রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন বক্কর 

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিলের শুনানিতে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন লালমনিরহাট-৩ সদর আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী জাবেদ হোসেন বক্কর।
বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) সকালে নির্বাচন ভবন অডিটোরিয়ামে আপিল শুনানির পর রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালসহ অন্য নির্বাচন কমিশনাররা জাবেদ হোসেন বক্করের মনোনয়নপত্রের বৈধতার রায় দেন। এতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আর কোনো আইনগত বাধা রইল না। প্রার্থী জাবেদ হোসেন বক্করের আইনজীবী ব্যারিস্টার আবু বসির সামু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাবেদ হোসেন বক্কর লালমনিরহাট-৩ (সংসদীয় আসন-১৮) স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তিনি সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও লালমনিরহাট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন।
আইনজীবী ব্যারিস্টার আবু বসির সামু বলেন, এক শতাংশ ভোটারের সংখ্যায় গরমিল থাকা এবং উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের পদত্যাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তার প্রার্থিতা বাতিল করেছিলেন, পরে আমরা আপিল করি। শুনানি শেষে আদালত প্রার্থিতা ফিরিয়ে দিতে নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে প্রতীক বরাদ্দের নির্দেশ দেন।
এর আগে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে গত ২৯ নভেম্বর সংসদ সদস্য পদে মোট আটজন মনোনয়নপত্র জমা দেন। ৩ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ উল্যাহ একমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী জাবেদ হোসেন বক্করের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। পরে তিনি হাইকোর্টে আপিল করেন। শুনানি শেষে ১৩ ডিসেম্বর সকালে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।
লালমনিরহাট-৩ আসনের অন্যান্য প্রার্থীরা হলেন, জাতীয় পার্টি মনোনীত মো. জাহিদ হাসান, বাংলাদেশ সাম্যবাদী দলের মনোনীত মো. আশরাফুল আলম, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত মো. মতিয়ার রহমান, জাকের পার্টি মনোনীত মো. শকিউজ্জামান মিয়া, জাসদ মনোনীত আবু তৈয়ব মো. আজামুল হক, তৃণমূল বিএনপি মনোনীত মো. শামীম আহমেদ চৌধুরী ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী শ্রী হরিশচন্দ্র রায়।

লালমনিরহাটে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন বক্কর 

প্রকাশের সময়: ০৯:৪৪:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিলের শুনানিতে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন লালমনিরহাট-৩ সদর আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী জাবেদ হোসেন বক্কর।
বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) সকালে নির্বাচন ভবন অডিটোরিয়ামে আপিল শুনানির পর রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালসহ অন্য নির্বাচন কমিশনাররা জাবেদ হোসেন বক্করের মনোনয়নপত্রের বৈধতার রায় দেন। এতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আর কোনো আইনগত বাধা রইল না। প্রার্থী জাবেদ হোসেন বক্করের আইনজীবী ব্যারিস্টার আবু বসির সামু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাবেদ হোসেন বক্কর লালমনিরহাট-৩ (সংসদীয় আসন-১৮) স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তিনি সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও লালমনিরহাট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন।
আইনজীবী ব্যারিস্টার আবু বসির সামু বলেন, এক শতাংশ ভোটারের সংখ্যায় গরমিল থাকা এবং উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের পদত্যাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তার প্রার্থিতা বাতিল করেছিলেন, পরে আমরা আপিল করি। শুনানি শেষে আদালত প্রার্থিতা ফিরিয়ে দিতে নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে প্রতীক বরাদ্দের নির্দেশ দেন।
এর আগে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে গত ২৯ নভেম্বর সংসদ সদস্য পদে মোট আটজন মনোনয়নপত্র জমা দেন। ৩ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ উল্যাহ একমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী জাবেদ হোসেন বক্করের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। পরে তিনি হাইকোর্টে আপিল করেন। শুনানি শেষে ১৩ ডিসেম্বর সকালে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।
লালমনিরহাট-৩ আসনের অন্যান্য প্রার্থীরা হলেন, জাতীয় পার্টি মনোনীত মো. জাহিদ হাসান, বাংলাদেশ সাম্যবাদী দলের মনোনীত মো. আশরাফুল আলম, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত মো. মতিয়ার রহমান, জাকের পার্টি মনোনীত মো. শকিউজ্জামান মিয়া, জাসদ মনোনীত আবু তৈয়ব মো. আজামুল হক, তৃণমূল বিএনপি মনোনীত মো. শামীম আহমেদ চৌধুরী ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী শ্রী হরিশচন্দ্র রায়।