বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নদী ভাঙন থেকে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষার দাবি

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় নদী ভাঙন থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য কেন্দ্র, বসতবাড়ি, আবাদি জমিসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে এলাকাবাসী।

রোববার (৩ জুলাই) উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নের গুনভরি এলাকায় ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে নারী-পুরুষ-বৃদ্ধসহ কয়েক শতাধিক মানুষ সমবেত হয়ে মানববন্ধনে অংশ নেন।

স্থানীয় প্রভাষক মোসলেম উদ্দিন মাসুমের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিএম সেলিম পারভেজ, উড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা কামাল পাশা, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. আব্দুল জলিল, উদাখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, ডা. মোজাম্মেল হক প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ফুলছড়ি উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নের মধ্য ও দক্ষিণ উড়িয়া, কাটাদ্বারার ঘাট, আমতলীর ঘাট, বানিয়াপাড়া ও রতনপুর এলাকায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় নদী ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এ এলাকার ৮টি মসজিদ, ৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উড়িয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র, গুনভরি দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, কবরস্থান, ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি ভেঙে যাবে।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হান বলেন, ভাঙন কবলিত এলাকাগুলো পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আপাতত স্থায়ী ব্যবস্থা না হলেও অস্থায়ীভাবে জিওব্যাগ ড্যাম্পিং এর ব্যবস্থা করা হবে।

 

 

 

নদী ভাঙন থেকে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষার দাবি

প্রকাশের সময়: ০৮:১৪:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ জুলাই ২০২২

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় নদী ভাঙন থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য কেন্দ্র, বসতবাড়ি, আবাদি জমিসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে এলাকাবাসী।

রোববার (৩ জুলাই) উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নের গুনভরি এলাকায় ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে নারী-পুরুষ-বৃদ্ধসহ কয়েক শতাধিক মানুষ সমবেত হয়ে মানববন্ধনে অংশ নেন।

স্থানীয় প্রভাষক মোসলেম উদ্দিন মাসুমের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিএম সেলিম পারভেজ, উড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা কামাল পাশা, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. আব্দুল জলিল, উদাখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, ডা. মোজাম্মেল হক প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ফুলছড়ি উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নের মধ্য ও দক্ষিণ উড়িয়া, কাটাদ্বারার ঘাট, আমতলীর ঘাট, বানিয়াপাড়া ও রতনপুর এলাকায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় নদী ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এ এলাকার ৮টি মসজিদ, ৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উড়িয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র, গুনভরি দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, কবরস্থান, ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি ভেঙে যাবে।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হান বলেন, ভাঙন কবলিত এলাকাগুলো পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আপাতত স্থায়ী ব্যবস্থা না হলেও অস্থায়ীভাবে জিওব্যাগ ড্যাম্পিং এর ব্যবস্থা করা হবে।