বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জে ২ একরজুড়ে নির্মাণ হচ্ছে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্লান্ট

বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করতে এবং কৃষিতে বিপ্লব ঘটাতে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় দুই একর জমিজুড়ে নির্মিত হচ্ছে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্লান্ট। এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি ৯৮ লাখ ৪৩ হাজার ১৬১ টাকা।

সম্প্রতি উপজেলার দহবন ইউনিয়নের জরমনদী এলাকায় দেখা গেছে এই প্রকল্পের কাজ। এটির নির্মাণ কাজ শেষ হলে সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, দেশের কৃষিতে বিপ্লব ঘটাতে নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি ও উচ্চফলন পেতে রাসায়নিক সারের পরিবর্তে জৈব সার ব্যবহার করতে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে কৃষি বিভাগ। কিন্তু সব সময় চাহিদা মত জৈব সার না পাওয়ায় রাসায়নিক সার ব্যবহার করতে হচ্ছে কৃষকদের। তবে এই প্লান থেকে জৈব সারের এই ঘাটতি অনেকটাই পূরণ করবে বর্জ্য থেকে তৈরি জৈব সার।

সুন্দরগঞ্জ পৌর মেয়র আব্দুর রশিদ রেজা সরকার বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্লানটির নির্মাণ কাজ শেষ হলে পৌরসভার ময়লা আবর্জনা রাখার মতো নির্দিষ্ট একটি স্থান হবে। সরকার যেহেতু উদ্যোগ নিয়েছে আশা করছি, এখান থেকে উৎপাদিত জৈবসার কৃষকদের জন্য অনেক উপকারী হবে। সেই সাথে পৌরসভা ময়লা আবর্জনামুক্ত থাকবে।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী খোকন রানা বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্লান্টে কঠিন বর্জ্য ও মানব বর্জ্য থেকে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে জৈব সার উৎপাদন করা হবে। এখানকার উৎপাদিত জৈব সার কৃষি ক্ষেত্রে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।

সুন্দরগঞ্জে ২ একরজুড়ে নির্মাণ হচ্ছে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্লান্ট

প্রকাশের সময়: ০৯:৫৭:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৩

বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করতে এবং কৃষিতে বিপ্লব ঘটাতে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় দুই একর জমিজুড়ে নির্মিত হচ্ছে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্লান্ট। এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি ৯৮ লাখ ৪৩ হাজার ১৬১ টাকা।

সম্প্রতি উপজেলার দহবন ইউনিয়নের জরমনদী এলাকায় দেখা গেছে এই প্রকল্পের কাজ। এটির নির্মাণ কাজ শেষ হলে সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, দেশের কৃষিতে বিপ্লব ঘটাতে নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি ও উচ্চফলন পেতে রাসায়নিক সারের পরিবর্তে জৈব সার ব্যবহার করতে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে কৃষি বিভাগ। কিন্তু সব সময় চাহিদা মত জৈব সার না পাওয়ায় রাসায়নিক সার ব্যবহার করতে হচ্ছে কৃষকদের। তবে এই প্লান থেকে জৈব সারের এই ঘাটতি অনেকটাই পূরণ করবে বর্জ্য থেকে তৈরি জৈব সার।

সুন্দরগঞ্জ পৌর মেয়র আব্দুর রশিদ রেজা সরকার বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্লানটির নির্মাণ কাজ শেষ হলে পৌরসভার ময়লা আবর্জনা রাখার মতো নির্দিষ্ট একটি স্থান হবে। সরকার যেহেতু উদ্যোগ নিয়েছে আশা করছি, এখান থেকে উৎপাদিত জৈবসার কৃষকদের জন্য অনেক উপকারী হবে। সেই সাথে পৌরসভা ময়লা আবর্জনামুক্ত থাকবে।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী খোকন রানা বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্লান্টে কঠিন বর্জ্য ও মানব বর্জ্য থেকে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে জৈব সার উৎপাদন করা হবে। এখানকার উৎপাদিত জৈব সার কৃষি ক্ষেত্রে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।