মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিক্ষা ক্যাডারে ন্যায্য আদায়ের দাবি বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির

ক্যাডার কম্পোজিশনের সুরক্ষা, পদোন্নতি, পদসৃজন, স্কেল আপগ্রেডেশন ও আন্ত:ক্যাডার বৈষম্য নিরসনসহ বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের ন্যায্য দাবিসমূহ আদায়ে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি গাইবান্ধা  প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেছে।

মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সমিতির গাইবান্ধা জেলা ইউনিট এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এসময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সমিতির জেলা ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক আনিছা আকতার বেগম চৌধুরী।

লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, শিক্ষা ক্যাডারের ১৬ হাজার কর্মকর্তা বর্তমান সরকারের ভিশন ২০৪১ তথা স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণে একযোগে কাজ করে যাচ্ছে কিন্তু প্রাপ্য অধিকার ও সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। কোন কারণ ছাড়াই পদোন্নতি বন্ধ রয়েছে প্রায় দুই বছর ধরে। এই মুহুর্তে শিক্ষা ক্যাডারে পদোন্নতিযোগ্য কর্মকর্তার সংখ্যা ৭ হাজারের বেশি। এরমধ্যে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি যোগ্য ১ হাজার ২শ’ জন। সহযোগী অধ্যাপক পদোন্নতি যোগ্য ৩ হাজার, সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি যোগ্য কর্মকর্তা রয়েছেন প্রায় ৩ হাজার জন। এই কর্মকর্তাদের পদোন্নতির জন্য সরকারের কোন অতিরিক্ত অর্থ প্রয়োজন নেই। সবাই পদোন্নতিযোগ্য পদের বেতন স্কেলের সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছে গেছেন। ক্যাডার সার্ভিসে শূন্য পদ না থাকলে পদোন্নতি দেয়া যাবে না এমন কোন বিধান নেই। অথচ শিক্ষা ক্যাডারকে শূন্য পদের অজুহাতে পদোন্নতি বঞ্চিত রাখা হয়। প্রধানমন্ত্রী সকল ক্যাডারের জন্য সুপারনিউমারারি পদে পদোন্নতি দিয়ে ক্যাডার বৈষম্য নিরসনের নির্দেশনা দিলেও তা পালিত হয়নি।

এছাড়াও অন্য ক্যাডারের মত শিক্ষা ক্যাডারে ব্যাচভিত্তিক পদোন্নতি অনুসৃত না হওয়ায় অন্যান্য ক্যাডারের তুলনায় শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাগণ পিছিয়ে রয়েছেন। বেতন স্কেল অনুযায়ী ৪র্থ ও ৬ষ্ঠ গ্রেড প্রাপ্য কর্মকর্তাগণের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে প্রায় বছর হলো। কিন্তু এ বিষয়েও কোন অগ্রগতি নেই। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার স্বার্থে শিক্ষা ক্যাডারের সব ন্যায় সংগত দাবি মেনে নেয়ার আহবান জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের জেলা শাখার সভাপতি প্রফেসর মো. মিজানুর রহমান, সাংগঠনিক সচিব প্রফেসর এসএম আশাদুল ইসলাম, আ.ফ.ম. শহীদুর রহমান, খন্দকার সারওয়ার হোসেন, মো. জিল্লুর রহমান, মো. আলমগীর মিয়া, মহসিন আল মামুন, মো. আব্দুল কাইয়ুম আজাদ, রাজীব আহমেদ, মো. ইফতেখারুর রহমান প্রমুখ।

শিক্ষা ক্যাডারে ন্যায্য আদায়ের দাবি বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির

প্রকাশের সময়: ০৪:৩৩:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩

ক্যাডার কম্পোজিশনের সুরক্ষা, পদোন্নতি, পদসৃজন, স্কেল আপগ্রেডেশন ও আন্ত:ক্যাডার বৈষম্য নিরসনসহ বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের ন্যায্য দাবিসমূহ আদায়ে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি গাইবান্ধা  প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেছে।

মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সমিতির গাইবান্ধা জেলা ইউনিট এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এসময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সমিতির জেলা ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক আনিছা আকতার বেগম চৌধুরী।

লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, শিক্ষা ক্যাডারের ১৬ হাজার কর্মকর্তা বর্তমান সরকারের ভিশন ২০৪১ তথা স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণে একযোগে কাজ করে যাচ্ছে কিন্তু প্রাপ্য অধিকার ও সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। কোন কারণ ছাড়াই পদোন্নতি বন্ধ রয়েছে প্রায় দুই বছর ধরে। এই মুহুর্তে শিক্ষা ক্যাডারে পদোন্নতিযোগ্য কর্মকর্তার সংখ্যা ৭ হাজারের বেশি। এরমধ্যে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি যোগ্য ১ হাজার ২শ’ জন। সহযোগী অধ্যাপক পদোন্নতি যোগ্য ৩ হাজার, সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি যোগ্য কর্মকর্তা রয়েছেন প্রায় ৩ হাজার জন। এই কর্মকর্তাদের পদোন্নতির জন্য সরকারের কোন অতিরিক্ত অর্থ প্রয়োজন নেই। সবাই পদোন্নতিযোগ্য পদের বেতন স্কেলের সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছে গেছেন। ক্যাডার সার্ভিসে শূন্য পদ না থাকলে পদোন্নতি দেয়া যাবে না এমন কোন বিধান নেই। অথচ শিক্ষা ক্যাডারকে শূন্য পদের অজুহাতে পদোন্নতি বঞ্চিত রাখা হয়। প্রধানমন্ত্রী সকল ক্যাডারের জন্য সুপারনিউমারারি পদে পদোন্নতি দিয়ে ক্যাডার বৈষম্য নিরসনের নির্দেশনা দিলেও তা পালিত হয়নি।

এছাড়াও অন্য ক্যাডারের মত শিক্ষা ক্যাডারে ব্যাচভিত্তিক পদোন্নতি অনুসৃত না হওয়ায় অন্যান্য ক্যাডারের তুলনায় শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাগণ পিছিয়ে রয়েছেন। বেতন স্কেল অনুযায়ী ৪র্থ ও ৬ষ্ঠ গ্রেড প্রাপ্য কর্মকর্তাগণের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে প্রায় বছর হলো। কিন্তু এ বিষয়েও কোন অগ্রগতি নেই। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার স্বার্থে শিক্ষা ক্যাডারের সব ন্যায় সংগত দাবি মেনে নেয়ার আহবান জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের জেলা শাখার সভাপতি প্রফেসর মো. মিজানুর রহমান, সাংগঠনিক সচিব প্রফেসর এসএম আশাদুল ইসলাম, আ.ফ.ম. শহীদুর রহমান, খন্দকার সারওয়ার হোসেন, মো. জিল্লুর রহমান, মো. আলমগীর মিয়া, মহসিন আল মামুন, মো. আব্দুল কাইয়ুম আজাদ, রাজীব আহমেদ, মো. ইফতেখারুর রহমান প্রমুখ।