মাজেদা, সুলতানা ও শাহাজাদি। এছাড়া আরও আছেন বেশ কিছু নারী। সবাই দরিদ্র পরিবারের গৃহবধূ। তাদের নামে রয়েছে ভিডব্লিউবি কার্ড। সরকারের এই কার্ডে প্রত্যেকের নামে মাসে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। কিন্তু সেই চাল পাচ্ছে না ওইসব কার্ডধারী। ইউপি পরিষদ থেকে কারা উত্তোলন করছে এসব চাল সেটির দায় নিচ্ছে না কেউ। এমন চালবাজির কারণে চাল পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে সুবিধাবঞ্চিদের অভিযোগ। এ নিয়ে ইউএনও বরাবরে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে তারা।
এই ঘটনাটি ঘটেছে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে। এ ব্যাপারে এলাকায় শুরু হয়েছে হইচই। একই সঙ্গে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন সচেতন মানুষ।
সুবিধাবঞ্চিত নারীরা হলেন- ওই ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের হিংগার পাড়া গ্রামের রাজাদুল ইসলামের স্ত্রী মাজেদা বেগম, আব্দুল রাজ্জাকের স্ত্রী জমিলা বেগম, বাবলু মিয়ার স্ত্রী বিবলী খাতুন, মনজু মিয়ার স্ত্রী শাহাজাদী বেগম, জায়দুল হকের স্ত্রী শিরিনা বেগম, রাফাদুল খার স্ত্রী মরিয়ম বেগম, মিজানুর রহমানের স্ত্রী কাকলী বেগম ও উত্তর পাড়া গ্রামের তাজু সরকারের স্ত্রী সুলতানা বেগম। এছাড়া আরও কয়েকজনের নামে ভিডবিøউবি কার্ড থাকলেও তারাও এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত আছেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে ওইসব ভুক্তভোগি নারীরা জানান, তারা সবাই দরিদ্রতার সঙ্গে সংগ্রাম করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। এরই মধ্যে তাদের অজান্তে ধাপেরহাট ইউনিয়নে ভিডব্লিউবি কার্ডের তালিকায় তাদের নামঅন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে পরিষদ থেকে ৮ দফায় চাল বিতরণ করা হয়েছে। কিন্ত তারা কেউই চাল পায়নি। পরে এ বিষয়টি জনপ্রতিনিধির কাছে খোঁজ নিলে তাদের নামে কেবা কারা নিয়মিত চাল উত্তোলন করছে বলে জানতে পারেন তারা। প্রকৃত সুবিধাভোগির চাল অন্য কেউ তুলে নেওয়ার ঘটনায় চরম হতাশা বোধে কার্ডের দাবি করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ৬নং ওয়ার্ড সদস্য আব্দুর রাজ্জাক ফকির বলেন, ওইসব সুবিধাভোগির চাল কেবা কারা উত্তোলন করে তা আমার জানা নেই। একই কথা জানালেন সংরক্ষিত (৪,৫,৬) ওয়ার্ডের সদস্যা মোছা. রওশন আক্তার। এ ব্যাপারে ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহাদত হোসেন বলেন. ওইসব কার্ডধারীর নামে অন্য কেউ চাল তুলছেন সেটি আমি জানি না। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, গাইবান্ধা 





















