বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঈশ্বরদীতে গৃহবধুকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

পাবনার ঈশ্বরদীতে ময়না খাতুন (৫০) নামে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) ভোরে তার মৃত্যু হয়।
এর আগে সোমবার (২৮ আগস্ট) পৌর শহরের মশুরিয়াপাড়া কামারপাড়া এলাকায় এই মারপিটের ঘটনা ঘটে। ময়না খাতুন ওই এলাকার রেজাউল করিমের স্ত্রী।
ময়না খাতুনের ছেলে মমিন হোসেন বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় প্রতিবেশী রনি হোসেনের স্ত্রী শিলা খাতুনের সঙ্গে টাকা লেনদেন নিয়ে আমার বোন নিশির বাগবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে রনি ও শিলা আমার বোনকে মারধর করেন।
আমি আমার ছোট ভাই রিপন হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা আমাদেরও মারধর করেন। পরে আমরা ভয়ে এলাকার বাইরে চলে যাই।
রাত সাড়ে ৮টার দিকে রনি ও শিলার পক্ষ নিয়ে একই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন আমার মাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।
এরই এক পর্যায়ে জাহাঙ্গীরের সঙ্গে থাকা ইমরান, আলমগীর, সুজন, আসিফ, আকাশ লোহার পাইপ ও কাঠের বাটাম দিয়ে আমার মাকে বেধড়ক মারধর করে।
খবর পেয়ে মাকে উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করি। রাত ১২টার দিকে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
পরে অ্যাম্বুলেন্স যোগে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে বানেশ্বর এলাকায় মা মারা যান।
নিহতের আরেক ছেলে রিপন হোসেন বলেন, আমার মায়ের হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছি। আমি আমার মায়ের হত্যাকারীদের দৃৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অরবিন্দ সরকার অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, তারা অভিযোগ দিয়েছেন, আমরা খোজ খবর নিয়ে মামলা হিসেবে নথিভ’ক্ত করবো। মরদেহ সুরতহাল করে ময়না তদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়ে দিয়েছি।

ঈশ্বরদীতে গৃহবধুকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

প্রকাশের সময়: ০৭:৫৪:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৩
পাবনার ঈশ্বরদীতে ময়না খাতুন (৫০) নামে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) ভোরে তার মৃত্যু হয়।
এর আগে সোমবার (২৮ আগস্ট) পৌর শহরের মশুরিয়াপাড়া কামারপাড়া এলাকায় এই মারপিটের ঘটনা ঘটে। ময়না খাতুন ওই এলাকার রেজাউল করিমের স্ত্রী।
ময়না খাতুনের ছেলে মমিন হোসেন বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় প্রতিবেশী রনি হোসেনের স্ত্রী শিলা খাতুনের সঙ্গে টাকা লেনদেন নিয়ে আমার বোন নিশির বাগবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে রনি ও শিলা আমার বোনকে মারধর করেন।
আমি আমার ছোট ভাই রিপন হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা আমাদেরও মারধর করেন। পরে আমরা ভয়ে এলাকার বাইরে চলে যাই।
রাত সাড়ে ৮টার দিকে রনি ও শিলার পক্ষ নিয়ে একই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন আমার মাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।
এরই এক পর্যায়ে জাহাঙ্গীরের সঙ্গে থাকা ইমরান, আলমগীর, সুজন, আসিফ, আকাশ লোহার পাইপ ও কাঠের বাটাম দিয়ে আমার মাকে বেধড়ক মারধর করে।
খবর পেয়ে মাকে উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করি। রাত ১২টার দিকে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
পরে অ্যাম্বুলেন্স যোগে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে বানেশ্বর এলাকায় মা মারা যান।
নিহতের আরেক ছেলে রিপন হোসেন বলেন, আমার মায়ের হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছি। আমি আমার মায়ের হত্যাকারীদের দৃৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অরবিন্দ সরকার অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, তারা অভিযোগ দিয়েছেন, আমরা খোজ খবর নিয়ে মামলা হিসেবে নথিভ’ক্ত করবো। মরদেহ সুরতহাল করে ময়না তদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়ে দিয়েছি।