সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চিরিরবন্দরে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় আটক ২

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় ২ জন ধর্ষককে আটক করেছে থানা পুলিশ।
শনিবার ভিন্ন ভিন্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ সুপারের সংবাদ সম্মেলনে দেয়া প্রেসব্রিফিং সুত্রে জানা যায়, গত ১৪ নভেম্বর মঙ্গলবার দিবাগত রাতে এক তরুণীকে গণধর্ষণ মামলার এজাহারভূক্ত আসামী চিরিরবন্দর উপজেলার মালিপাড়ার আব্দুল গণি দুলুর ছেলে মো. আল আমিন (২৬) কে র‌্যাব-৬’র সহযোগিতায় বাগেরহাট জেলার কচুয়া থানাধীন নরেন্দ্রপুর মোল্লাপাড়া এলাকা থেকে ও তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে তদন্তপ্রাপ্ত অজ্ঞাত আসামী থেকে রুবেল ইসলাম (৩০) নামে অপর একজনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত রুবেল উপজেলার রেলকলোনী এলাকার মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে।
দিনাজপুর জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার শাহ ইফতেখার আহমেদ ও চিরিরবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বজলুর রশীদ আটকের সত্যতা স্বীকার করে জানান, ঘটনার পর তারা গা ঢাকা দেয়। মোবাইলের লোকেশন ট্রাকিং করে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান চিহ্নিত করা হয় এবং তাদের আটক করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্য আসামীদের দ্রুত আটক করা হবে।
উল্লেখ্য ওই তরুণী গণধর্ষণের শিকার হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

চিরিরবন্দরে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় আটক ২

প্রকাশের সময়: ০৫:৪৫:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৩
দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় ২ জন ধর্ষককে আটক করেছে থানা পুলিশ।
শনিবার ভিন্ন ভিন্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ সুপারের সংবাদ সম্মেলনে দেয়া প্রেসব্রিফিং সুত্রে জানা যায়, গত ১৪ নভেম্বর মঙ্গলবার দিবাগত রাতে এক তরুণীকে গণধর্ষণ মামলার এজাহারভূক্ত আসামী চিরিরবন্দর উপজেলার মালিপাড়ার আব্দুল গণি দুলুর ছেলে মো. আল আমিন (২৬) কে র‌্যাব-৬’র সহযোগিতায় বাগেরহাট জেলার কচুয়া থানাধীন নরেন্দ্রপুর মোল্লাপাড়া এলাকা থেকে ও তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে তদন্তপ্রাপ্ত অজ্ঞাত আসামী থেকে রুবেল ইসলাম (৩০) নামে অপর একজনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত রুবেল উপজেলার রেলকলোনী এলাকার মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে।
দিনাজপুর জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার শাহ ইফতেখার আহমেদ ও চিরিরবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বজলুর রশীদ আটকের সত্যতা স্বীকার করে জানান, ঘটনার পর তারা গা ঢাকা দেয়। মোবাইলের লোকেশন ট্রাকিং করে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান চিহ্নিত করা হয় এবং তাদের আটক করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্য আসামীদের দ্রুত আটক করা হবে।
উল্লেখ্য ওই তরুণী গণধর্ষণের শিকার হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে চিকিৎসাধীন রয়েছে।