মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সড়কের গর্ত প্রতিনিয়ত ঘটছে দূর্ঘটনা

দিনাজপুর-পার্বতীপুর আঞ্চলিক সড়কের চিরিরবন্দর পল্লী বিদ্যুতের সাব স্টেশনের নিকটসহ আশপাশের কয়েক জায়গায় কয়েকদিনের বৃষ্টির পানিতে রাস্তা ভেঙ্গে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে প্রতিনিয়ত ঘটছে দূর্ঘটনা। বড় গাড়িসহ অন্যান্য যানবাহনকে সাইড নিতে গিয়েই গর্তে পড়ে যাচ্ছে অটোরিকশা, রিকশাভ্যান, কার, মাইক্রো, বাই-সাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন। রাতের বেলা এসব দূর্ঘটনা বেশি ঘটছে। এ পর্যন্ত অন্তত ২০টির মতো ছোটবড় দূর্ঘটনা ঘটেছে।

অটোরিকশা চালক মাহাতাবউদ্দিন জানান, সন্ধ্যার পরপরই উপজেলার বেলতলীবাজার হতে পশ্চিমে ঘুঘুরাতলীবাজারে যাওয়ার পথে রাস্তার গর্তের নিকটবর্তী একটি ট্রাককে সাইড দিতে গিয়ে দেখতে না পেয়ে গর্তে পড়ে যাই। এতে রিকশার ৩ জন যাত্রী গুরুতর আহত হয়। রাস্তায় হালকা বাঁক থাকায় গর্তটি দেখা যায়নি।

রিকশাভ্যানচালক আব্দুর নূর জানান, রাস্তাটিতে বেশ কয়েকটি স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় রিকশাভ্যান চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। বড় গাড়িসহ অটোরিকশার হেড লাইটের হাই করে দেয়া আলোয় রাস্তা ভালভাবে দেখা যায় না।

চিরিরবন্দর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ উল আলম জাগো২৪.নেট-কে জানান, এ ব্যাপারে প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগকেও জানানো হয়েছে। তারপরও দীর্ঘদিন গর্তগুলি ভরাট ও সংস্কার না করায় দূর্ঘটনার সৃষ্টি হচ্ছে।

এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর মুঠোফোনে কল দিয়ে রিসিভ না হওয়ায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সড়কের গর্ত প্রতিনিয়ত ঘটছে দূর্ঘটনা

প্রকাশের সময়: ০৮:০১:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুন ২০২২

দিনাজপুর-পার্বতীপুর আঞ্চলিক সড়কের চিরিরবন্দর পল্লী বিদ্যুতের সাব স্টেশনের নিকটসহ আশপাশের কয়েক জায়গায় কয়েকদিনের বৃষ্টির পানিতে রাস্তা ভেঙ্গে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে প্রতিনিয়ত ঘটছে দূর্ঘটনা। বড় গাড়িসহ অন্যান্য যানবাহনকে সাইড নিতে গিয়েই গর্তে পড়ে যাচ্ছে অটোরিকশা, রিকশাভ্যান, কার, মাইক্রো, বাই-সাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন। রাতের বেলা এসব দূর্ঘটনা বেশি ঘটছে। এ পর্যন্ত অন্তত ২০টির মতো ছোটবড় দূর্ঘটনা ঘটেছে।

অটোরিকশা চালক মাহাতাবউদ্দিন জানান, সন্ধ্যার পরপরই উপজেলার বেলতলীবাজার হতে পশ্চিমে ঘুঘুরাতলীবাজারে যাওয়ার পথে রাস্তার গর্তের নিকটবর্তী একটি ট্রাককে সাইড দিতে গিয়ে দেখতে না পেয়ে গর্তে পড়ে যাই। এতে রিকশার ৩ জন যাত্রী গুরুতর আহত হয়। রাস্তায় হালকা বাঁক থাকায় গর্তটি দেখা যায়নি।

রিকশাভ্যানচালক আব্দুর নূর জানান, রাস্তাটিতে বেশ কয়েকটি স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় রিকশাভ্যান চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। বড় গাড়িসহ অটোরিকশার হেড লাইটের হাই করে দেয়া আলোয় রাস্তা ভালভাবে দেখা যায় না।

চিরিরবন্দর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ উল আলম জাগো২৪.নেট-কে জানান, এ ব্যাপারে প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগকেও জানানো হয়েছে। তারপরও দীর্ঘদিন গর্তগুলি ভরাট ও সংস্কার না করায় দূর্ঘটনার সৃষ্টি হচ্ছে।

এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর মুঠোফোনে কল দিয়ে রিসিভ না হওয়ায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।