মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বেড়িবাঁধ ভেঙে তলিয়ে গেল ধান ক্ষেত

গত কয়েক দিনের পানি চাঁপে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া আলাই নদীর বেড়িবাঁধটি ভেঙে গেছে। এতে প্রায় শতাধিক বিঘা আউশ ও আমন ক্ষেত তলিয়েছে পানির নিচে।

সম্প্রতি স্বেচ্ছাশ্রমে বেড়িবাঁধ মেরামতের কাজ করলেও শেষ রক্ষা হলো না। অবশেষে শুক্রবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে বাঁধটির দলদলিয়া অংশের বেশকিছু জায়গা ভেঙে যায়। ফলে হু হু করে পানি লোকালয়ে ঢুকে শতাধিক বিঘা জমি উঠতি আউশ ও আমন ধানের ক্ষেত তলিয়ে গেছে। ভাঙনের ফলে ইতোমধ্যে আলাই নদীর তীরবর্তী দূর্গাপুর, দলদলিয়া এলাকার নিম্নঞ্চলে পানি ঢুকে পড়েছে। এছাড়াও বাঙ্গালী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে কচুয়া ইউনিয়নের  রামনগর, গাছাবাড়ী কচুয়া এলাকাতেও প্লাবিত হয়েছে।

দলদলিয়া গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, বন্যায় আলাই নদীর বেড়িবাঁধ ভাঙনের ফলে আমার দেড় বিঘা জমির আমন ক্ষেত তলিয়ে যায়।

আরেক কৃষক মকবুল হোসেন বলেন, ওইস্থানে ভাঙন ঠেকাতে ৫০-৬০ জন লোক দিয়ে চেষ্টা করেও রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।  এর ফলে আমার কয়েক বিঘা জমির আমন নষ্টের আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় পড়ছি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইছাহাক আলী বলেন, এরই মধ্যে ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি। ভাঙন স্থান মেরামতসহ ক্ষতিগ্রস্থদের ব্যাপারে দেখা হবে।

বেড়িবাঁধ ভেঙে তলিয়ে গেল ধান ক্ষেত

প্রকাশের সময়: ০৭:২২:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩

গত কয়েক দিনের পানি চাঁপে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া আলাই নদীর বেড়িবাঁধটি ভেঙে গেছে। এতে প্রায় শতাধিক বিঘা আউশ ও আমন ক্ষেত তলিয়েছে পানির নিচে।

সম্প্রতি স্বেচ্ছাশ্রমে বেড়িবাঁধ মেরামতের কাজ করলেও শেষ রক্ষা হলো না। অবশেষে শুক্রবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে বাঁধটির দলদলিয়া অংশের বেশকিছু জায়গা ভেঙে যায়। ফলে হু হু করে পানি লোকালয়ে ঢুকে শতাধিক বিঘা জমি উঠতি আউশ ও আমন ধানের ক্ষেত তলিয়ে গেছে। ভাঙনের ফলে ইতোমধ্যে আলাই নদীর তীরবর্তী দূর্গাপুর, দলদলিয়া এলাকার নিম্নঞ্চলে পানি ঢুকে পড়েছে। এছাড়াও বাঙ্গালী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে কচুয়া ইউনিয়নের  রামনগর, গাছাবাড়ী কচুয়া এলাকাতেও প্লাবিত হয়েছে।

দলদলিয়া গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, বন্যায় আলাই নদীর বেড়িবাঁধ ভাঙনের ফলে আমার দেড় বিঘা জমির আমন ক্ষেত তলিয়ে যায়।

আরেক কৃষক মকবুল হোসেন বলেন, ওইস্থানে ভাঙন ঠেকাতে ৫০-৬০ জন লোক দিয়ে চেষ্টা করেও রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।  এর ফলে আমার কয়েক বিঘা জমির আমন নষ্টের আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় পড়ছি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইছাহাক আলী বলেন, এরই মধ্যে ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি। ভাঙন স্থান মেরামতসহ ক্ষতিগ্রস্থদের ব্যাপারে দেখা হবে।