গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় স্বামী পরিত্যক্তা এক নারীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ঘটনায় মামলা হয়। এই মামলার প্রধান আসামি শহিদুল ইসলাম (৩৬) কে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (২১ আগস্ট) বিকেলে র্যাব-১৩ গাইবান্ধা ক্যাম্পের ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মাহমুদ বশির আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেফতারকৃত শহিদুল ইসলাম পলাশবাড়ী উপজেলার মরাদাতেয়া গ্রামের মৃত এছাহাক আলীর ছেলে ও ভিকটিম একই গ্রামের বাসিন্দা।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভিকটিম তার পূর্বের স্বামীর সাথে বনিবনা না হওয়ায় ডিভোর্স দিয়ে পিতার বাড়িতে বসবাস করছিলেন। এরই মধ্যে প্রতিবেশী শহিদুল ইসলামের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর বিয়ের প্রলোভন দিয়ে গত ২ জুলাই সন্ধ্যার দিকে হরিনাথপুর গ্রামের মতিয়ার রহমানের ঘরে ভিকটিমকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। এসময় ভিকটিমের চিৎকারে স্বজনরা এগিয়ে আসলে ধর্ষক শহিদুল ইসলাম পালিয়ে যায়। এমতাবস্থায় গত ১২ আগস্ট ভিকটিম বাদী পলাশবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেন।
মাহমুদ বশির আহমেদ বলেন, রোববার (২০ আগস্ট) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বর্ণিত ধর্ষণ মামলার এজাহার নামীয় প্রধান আসামি শহিদুল ইসলাম বগুড়ার আদমদিঘী উপজেলার বশিরকোড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত শহিদুল ইসলাম ভিকটিমের সরলতার সুযোগ নিয়ে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, গাইবান্ধা 


















