মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় বন্যাদুর্গত ৪০০ পরিবার পেল খাদ্যসামগ্রী

গাইবান্ধায় চলমান বন্যায় ৪০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ছে। এসব মানুষদের মধ্যে শুরু হয় খাদ্যাভাব। তাদের মধ্যে ৪০০ পরিবারের মাঝে দেওয়া হয়েছে শুকনা খাবার।

সোমবার (২১ জুন) গাইবান্ধা সদরের কামারজানি ইউনিয়নের কুন্দেরপাড়া গন উন্নয়ন কেন্দ্র একাডেমীতে আশ্রয়নকৃত  ও খারজানির চরে বন্যা দুর্গত এলাকায় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক অলিউর রহমান।

এসময় কুন্দেরপাড়া গন উন্নয়ন কেন্দ্র একাডেমীতে আশ্রয়নকৃত ভাসমান ৩৫০ পরিবারকে ২০ কেজি করে চাল ও খারজানির চরে ৫০ জন পরিবারকে ১০ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, সয়াবিন তেল ১ লিটার, লবন ১ কেজি, চিনি ১ কেজিসহ বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফুল আলম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আনিছুর রহমান, কামারজানি ইউপি চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান, সংবাদকর্মী সঞ্জয় সাহা, হারুন-অর রশিদ প্রমুখ।

জেলা প্রশাসক অলিউর রহমান বলেন-গরীব অসহায় বানভাসি মানুষরা যাতে খাদ্য সংকটে না ভুগে, সে জন্য আমাদের কাছে যতক্ষণ পর্যন্ত খাদ্য সামগ্রী বরাদ্দ রয়েছে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা বিতরণ করে যাব। সেই সঙ্গে তিনি ইউএনওদের উদ্দেশ্যে বলেন, কোন উপজেলার কোন এলাকা এসব বন্যা চলাকালীন দেখার  সময় নাই। যে  উপজেলারই বন্যা এলাকা হোক আপনারা আপনাদের সাধ্যমত ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করবেন।

 

গাইবান্ধায় বন্যাদুর্গত ৪০০ পরিবার পেল খাদ্যসামগ্রী

প্রকাশের সময়: ০৮:৪৯:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুন ২০২২

গাইবান্ধায় চলমান বন্যায় ৪০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ছে। এসব মানুষদের মধ্যে শুরু হয় খাদ্যাভাব। তাদের মধ্যে ৪০০ পরিবারের মাঝে দেওয়া হয়েছে শুকনা খাবার।

সোমবার (২১ জুন) গাইবান্ধা সদরের কামারজানি ইউনিয়নের কুন্দেরপাড়া গন উন্নয়ন কেন্দ্র একাডেমীতে আশ্রয়নকৃত  ও খারজানির চরে বন্যা দুর্গত এলাকায় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক অলিউর রহমান।

এসময় কুন্দেরপাড়া গন উন্নয়ন কেন্দ্র একাডেমীতে আশ্রয়নকৃত ভাসমান ৩৫০ পরিবারকে ২০ কেজি করে চাল ও খারজানির চরে ৫০ জন পরিবারকে ১০ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, সয়াবিন তেল ১ লিটার, লবন ১ কেজি, চিনি ১ কেজিসহ বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফুল আলম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আনিছুর রহমান, কামারজানি ইউপি চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান, সংবাদকর্মী সঞ্জয় সাহা, হারুন-অর রশিদ প্রমুখ।

জেলা প্রশাসক অলিউর রহমান বলেন-গরীব অসহায় বানভাসি মানুষরা যাতে খাদ্য সংকটে না ভুগে, সে জন্য আমাদের কাছে যতক্ষণ পর্যন্ত খাদ্য সামগ্রী বরাদ্দ রয়েছে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা বিতরণ করে যাব। সেই সঙ্গে তিনি ইউএনওদের উদ্দেশ্যে বলেন, কোন উপজেলার কোন এলাকা এসব বন্যা চলাকালীন দেখার  সময় নাই। যে  উপজেলারই বন্যা এলাকা হোক আপনারা আপনাদের সাধ্যমত ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করবেন।