রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাঘাটায় বীর মুক্তিযোদ্ধা স্মরণে ফলক স্থাপন করলেন হাবিবুর

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার পদুমশহর ইউনিয়নের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম হাবিবুর রহমান নাননু। ১৭৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ব্রহ্মপুত্র ও বাঙ্গালী নদীর তীর যখন বন্যার পানিতে নিমজ্জিত, ঠিক তখন পাকবাহিনীর যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বিচ্ছিন্ন করতে পদুমশহরের মিয়াবাড়ী রেল গেইট নামস্থানে অভিযানে অংশনেন তিনি । এখানে পাকবাহীনির সঙ্গে মোকাবিলা করতেই যে স্থানটি অচেতন হয়ে পরছিল এই স্থানটিতেই নিজ উদ্যোগে নির্মাণ করলেন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ফলক । এই স্মৃতি ফলকে স্থান পেয়েছে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ৪৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম।

জানা যায়, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকে অমর করে রাখতে ব্যক্তি উদ্যোগে নির্মাণ করা মিয়াবাড়ী রেলগেইট সংলগ্ন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজরিত স্থানে এই স্মৃতি ফলক স্থাপন করায় এলাকায় ব্যপক সারা পরেছে।

এই স্মৃতি ফলকে স্থান পেয়েছে এক অস্ত্র হাতে ভাস্কর্যসহ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা দুই সংসদ সদস্য ডা. মফিজার রহমান এবং ওলিউর রহমান রেজার ছবি। এছাড়াও এই ফলকে আছে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর সেনা ও পাকবাহিনীর আত্নসর্মপণের চিত্র। ফলে এই স্মৃতি ফলক বর্তমান ও আগামীর তরুণ প্রজম্মের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বহন করে চির অমর হয়ে থাকবেন বলে জানান স্থানীয়রা।

স্বাধীনতার ৫২ বছর পরে এমন কাজ করে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করেন জাতীর এই বীর সন্তান বীরমুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান নাননু।প্রতিটি ইউনিয়নে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামসহ স্মৃতি ফলক নির্মাণের দাবিও সচেতন মহলের। আর এই স্মৃতিকে আমর করে রাখতে সবধরণের সহযোগীতার কথা জানালেন সাঘাটা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আজহার আলী।

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা যায়, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া গাইবান্ধা সদর উপজেলা থেকে ৫০৮ জন, সাদুল্লাপুর থেকে ১২১, সুন্দরগঞ্জ থেকে ৩৩৬ জন,  গোবিন্দগঞ্জ থেকে ৩২০ জন, ফুলছড়ি থেকে ৪১৯ ও সাঘাটা উপজেলা থেকে ৮৩৫ জনসহ জেলায়  মোট ২ হাজার ৮৯০ জন সরকারিভাবে ভাতাগ্রহণ করছেন ।

সাঘাটায় বীর মুক্তিযোদ্ধা স্মরণে ফলক স্থাপন করলেন হাবিবুর

প্রকাশের সময়: ০৩:৩৩:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার পদুমশহর ইউনিয়নের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম হাবিবুর রহমান নাননু। ১৭৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ব্রহ্মপুত্র ও বাঙ্গালী নদীর তীর যখন বন্যার পানিতে নিমজ্জিত, ঠিক তখন পাকবাহিনীর যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বিচ্ছিন্ন করতে পদুমশহরের মিয়াবাড়ী রেল গেইট নামস্থানে অভিযানে অংশনেন তিনি । এখানে পাকবাহীনির সঙ্গে মোকাবিলা করতেই যে স্থানটি অচেতন হয়ে পরছিল এই স্থানটিতেই নিজ উদ্যোগে নির্মাণ করলেন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ফলক । এই স্মৃতি ফলকে স্থান পেয়েছে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ৪৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম।

জানা যায়, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকে অমর করে রাখতে ব্যক্তি উদ্যোগে নির্মাণ করা মিয়াবাড়ী রেলগেইট সংলগ্ন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজরিত স্থানে এই স্মৃতি ফলক স্থাপন করায় এলাকায় ব্যপক সারা পরেছে।

এই স্মৃতি ফলকে স্থান পেয়েছে এক অস্ত্র হাতে ভাস্কর্যসহ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা দুই সংসদ সদস্য ডা. মফিজার রহমান এবং ওলিউর রহমান রেজার ছবি। এছাড়াও এই ফলকে আছে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর সেনা ও পাকবাহিনীর আত্নসর্মপণের চিত্র। ফলে এই স্মৃতি ফলক বর্তমান ও আগামীর তরুণ প্রজম্মের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বহন করে চির অমর হয়ে থাকবেন বলে জানান স্থানীয়রা।

স্বাধীনতার ৫২ বছর পরে এমন কাজ করে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করেন জাতীর এই বীর সন্তান বীরমুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান নাননু।প্রতিটি ইউনিয়নে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামসহ স্মৃতি ফলক নির্মাণের দাবিও সচেতন মহলের। আর এই স্মৃতিকে আমর করে রাখতে সবধরণের সহযোগীতার কথা জানালেন সাঘাটা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আজহার আলী।

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা যায়, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া গাইবান্ধা সদর উপজেলা থেকে ৫০৮ জন, সাদুল্লাপুর থেকে ১২১, সুন্দরগঞ্জ থেকে ৩৩৬ জন,  গোবিন্দগঞ্জ থেকে ৩২০ জন, ফুলছড়ি থেকে ৪১৯ ও সাঘাটা উপজেলা থেকে ৮৩৫ জনসহ জেলায়  মোট ২ হাজার ৮৯০ জন সরকারিভাবে ভাতাগ্রহণ করছেন ।