বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাবনার চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে নিহত

পাবনার ঈশ্বরদীতে গরু চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন এবং বাকিরা পালিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের শেখপাড়া পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তবে বাড়ি পাবনার বেড়া উপজেলায় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তার বয়স হবে আনুমানিক ৪৫ বছর।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ঘটনার সময় ৮ থেকে ১০ জন চোরের একটি দল ওই গ্রামের ইদ্রিস আলী খানের বাড়িতে গরু চুরি করতে যায়। এক পর্যায়ে বাড়ির মালিক ইদ্রিস আলী খান ও তার ছেলে টের পেয়ে ঘরে থেকে বের হন।
এ সময় চোরের দল পালানোর চেষ্টা করলে চিৎকার করে ধাওয়া করেন তারা। এলাকাবাসীও তাদের সাথে যোগ দিয়ে ধাওয়া করে একজনকে আটক করেন। অন্যরা পালিয়ে যায়। ওই সময়ে আটক ব্যক্তিকে গণপিটুনি দেয় উত্তেজিত জনতা। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
ঈশ্বরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাসান বাসির জানান, স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে শুক্রবার (২৫ আগস্ট) সকাল সাতটার দিকে ঘটনাস্থল থেকে নিহত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার নাম পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
তবে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে তার বাড়ি বেড়া উপজেলায় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা পাওয়া গেছে। তথ্যগুলো যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
খামারি ইদ্রিস আলী খান বলেন, তার খামারে দুটি গরু ও কয়েকটি ছাগল রয়েছে। রাত দুইটার দিকে ছাগলের ডাকাডাকি শুনে আমি ও আমার ছেলে ঘুম থেকে উঠে পড়ি।
খামারে গিয়ে দেখি চোরেরা একটি গরু নিয়েছে, আরেকটি নেবার চেষ্টা করছে। তখন চিৎকার করে চোরদের ধাওয়া করি। এক পর্যায়ে অন্যরা পালিয়ে গেলেও এলাকাবাসীর সহায়তায় একজন চোরকে ধরে ফেলি। পরে উত্তেজিত এলাকাবাসী তাকে গণপিটুনি দিলে মারা যায়।

পাবনার চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে নিহত

প্রকাশের সময়: ০৪:১৪:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৩
পাবনার ঈশ্বরদীতে গরু চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন এবং বাকিরা পালিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের শেখপাড়া পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তবে বাড়ি পাবনার বেড়া উপজেলায় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তার বয়স হবে আনুমানিক ৪৫ বছর।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ঘটনার সময় ৮ থেকে ১০ জন চোরের একটি দল ওই গ্রামের ইদ্রিস আলী খানের বাড়িতে গরু চুরি করতে যায়। এক পর্যায়ে বাড়ির মালিক ইদ্রিস আলী খান ও তার ছেলে টের পেয়ে ঘরে থেকে বের হন।
এ সময় চোরের দল পালানোর চেষ্টা করলে চিৎকার করে ধাওয়া করেন তারা। এলাকাবাসীও তাদের সাথে যোগ দিয়ে ধাওয়া করে একজনকে আটক করেন। অন্যরা পালিয়ে যায়। ওই সময়ে আটক ব্যক্তিকে গণপিটুনি দেয় উত্তেজিত জনতা। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
ঈশ্বরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাসান বাসির জানান, স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে শুক্রবার (২৫ আগস্ট) সকাল সাতটার দিকে ঘটনাস্থল থেকে নিহত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার নাম পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
তবে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে তার বাড়ি বেড়া উপজেলায় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা পাওয়া গেছে। তথ্যগুলো যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
খামারি ইদ্রিস আলী খান বলেন, তার খামারে দুটি গরু ও কয়েকটি ছাগল রয়েছে। রাত দুইটার দিকে ছাগলের ডাকাডাকি শুনে আমি ও আমার ছেলে ঘুম থেকে উঠে পড়ি।
খামারে গিয়ে দেখি চোরেরা একটি গরু নিয়েছে, আরেকটি নেবার চেষ্টা করছে। তখন চিৎকার করে চোরদের ধাওয়া করি। এক পর্যায়ে অন্যরা পালিয়ে গেলেও এলাকাবাসীর সহায়তায় একজন চোরকে ধরে ফেলি। পরে উত্তেজিত এলাকাবাসী তাকে গণপিটুনি দিলে মারা যায়।