লালমনিরহাটে দিনের নবী মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাতের স্মৃতিময় দিন অত্যন্ত মর্যাদা, উৎসাহ, উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। দিনটি সারা বিশ্বের মুসলমানদের কাছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) হিসেবে খুবই তাৎপর্য পূর্ণ।
দিনটি যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টা ৩০ মিনিটে লালমনিরহাটের কেন্দ্রীয় জামেমসজিদ প্রাঙ্গন হতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের অংশগ্রহণে কেন্দ্রীয় জামেমসজিদের আয়োজনে বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় জামেমসজিদের সামনে এসে শেষ হয়।
পরে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন লালমনিরহাট কেন্দ্রীয় জামেমসজিদের প্রেস ইমাম আলহাজ্ব আতিকুল ইসলাম, লালমনিরহাট আহ্ছানিয়া মিশনের সভাপতি আব্দুল জলিল মুন্সি, জুম্মাপাড়া জামেমসজিদের খতীব মাওলানা শহিদুল ইসলাম ও নিউ কলোনী হাফিজিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম সাইদুল ইসলাম প্রমুখ।
এ সময় লালমনিরহাট কেন্দ্রীয় জামেমসজিদের সেক্রেটারী এ ডি এম সগীরসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে আগত মুসুল্লিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রায় দেড় হাজার বছর আগে ৫৭০ সালের এই দিনে (১২ রবিউল আউয়াল) আরবের মক্কা নগরীর সভ্রান্ত কুরাইশ বংশে মা আমিনার কোল আলো করে জন্ম নিয়েছিলেন বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)।
মহানবী (সা.) অতি অল্প বয়সেই আল্লাহর প্রেমে অনুরক্ত হয়ে পড়েন এবং প্রায়ই তিনি হেরা পর্বতের গুহায় ধ্যানমগ্ন থাকতেন। ২৫ বছর বয়সে মহানবী বিবি খাদিজার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। মাত্র ৪০ বছর বয়সে তিনি মহান রাব্বুর আলামিনের নৈকট্য লাভ করেন।
পবিত্র কোরআন শরীফে বর্ণিত আছে, ‘মহানবীকে সৃষ্টি না করলে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পৃথিবীই সৃষ্টি করতেন না’। এসব কারণে এবং তৎকালীন আরব জাহানের বাস্তবতায় এ দিনের (পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর) গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনেক বেশি। সারা বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায় এ দিনটি ঈদে মিলাদুন্নবী হিসেবে পালন করে থাকে।
ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা বেশি বেশি দরুদ পাঠ, কোরআন তিলাওয়াত, দান-খয়রাতসহ নফল ইবাদতের মধ্য দিয়ে দিনটি অতিবাহিত করেন
শাহজাহান সাজু , ডিসট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, লালমনিরহাট 





















