মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিরামপুরে সরকারি পুকুর দখল চেষ্টার অভিযোগ 

দিনাজপুর জেলার বিরামপুর পৌর শহরের বামনাহার মহল্লার জনসাধারণের ব্যবহার্য সরকারি পুকুর ও জমি একটি জালিয়াত চক্র দখলের চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গ্রামবাসী ঐ পুকুরের চাষকৃত মাছ বিক্রি করে মসজিদ ও হাফেজিয়া মাদ্রাসার খরচ যুগিয়ে থাকেন।

বামনাহার মহল্লার প্রবীণ ব্যক্তি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলী জানান, বামনাহার মৌজার ১৬১ ও ১৬২ নং দাগের ১ একর ৩৬ শতক জমি ও পুকুর জমিদার হরিমোহন ভট্টাচার্য গং জগদীশ নাথ ভট্টাচার্য নামে সি,এস ও এস,এ খতিয়ানে রেকর্ড ভুক্ত হয় এবং মন্তব্য কলামে ঐ জমি জনসাধারণের ব্যবহার্য হিসাবে উল্লেখ করা হয়। সেই থেকে বামনাহার মহল্লার সকল লোকজন উক্ত পুকুরের মাছ শিকার ও জমি ঈদগাহ মাঠ হিসাবে ব্যবহার করে আসছে। বর্তমান সময়ে ঐ পুকুরে মহল্লাবাসী পোনা অবমুক্ত করে সেই মাছ বিক্রি করে মহল্লার মসজিদ ও হাফেজিয়া মাদ্রাসার উন্নয়ন কাজে অর্থ ব্যয় করে থাকেন।

কিন্তু বামনাহার মহল্লার একটি জালিয়াত চক্র ঐ জমি নিজেদের দাবী করে উপজেলা ভুমি অফিস থেকে নামজারী করে নেন। ঐ নামজারীর বিরুদ্ধে মহল্লার আব্দুস সাত্তার আবেদন করলে গত ৫ই সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) (অ:দা:) পরিমল কুমার সরকার বিতর্কিত নামজারী বাতিল করেন। আদেশে উল্লেখ করা হয় যে, ঐ জমি সরকারি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এবং তা জনসাধারণের ব্যবহার্য হিসাবে গন্য হবে। মহল্লাবাসী যথারীতি পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত ও জমি যথারীতি ব্যবহার করে আসছেন। কিন্তু সম্প্রতি আদেশকে অমান্য করে জালিয়াত চক্রটি জোর পূর্বক জমি দখল ও পুকুরের মাছ ধরার বিভিন্নমুখী তৎপরতা শুরু করেছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলী আরো জানান, জালিয়াত চক্র জোর পূর্বক জমি দখল ও পুকুরের মাছ শিকারে নামলে মহল্লাবাসীর সাথে বড় ধরণের সংঘাত ও সংঘর্ষের সৃষ্টি হতে পারে। তাই এ ব্যাপারে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বিরামপুরে সরকারি পুকুর দখল চেষ্টার অভিযোগ 

প্রকাশের সময়: ০৬:০৮:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ অক্টোবর ২০২৩

দিনাজপুর জেলার বিরামপুর পৌর শহরের বামনাহার মহল্লার জনসাধারণের ব্যবহার্য সরকারি পুকুর ও জমি একটি জালিয়াত চক্র দখলের চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গ্রামবাসী ঐ পুকুরের চাষকৃত মাছ বিক্রি করে মসজিদ ও হাফেজিয়া মাদ্রাসার খরচ যুগিয়ে থাকেন।

বামনাহার মহল্লার প্রবীণ ব্যক্তি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলী জানান, বামনাহার মৌজার ১৬১ ও ১৬২ নং দাগের ১ একর ৩৬ শতক জমি ও পুকুর জমিদার হরিমোহন ভট্টাচার্য গং জগদীশ নাথ ভট্টাচার্য নামে সি,এস ও এস,এ খতিয়ানে রেকর্ড ভুক্ত হয় এবং মন্তব্য কলামে ঐ জমি জনসাধারণের ব্যবহার্য হিসাবে উল্লেখ করা হয়। সেই থেকে বামনাহার মহল্লার সকল লোকজন উক্ত পুকুরের মাছ শিকার ও জমি ঈদগাহ মাঠ হিসাবে ব্যবহার করে আসছে। বর্তমান সময়ে ঐ পুকুরে মহল্লাবাসী পোনা অবমুক্ত করে সেই মাছ বিক্রি করে মহল্লার মসজিদ ও হাফেজিয়া মাদ্রাসার উন্নয়ন কাজে অর্থ ব্যয় করে থাকেন।

কিন্তু বামনাহার মহল্লার একটি জালিয়াত চক্র ঐ জমি নিজেদের দাবী করে উপজেলা ভুমি অফিস থেকে নামজারী করে নেন। ঐ নামজারীর বিরুদ্ধে মহল্লার আব্দুস সাত্তার আবেদন করলে গত ৫ই সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) (অ:দা:) পরিমল কুমার সরকার বিতর্কিত নামজারী বাতিল করেন। আদেশে উল্লেখ করা হয় যে, ঐ জমি সরকারি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এবং তা জনসাধারণের ব্যবহার্য হিসাবে গন্য হবে। মহল্লাবাসী যথারীতি পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত ও জমি যথারীতি ব্যবহার করে আসছেন। কিন্তু সম্প্রতি আদেশকে অমান্য করে জালিয়াত চক্রটি জোর পূর্বক জমি দখল ও পুকুরের মাছ ধরার বিভিন্নমুখী তৎপরতা শুরু করেছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলী আরো জানান, জালিয়াত চক্র জোর পূর্বক জমি দখল ও পুকুরের মাছ শিকারে নামলে মহল্লাবাসীর সাথে বড় ধরণের সংঘাত ও সংঘর্ষের সৃষ্টি হতে পারে। তাই এ ব্যাপারে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।