মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটে আগাম আমন ধানের নমুনা শস্য কর্তন

কৃষি প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির ফলে কৃষিবিদরা আবিষ্কার করেছেন স্বল্পমেয়াদি আমন ধানের জাত। এর মধ্যে ‘হীরা-২’ ও ‘ধানি গোল্ড’ অন্যতম। বাঙালির নবান্ন উৎসব অগ্রহায়ণ মাসে হলেও লালমনিরহাটে স্বল্পমেয়াদি আমন ধানের নমুনা শস্য কর্তন এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে।
বুধবার ( ১১ অক্টোবর) দুপুরে লালমনিরহাট সদর উপজেলার ফুলগাছ ব্লকে কাকেয়াটেপার কৃষক সলিমুদ্দিনের জমিতে ‘ হীরা -২’ জাতের আমন ধান আনুষ্ঠানিকভাবে আগাম নমুনা শস্য কর্তন করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক(উদ্যান) আবু জাফর মোঃ সাদেক, লালমনিরহাট সদর উপজেলা কৃষি অফিসার হাসিনুর রহমান, লালমনিরহাট সদর উপজেলা উপ সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার আবু সাইদ, উপ সহকারী কৃষি অফিসার শহিদুল ইসলাম খন্দকার ও শহিদুল ইসলাম।
এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক জানান, এ বছর সদর উপজেলায় আগাম জাতের হাইব্রিড ধানসহ রোপা আমন ধানের আবাদ হয়েছে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার হেক্টর জমিতে। এই ধান ১১০ থেকে ১১২ দিনের মধ্যেই কাটা যায়। আগামী এক মাসের মধ্যে আগাম জাতের আমন ধানের কাটা মাড়াই শেষ হবে। এ ধানের ফলন প্রতি হেক্টরে প্রায় সাড়ে ৫ মেট্রিক টন থেকে ৬ মেট্রিক টন হয়ে থাকে। এই আগাম জাতের ধান কেটে কৃষকরা সহজেই রবি ফসল হিসেবে সরিষা, ভুট্টা ও গম লাগাতে পারবে।

লালমনিরহাটে আগাম আমন ধানের নমুনা শস্য কর্তন

প্রকাশের সময়: ০৯:২৮:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ অক্টোবর ২০২৩
কৃষি প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির ফলে কৃষিবিদরা আবিষ্কার করেছেন স্বল্পমেয়াদি আমন ধানের জাত। এর মধ্যে ‘হীরা-২’ ও ‘ধানি গোল্ড’ অন্যতম। বাঙালির নবান্ন উৎসব অগ্রহায়ণ মাসে হলেও লালমনিরহাটে স্বল্পমেয়াদি আমন ধানের নমুনা শস্য কর্তন এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে।
বুধবার ( ১১ অক্টোবর) দুপুরে লালমনিরহাট সদর উপজেলার ফুলগাছ ব্লকে কাকেয়াটেপার কৃষক সলিমুদ্দিনের জমিতে ‘ হীরা -২’ জাতের আমন ধান আনুষ্ঠানিকভাবে আগাম নমুনা শস্য কর্তন করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক(উদ্যান) আবু জাফর মোঃ সাদেক, লালমনিরহাট সদর উপজেলা কৃষি অফিসার হাসিনুর রহমান, লালমনিরহাট সদর উপজেলা উপ সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার আবু সাইদ, উপ সহকারী কৃষি অফিসার শহিদুল ইসলাম খন্দকার ও শহিদুল ইসলাম।
এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক জানান, এ বছর সদর উপজেলায় আগাম জাতের হাইব্রিড ধানসহ রোপা আমন ধানের আবাদ হয়েছে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার হেক্টর জমিতে। এই ধান ১১০ থেকে ১১২ দিনের মধ্যেই কাটা যায়। আগামী এক মাসের মধ্যে আগাম জাতের আমন ধানের কাটা মাড়াই শেষ হবে। এ ধানের ফলন প্রতি হেক্টরে প্রায় সাড়ে ৫ মেট্রিক টন থেকে ৬ মেট্রিক টন হয়ে থাকে। এই আগাম জাতের ধান কেটে কৃষকরা সহজেই রবি ফসল হিসেবে সরিষা, ভুট্টা ও গম লাগাতে পারবে।