মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কৃষকরা পেলেন সাড়ে ১৫ হাজার ফলদ-ঔষধী চারা

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার কৃষক গ্রুপের সদস্যদের মাঝে ফলদ ও ঔষধী বৃক্ষ চারা বিতরণ করা হয়েছে। দুই ধাপে ১৫ হাজার ৪৮০টি চারা বিতরণ করা হয়।

মঙ্গলবার (২১ জুন) রংপুর বিভাগ কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে সাদুল্লাপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মতিউল আলমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সাহারিয়া খাঁন বিপ্লব, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল জলিল সরকার, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মাহাবুবুল আলম বসনিয়া, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা (উদ্ভিদ) আব্দুর রব সরকার প্রমুখ।

শেষে উপজেলার ১৮ টি কৃষক গ্রুপের প্রত্যেকটিতে ১৮০ চারাসহ মোট ৩ হাজার ২৪০টি চারা প্রদান করা হয়েছে। এরআগে ৬৪টি গ্রুপে ১২ হাজার ২৪০টি বৃক্ষ চারা বিতরণ করা হয়। এসবের মধ্যে উন্নত জাতের আম, লিচু, মাল্টা, পেয়ারা ও নিম চারা ছিল।

সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মতিউল আলম বলেন, দানাদার শস্য উৎপাদনের পাশাপাশি কৃষকদের ফলদ ও ঔষধীর ওপর উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। যাতে করে স্থানীয় চাহিদা পুরণ করতে পারেন তারা।

কৃষকরা পেলেন সাড়ে ১৫ হাজার ফলদ-ঔষধী চারা

প্রকাশের সময়: ০৬:২৫:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুন ২০২২

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার কৃষক গ্রুপের সদস্যদের মাঝে ফলদ ও ঔষধী বৃক্ষ চারা বিতরণ করা হয়েছে। দুই ধাপে ১৫ হাজার ৪৮০টি চারা বিতরণ করা হয়।

মঙ্গলবার (২১ জুন) রংপুর বিভাগ কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে সাদুল্লাপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মতিউল আলমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সাহারিয়া খাঁন বিপ্লব, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল জলিল সরকার, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মাহাবুবুল আলম বসনিয়া, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা (উদ্ভিদ) আব্দুর রব সরকার প্রমুখ।

শেষে উপজেলার ১৮ টি কৃষক গ্রুপের প্রত্যেকটিতে ১৮০ চারাসহ মোট ৩ হাজার ২৪০টি চারা প্রদান করা হয়েছে। এরআগে ৬৪টি গ্রুপে ১২ হাজার ২৪০টি বৃক্ষ চারা বিতরণ করা হয়। এসবের মধ্যে উন্নত জাতের আম, লিচু, মাল্টা, পেয়ারা ও নিম চারা ছিল।

সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মতিউল আলম বলেন, দানাদার শস্য উৎপাদনের পাশাপাশি কৃষকদের ফলদ ও ঔষধীর ওপর উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। যাতে করে স্থানীয় চাহিদা পুরণ করতে পারেন তারা।