বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছেলের লাঠির আঘাতে প্রাণ গেল পিতার

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় ছেলের লাঠির আঘাতে আব্দুল কাশেম (৭০) নামের এক পিতার মৃত্যু হয়েছে। নিহত আব্দুল কাশেম দলদলিয়া ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের মৃত মোজাফ্ফর আলীর ছেলে।

শুক্রবার  (২৫ আগস্ট) ভোরবেলা উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মাসুদ রানা (২৪) মানসিক ভারসাম্যহীন। তিনি আলাদা একটি বাড়িতে থাকতেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে কাশেম আলী পারিবারিক বিষয়ে নিয়ে ছেলের মাসুদ রানা সঙ্গে বাগবিতণ্ডার চলছিল। বাগবিতন্ডার এক পর্যায়ে ছেলে ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠি দিয়ে পিতা আব্দুল কাশেমের মাথায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। শুক্রবার সকালে তার মা মাহমুদা বেগম মাসুদ রানার ওই বাড়িতে গিয়ে দেখতে পান আব্দুল কাশেম রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। এ সময় তার চিৎকারে গ্রাম বাসীরা ছুটে এসে পুলিশে খবর দেয়।

আফতাবগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সিরাজুল হক জানান, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে আব্দুল কাশেমের মৃত্যু হয়েছে।

এ ব্যাপারে নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আব্দুল কাশেমের পুত্র মোঃ মাসুদ রানা একজন মানসিক ভারসাম্যহীন রোগী বলে আমরা জানতে পারি। তবে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তার ছেলে মাসুদ রানাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

ছেলের লাঠির আঘাতে প্রাণ গেল পিতার

প্রকাশের সময়: ০৬:২৩:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৩

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় ছেলের লাঠির আঘাতে আব্দুল কাশেম (৭০) নামের এক পিতার মৃত্যু হয়েছে। নিহত আব্দুল কাশেম দলদলিয়া ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের মৃত মোজাফ্ফর আলীর ছেলে।

শুক্রবার  (২৫ আগস্ট) ভোরবেলা উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মাসুদ রানা (২৪) মানসিক ভারসাম্যহীন। তিনি আলাদা একটি বাড়িতে থাকতেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে কাশেম আলী পারিবারিক বিষয়ে নিয়ে ছেলের মাসুদ রানা সঙ্গে বাগবিতণ্ডার চলছিল। বাগবিতন্ডার এক পর্যায়ে ছেলে ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠি দিয়ে পিতা আব্দুল কাশেমের মাথায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। শুক্রবার সকালে তার মা মাহমুদা বেগম মাসুদ রানার ওই বাড়িতে গিয়ে দেখতে পান আব্দুল কাশেম রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। এ সময় তার চিৎকারে গ্রাম বাসীরা ছুটে এসে পুলিশে খবর দেয়।

আফতাবগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সিরাজুল হক জানান, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে আব্দুল কাশেমের মৃত্যু হয়েছে।

এ ব্যাপারে নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আব্দুল কাশেমের পুত্র মোঃ মাসুদ রানা একজন মানসিক ভারসাম্যহীন রোগী বলে আমরা জানতে পারি। তবে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তার ছেলে মাসুদ রানাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।