মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অভাবের তাড়নায় শিশু দত্তক, মায়ের কোলে ফিরে দিলেন পুলিশ

দরিদ্র পরিবারের গৃহবধূ ছিনা বেগম। চায়ের দোকান দিয়ে কোনমতে জীবিকা নির্বাহের চেষ্টা করছিলেন। এরই মধ্যে তার কোলজুড়ে আসে ফুটফুটে একটি ছেলেসন্তান। কিন্তু নানা অভাব-অনটনের তাড়নায় এ শিশুকে দত্তক দিয়েছিলেন তিনি। পরবর্তী বিষয়টি নজরে আসে মানবিক পুলিশ সুপার মো. কামাল হোসেনের। অবশেষে ওই শিশুকে উদ্ধার করে তুলে দেওয়া হয় মায়ের কোলে।

সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার দিকে সাদুল্লাপুর থানা পুলিশ কর্তৃক দত্তক দেওয়া শিশুকে উদ্ধার করে ছিনা বেগমের কোলে তুলে দিয়েছেন। একই সঙ্গে নগদ অর্থ দিয়েও সহযোগিতা করা হয়।

পুলিশ জানায়, সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের মাছপাড়ার ছিনা বেগমের সঙ্গে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার নতুন দুলাল গ্রামের লোকমান হোসেনের বিয়ে হয়। স্বামীর অভাবের কারণে নিজে  চায়ের দোকান দিয়ে সংসার চালানোর চেষ্টা করছিলেন। এরই ধারবাহিকতায় সম্প্রতি ছিনা বেগম একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দেয়। কিন্তু অভাবের কারণে এই নবজাতককে নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েন তিনি। তাই চিন্তামুক্ত থাকতে গাইবান্ধা সদরের পুলবন্দী এলাকার এন্তাজ আলীর ছেলে ও নি:সন্তান মামাতো ভাই সুমন মিয়াকে শিশুটি দত্তক দেয়। এরই মধ্যে এই ঘটনাটি  গাইবান্ধা পুলিশ সুপার মো. কামাল হোসেনের নজরে আসে এবং তার নির্দেশে সাদুল্লাপুর থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই)  গোফফার মিয়া সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে পুলবন্দী থেকে ওই শিশুকে উদ্ধার করেছেন।

এ তথ্য নিশ্চিত করে সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম রানা বলেন, পুলিশ সুপার মো. কামাল হোসেন স্যারের নির্দেশক্রমে ১ মাস ২ দিন বয়সী ওই শিশুকে  উদ্ধার পূর্বক  তার  মা ছিনা বেগমের কোলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এসময় পুলিশ সুপার স্যারের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা করা হয়।

অভাবের তাড়নায় শিশু দত্তক, মায়ের কোলে ফিরে দিলেন পুলিশ

প্রকাশের সময়: ০৮:৫৬:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩

দরিদ্র পরিবারের গৃহবধূ ছিনা বেগম। চায়ের দোকান দিয়ে কোনমতে জীবিকা নির্বাহের চেষ্টা করছিলেন। এরই মধ্যে তার কোলজুড়ে আসে ফুটফুটে একটি ছেলেসন্তান। কিন্তু নানা অভাব-অনটনের তাড়নায় এ শিশুকে দত্তক দিয়েছিলেন তিনি। পরবর্তী বিষয়টি নজরে আসে মানবিক পুলিশ সুপার মো. কামাল হোসেনের। অবশেষে ওই শিশুকে উদ্ধার করে তুলে দেওয়া হয় মায়ের কোলে।

সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার দিকে সাদুল্লাপুর থানা পুলিশ কর্তৃক দত্তক দেওয়া শিশুকে উদ্ধার করে ছিনা বেগমের কোলে তুলে দিয়েছেন। একই সঙ্গে নগদ অর্থ দিয়েও সহযোগিতা করা হয়।

পুলিশ জানায়, সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের মাছপাড়ার ছিনা বেগমের সঙ্গে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার নতুন দুলাল গ্রামের লোকমান হোসেনের বিয়ে হয়। স্বামীর অভাবের কারণে নিজে  চায়ের দোকান দিয়ে সংসার চালানোর চেষ্টা করছিলেন। এরই ধারবাহিকতায় সম্প্রতি ছিনা বেগম একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দেয়। কিন্তু অভাবের কারণে এই নবজাতককে নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েন তিনি। তাই চিন্তামুক্ত থাকতে গাইবান্ধা সদরের পুলবন্দী এলাকার এন্তাজ আলীর ছেলে ও নি:সন্তান মামাতো ভাই সুমন মিয়াকে শিশুটি দত্তক দেয়। এরই মধ্যে এই ঘটনাটি  গাইবান্ধা পুলিশ সুপার মো. কামাল হোসেনের নজরে আসে এবং তার নির্দেশে সাদুল্লাপুর থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই)  গোফফার মিয়া সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে পুলবন্দী থেকে ওই শিশুকে উদ্ধার করেছেন।

এ তথ্য নিশ্চিত করে সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম রানা বলেন, পুলিশ সুপার মো. কামাল হোসেন স্যারের নির্দেশক্রমে ১ মাস ২ দিন বয়সী ওই শিশুকে  উদ্ধার পূর্বক  তার  মা ছিনা বেগমের কোলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এসময় পুলিশ সুপার স্যারের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা করা হয়।