বিক পরামর্শে এলাকায় লিচুর ফলন ভালো হয়েছে।