গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার জোবায়েদ জীম তামবী (২৫) নামের এক প্রতিবন্ধীকে বেঁধে মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। এসময় তার ঘরের আলমারি ভেঙে জমির দলিল, টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটপাটের অভিযোগ ওঠেছে।
সম্প্রতি উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের ডাকুনী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগি জোবায়েদ জীম তামবী ওই গ্রামের লিটন মন্ডলের ছেলে।
ভুক্তভোগির স্বজনরা জানান, ডাকুনী গ্রামের লিটন মন্ডলের সঙ্গে ভাগিশরিক মৃত আব্দুল হামিদ মন্ডলের ছেলে সাহিদ মন্ডল গংদের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিলো। এমতাবস্থা লিটন মন্ডল অসুস্থ হলে তাকে ঢাকা জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। আর এ সময় বাড়িতে থাকে তার শারীরিক প্রতিবন্ধী ছেলে জোবায়েদ জীম তামবী (২৫)।
এ সুযোগে বুধবার (৩০ আগস্ট) দিনগত রাতে সাহিদ মন্ডল গংদের ৭-৮ জনের একদল অতর্কিতভাবে লিটন মন্ডলের বাড়িতে ঢুকে পড়ে। এসম তারা যুবক জোবায়েদ জীম তামবীকে মারপিট করে ও মুখে কাপড় গুঁজে ঘরের আসবাবপত্র তছনছ ও স্টিলের আলমারি ভেঙ্গে জমির দলিল,নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকারসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হাতিয়ে নিয়ে যায়। এসময় ওই প্রতিবন্ধী মুখের গুঁজে দেয়া কাপড় কৌশলে খুলে আত্মচিৎকার দিলে প্রতিবেশী লোকজন আসার আগেই সাহিদ মন্ডল গংসহ সংঘবদ্ধরা ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত সটকে পড়ে।
এ ব্যাপারে শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবক জোবায়েদ জীম তামবীরের বড় বোন শারমিন আক্তার বাদী হয়ে সাহিদ মন্ডল গংদের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) পলাশবাড়ী থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই পরিবারটি তাদের জমির দলিল, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অন্যান্য জিনিসপত্র ফেরতসহ জড়িত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাহিদ মন্ডল বলেন, ওই ঘটনার সাথে আমরা জড়িতে নই। এটি একটি মিথ্যা অভিযোগ।
পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরজু মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, ওই ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। সেটি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আমিরুল ইসলাম কবির, করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 



















