সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটে শ্যামা পূজা উদযাপন 

লালমনিরহাটে প্রতিমা নিরঞ্জনের মধ্য দিয়ে সনাতনী সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শ্রীশ্রী শ্যামা পূজা উদযাপিত হয়েছে।
শ্যামা পূজা উপলক্ষে রবিবার সন্ধ্যা থেকে লালমনিরহাট শহরের শ্রীশ্রী গৌরীশঙ্কর গোশালা সোসাইটি, কালিবাড়ী দুর্গা মন্দির, কাচারি দুর্গা মন্দিরসহ বিভিন্ন মন্দিরে মন্দিরে চলে নানা ধর্মীয় আয়োজন।
সন্ধ্যা নামার পর থেকেই প্রতিটি সনাতন ধর্মালম্বী পরিবারে জ্বলে ওঠে মোমবাতির আলো। পুজা মন্ডপে মন্ডপে জড়ো হয় শত শত সনাতনী ভক্তবৃন্দরা, এসময় প্রদীপ জ্বালিয়ে আর ধুপধুনা দিয়ে কালি মায়ের কাছে প্রার্থনা করে ভক্তরা। রাত দশটা থেকে অমাবস্যা শুরুর পর মধ্যরাত পর্যন্ত চলে এই শ্যামা মায়ের পুজা।
শ্যামা পূজা উপলক্ষে লালমনিরহাট শ্রীশ্রী গৌরীশঙ্কর গোশালা সোসাইটির আয়োজনে শ্রীশ্রী গৌরীশঙ্কর গোশালা সোসাইটির প্রাঙ্গনে রবিবার দিন্যবাপী চলে নানান আয়োজন। সন্ধ্যায় মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জলন, ৬ টা ১৫ মিনিটে মঙ্গল আরতি ও ৭ টায় আলোচনা সভা, রাত ৮ টায় শ্যামা সংগীতানুষ্ঠান ও শ্যামা নৃত্য, ১০ টায় শ্রী শ্রী শ্যামা পুজা আরম্ভ, ১০.১৫ মিনিটে প্রসাদ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে শ্যামা পূজা উপলক্ষে শ্রীশ্রী গৌরীশঙ্কর গোশালা সোসাইটি মন্দির প্রাঙ্গনে দুর্গা পূজা পুণর্মিলনী ও সোসাইটির সম্মানীয় উপদেষ্টা মণ্ডলীর অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে শ্রীশ্রী গৌরীশঙ্কর গোশালা সোসাইটির সভাপতি হীরালাল রায় এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ উল্যাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন লালমনিরহাট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. মতিয়ার রহমান, পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম, সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাড. সফুরা বেগম রুমী, কবি ও সাহিত্যিক ফেরদৌসী বেগম বিউটি, শ্রীশ্রী গৌরীশঙ্কর গোশালা সোসাইটির সহসভাপতি শ্রী দুলাল চন্দ্র কর্মকার ও সাধারণ সম্পাদক সুবল চন্দ্র বর্মন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে অতিথিরা বলেন, হিন্দু পূরাণমতে মা কালী দূর্গাদেবীর একটি শক্তি। সংস্কৃত ভাষার কাল শব্দ থেকে কালী নামের উৎপত্তি। কালীপূজা হচ্ছে শক্তির পূজা। জগতের সকল অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে শুভশক্তির বিজয়ের জন্য সনাতনী সম্প্রদায়ের ভক্তরা কালীপূজা উদযাপন করে। কালী দেবী তার ভক্তদের কাছে শ্যামা, আদ্যমা, তারামা, চামুন্ডি, ভদ্রকালী, দেবী মহামায়াসহ নানা নামে পরিচিত।
পরে শ্রীশ্রী শ্যামা পূজা উপলক্ষে শ্যামা সংগীতানুষ্ঠান ও শ্যামা নৃত্য পরিবেশন করা হয়।

