ভূমিহীন শেফালী বেগম। আশ্রয়স্থল ও বসতবাড়ি ছিল না। অবশেষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে পেয়েছেন মাথা গোজার ঠাঁই। এরই মধ্যে সেই পাকাঘরটি সন্ত্রাসী কায়দায় ভাঙচুর করা হয়েছে। এ বিষয়ে একটি অভিযোগপত্র দিয়েছেন ইউএনও বরাবরে।
শনিবার (৪ জুন) ওই অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভুক্তভোগি শেফালী বেগম ও তার স্বজনরা।
জানা যায়, সাদুল্লাপুর উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়নের কিশামত বাগচী গ্রামের শেফালী বেগমের বাসস্থান ও জায়গা জমি না থাকায় তার পিতা গোলজার হোসেন ৫ শতক জমি দান করেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে অসহায় শেফালীকে একটি সরকারি ঘর দেওয়া হয়। এ ঘরে পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন। এরই একপর্যায়ে গত ৫ মে পুরান লক্ষীপুর গ্রামের প্রভাবশালী বদিয়াজ্জামানের হুকুমে শেফালীর বাড়ির যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে দেয়। এ বিষয়টি স্থানীয়ব্যক্তিদের জানানো হলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে দলবদ্ধভাবে ধারালো অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে শেফালীর বসতবাড়িতে হামলা চালায়। এসময় সরকারি ঘর ও আসবাপত্র ভাঙচুর করে নগদ টাকা লুট করে হামলাকারীরা। এমতাবস্থায় অর্থাভাবে ভাঙা ঘরটি মেরামত করতে পারছেন না ওই ভূমিহীন।
ভুক্তভোগি শেফলী বেগম বলেন, আমার থাকার ঘর ছিলো না। স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি পাকাঘর উপহার দিয়েছেন। সেই ঘর-দরজা-জানালাগুলো ভেঙে দিয়েছে বদিয়াজ্জামানের লোকজন। এ ঘটনায় মামলা ও ইউএনও’র বরাবর অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর ফলে বদিয়াজ্জামান গংরা আবারও হুমকি প্রদর্শন করে আসছে। যার কারনে চরম নিরাপ্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান শেফালী বেগম।
এ বিষয়ে বদিয়াজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. রোকসানা বেগম জাগো২৪.নেট-কে বলেন, আমার কাছের অভিযোগটি ওসি সাহেবকে দিয়েছি। কারন ঘটনাটি যেহেতু মারামারি-দাংগা-হাংগামার।

করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, গাইবান্ধা 

















