বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটে ৩ দিনব্যাপী ইজতেমা, আখেরী মোনাজাত শনিবার 

লালমনিরহাটে আমবয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হলো তিনদিনের জেলা ইজতেমা। আগামী শনিবার আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে এই জেলা ইজতেমা। আজ বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) ফজরের নামাজের পর আমবয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা ইজতেমা বাস্তবায়ন কমিটির সুরা সদস্য আব্দুল খালেক মাস্টার।
এই ইজতেমায় ইসলামী জীবন বিধান ও ধর্মের আলোকে বয়ান করছেন তাবলীগ জামায়াতের মুরব্বি ও দেশবরেণ্য পাঁচ আলেম। ইজতেমায় শুক্রবার জুমার নামাজে বিপুল পরিমাণ মুসল্লি অংশগ্রহণ করবেন।
ইজতেমা প্রাঙ্গনে স্থাপন করা হয়েছে একশর ওপরে শৌচাগার, প্রস্রাবখানা, গোসলখানা ও অজুখানা। এছাড়া বাঁশ দিয়ে ছামিয়ানা টানানোর জন্য মূল মাঠের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
এছাড়াও ইজতেমায় আসা মুসল্লিদের চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য যমুনা ক্লিনিক ও লালমনিরহাট পৌর মেয়র রেজাউল করিম স্বপনের সহযোগিতায় অস্থায়ী মেডিকেল ক্যাম্প বসানো হয়েছে।
লালমনিরহাটের ইজতেমা মাঠে এবারে জেলার পাঁচ উপজেলার প্রায় ৫০ হাজার মুসল্লি অংশ নিবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়াও রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে তাবলিগ জামাতের অনুসারী ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা অংশ নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ইজতেমা বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যরা।
লালমনিরহাট সদর থানার ওসি ওমর ফারুক জাগো২৪.নেট-কে বলেন, জেলা ইজতেমা যাতে সুষ্ঠুভাবে হয়, সেজন্য ইজতেমার নিরাপত্তার বিষয় মাথায় রেখে আয়োজকদের সঙ্গে কথা বলে কর্মপন্থা সাজানো হয়েছে। মুসল্লিদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখে জেলাকে নিরাপত্তা চাদরে ঢাকা হয়েছে।
জনপ্রিয়

লালমনিরহাটে ৩ দিনব্যাপী ইজতেমা, আখেরী মোনাজাত শনিবার 

প্রকাশের সময়: ০৮:৫৪:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৩
লালমনিরহাটে আমবয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হলো তিনদিনের জেলা ইজতেমা। আগামী শনিবার আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে এই জেলা ইজতেমা। আজ বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) ফজরের নামাজের পর আমবয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা ইজতেমা বাস্তবায়ন কমিটির সুরা সদস্য আব্দুল খালেক মাস্টার।
এই ইজতেমায় ইসলামী জীবন বিধান ও ধর্মের আলোকে বয়ান করছেন তাবলীগ জামায়াতের মুরব্বি ও দেশবরেণ্য পাঁচ আলেম। ইজতেমায় শুক্রবার জুমার নামাজে বিপুল পরিমাণ মুসল্লি অংশগ্রহণ করবেন।
ইজতেমা প্রাঙ্গনে স্থাপন করা হয়েছে একশর ওপরে শৌচাগার, প্রস্রাবখানা, গোসলখানা ও অজুখানা। এছাড়া বাঁশ দিয়ে ছামিয়ানা টানানোর জন্য মূল মাঠের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
এছাড়াও ইজতেমায় আসা মুসল্লিদের চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য যমুনা ক্লিনিক ও লালমনিরহাট পৌর মেয়র রেজাউল করিম স্বপনের সহযোগিতায় অস্থায়ী মেডিকেল ক্যাম্প বসানো হয়েছে।
লালমনিরহাটের ইজতেমা মাঠে এবারে জেলার পাঁচ উপজেলার প্রায় ৫০ হাজার মুসল্লি অংশ নিবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়াও রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে তাবলিগ জামাতের অনুসারী ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা অংশ নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ইজতেমা বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যরা।
লালমনিরহাট সদর থানার ওসি ওমর ফারুক জাগো২৪.নেট-কে বলেন, জেলা ইজতেমা যাতে সুষ্ঠুভাবে হয়, সেজন্য ইজতেমার নিরাপত্তার বিষয় মাথায় রেখে আয়োজকদের সঙ্গে কথা বলে কর্মপন্থা সাজানো হয়েছে। মুসল্লিদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখে জেলাকে নিরাপত্তা চাদরে ঢাকা হয়েছে।