শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘কারাগারের রোজনামচা’ বইয়ের ওপর কুইজ প্রতিযোগিতা

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘কারাগারের রোজনামচা’ বইয়ের ওপর বইপড়া ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এটির আয়োজন করে ‘বই ঘর পাঠাগার’।

মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে গাইবান্ধা শহরের নিউটন প্রিপারেটরী স্কুল ক্যাম্পাসে এ প্রতিযোগিতায় ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির ১১৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

প্রতিযোগিতা দুই ভাগে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমটি ষষ্ট শ্রেণি থেকে অস্টম শ্রেণি ও দ্বিতীয়টি ছিল নবম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত। এ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় জনকে পুরস্কার হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইটি দেয়া হয়।

নিউটন প্রিপারেটরী স্কুলের অধ্যক্ষ সুকমল চন্দ্র সরকার বলেন, প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জ্ঞান পিপাসু এবং বই প্রেমিক হয়ে আগামীতে বাংলাদেশকে গড়বে। এই প্রতিষ্ঠানে আয়োজন করায় ‘বই ঘর পাঠাগার’কে অসংখ্য ধন্যবাদ।

বই ঘর পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মো. মেহেদী হাসান বলেন, ইন্টারনেটের আসক্তিতে বই পড়া হারিয়ে যাচ্ছে। বই জ্ঞানার্জন এবং গবেষণার পথ উন্মোচন করে। বই পড়ার অনাগ্রহের কারণে মেধায় পিছিয়ে যাচ্ছে শিক্ষার্থীরা এবং লেখনী শক্তি ও সৃজনশীলতা এখন বিলুপ্তির পথে। এজন্য বইয়ের প্রতি মনযোগী করে গড়ে তোলার জন্য প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

জনপ্রিয়

সাদুল্লাপুরে শিশুসহ দুই মরদেহ উদ্ধার

‘কারাগারের রোজনামচা’ বইয়ের ওপর কুইজ প্রতিযোগিতা

প্রকাশের সময়: ০২:৫৪:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘কারাগারের রোজনামচা’ বইয়ের ওপর বইপড়া ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এটির আয়োজন করে ‘বই ঘর পাঠাগার’।

মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে গাইবান্ধা শহরের নিউটন প্রিপারেটরী স্কুল ক্যাম্পাসে এ প্রতিযোগিতায় ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির ১১৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

প্রতিযোগিতা দুই ভাগে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমটি ষষ্ট শ্রেণি থেকে অস্টম শ্রেণি ও দ্বিতীয়টি ছিল নবম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত। এ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় জনকে পুরস্কার হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইটি দেয়া হয়।

নিউটন প্রিপারেটরী স্কুলের অধ্যক্ষ সুকমল চন্দ্র সরকার বলেন, প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জ্ঞান পিপাসু এবং বই প্রেমিক হয়ে আগামীতে বাংলাদেশকে গড়বে। এই প্রতিষ্ঠানে আয়োজন করায় ‘বই ঘর পাঠাগার’কে অসংখ্য ধন্যবাদ।

বই ঘর পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মো. মেহেদী হাসান বলেন, ইন্টারনেটের আসক্তিতে বই পড়া হারিয়ে যাচ্ছে। বই জ্ঞানার্জন এবং গবেষণার পথ উন্মোচন করে। বই পড়ার অনাগ্রহের কারণে মেধায় পিছিয়ে যাচ্ছে শিক্ষার্থীরা এবং লেখনী শক্তি ও সৃজনশীলতা এখন বিলুপ্তির পথে। এজন্য বইয়ের প্রতি মনযোগী করে গড়ে তোলার জন্য প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।