লালমনিরহাটে শ্যামা পূজা উদযাপন 

প্রকাশের সময়: ১২:১৭:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৩
লালমনিরহাটে প্রতিমা নিরঞ্জনের মধ্য দিয়ে সনাতনী সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শ্রীশ্রী শ্যামা পূজা উদযাপিত হয়েছে।
শ্যামা পূজা উপলক্ষে রবিবার সন্ধ্যা থেকে লালমনিরহাট শহরের শ্রীশ্রী গৌরীশঙ্কর গোশালা সোসাইটি, কালিবাড়ী দুর্গা মন্দির, কাচারি দুর্গা মন্দিরসহ বিভিন্ন মন্দিরে মন্দিরে চলে নানা ধর্মীয় আয়োজন।
সন্ধ্যা নামার পর থেকেই প্রতিটি সনাতন ধর্মালম্বী পরিবারে জ্বলে ওঠে মোমবাতির আলো। পুজা মন্ডপে মন্ডপে জড়ো হয় শত শত সনাতনী ভক্তবৃন্দরা, এসময় প্রদীপ জ্বালিয়ে আর ধুপধুনা দিয়ে কালি মায়ের কাছে প্রার্থনা করে ভক্তরা। রাত দশটা থেকে অমাবস্যা শুরুর পর মধ্যরাত পর্যন্ত চলে এই শ্যামা মায়ের পুজা।
শ্যামা পূজা উপলক্ষে লালমনিরহাট শ্রীশ্রী গৌরীশঙ্কর গোশালা সোসাইটির আয়োজনে শ্রীশ্রী গৌরীশঙ্কর গোশালা সোসাইটির প্রাঙ্গনে রবিবার দিন্যবাপী চলে নানান আয়োজন। সন্ধ্যায় মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জলন, ৬ টা ১৫ মিনিটে মঙ্গল আরতি ও ৭ টায় আলোচনা সভা, রাত ৮ টায় শ্যামা সংগীতানুষ্ঠান ও শ্যামা নৃত্য, ১০ টায় শ্রী শ্রী শ্যামা পুজা আরম্ভ, ১০.১৫ মিনিটে প্রসাদ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে শ্যামা পূজা উপলক্ষে শ্রীশ্রী গৌরীশঙ্কর গোশালা সোসাইটি মন্দির প্রাঙ্গনে দুর্গা পূজা পুণর্মিলনী ও সোসাইটির সম্মানীয় উপদেষ্টা মণ্ডলীর অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে শ্রীশ্রী গৌরীশঙ্কর গোশালা সোসাইটির সভাপতি হীরালাল রায় এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ উল্যাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন লালমনিরহাট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. মতিয়ার রহমান, পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম, সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাড. সফুরা বেগম রুমী, কবি ও সাহিত্যিক ফেরদৌসী বেগম বিউটি, শ্রীশ্রী গৌরীশঙ্কর গোশালা সোসাইটির সহসভাপতি শ্রী দুলাল চন্দ্র কর্মকার ও সাধারণ সম্পাদক সুবল চন্দ্র বর্মন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে অতিথিরা বলেন, হিন্দু পূরাণমতে মা কালী দূর্গাদেবীর একটি শক্তি। সংস্কৃত ভাষার কাল শব্দ থেকে কালী নামের উৎপত্তি। কালীপূজা হচ্ছে শক্তির পূজা। জগতের সকল অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে শুভশক্তির বিজয়ের জন্য সনাতনী সম্প্রদায়ের ভক্তরা কালীপূজা উদযাপন করে। কালী দেবী তার ভক্তদের কাছে শ্যামা, আদ্যমা, তারামা, চামুন্ডি, ভদ্রকালী, দেবী মহামায়াসহ নানা নামে পরিচিত।
পরে শ্রীশ্রী শ্যামা পূজা উপলক্ষে শ্যামা সংগীতানুষ্ঠান ও শ্যামা নৃত্য পরিবেশন করা হয়।