রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে গাইবান্ধায় শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

রংপুর বিভাগসহ ৩টি বিভাগের ১৮টি জেলার প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক প্রথম ধাপের নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে গাইবান্ধায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) গাইবান্ধা শহরের কাচারী বাজার এলাকায় এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

গাইবান্ধা জেলার প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার্থীরা এই মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে।

এসময় বক্তব্য রাখেন, সোহাগ প্রামানিক, সাব্বির হোসাইন, সোহানুর রহমান, নজরুল ইসলাম, শাহিন মিয়া, রিপন মিয়া, ফিরুজুল ইসলাম, নুরুন্নাহার আকতার, সোনালী আকতার, নুসরাত জাহান, মাহাফুজা আকতার প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, বিগত ৮ ডিসেম্বরের প্রথম ধাপে রংপুর বিভাগসহ ৩টি বিভাগের ১৮টি জেলার প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পরীক্ষায় ব্যাপক প্রশ্ন ফাঁস, প্রক্সি, ডিভাইস ব্যবহার ও অনিয়ম করা হয়েছে। এর ফলে মেধাবী পরীক্ষার্থীরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরীক্ষার্থীরা গত ১২ ডিসেম্বর মৌলিক অধিকার ১০২ ধারায় হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন করে এবং ১৩টি অধিদপ্তর বরাবর চিঠি পাঠায়। কিন্তু সেই রিটের ফয়সালা না করেই গত ২০ ডিসেম্বর তরিঘড়ি করে পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হয়। শুধু তাই নয়, পরীক্ষায় সরাসরি যে পরীক্ষার্থীরা ডিভাইস জালিয়াতি, প্রশ্ন ফাঁস, অনিয়ম করে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে তাদেরও রোল নম্বর ফলাসীটে রয়েছে। এমনকি তাদের অনেকেই এখনও কারাভোগ করছে। তারা এতো অনিয়ম করে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পরও তাদের ফলাফল সিটে কীভাবে রোল নম্বর আসে। তাই ১৮টি জেলার প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রথম ধাপের পরীক্ষা বাতিল করে পুন:রায় পরীক্ষা নেওয়ার আহবান জানান।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে গাইবান্ধায় শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

প্রকাশের সময়: ০১:৫৮:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৩

রংপুর বিভাগসহ ৩টি বিভাগের ১৮টি জেলার প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক প্রথম ধাপের নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে গাইবান্ধায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) গাইবান্ধা শহরের কাচারী বাজার এলাকায় এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

গাইবান্ধা জেলার প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার্থীরা এই মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে।

এসময় বক্তব্য রাখেন, সোহাগ প্রামানিক, সাব্বির হোসাইন, সোহানুর রহমান, নজরুল ইসলাম, শাহিন মিয়া, রিপন মিয়া, ফিরুজুল ইসলাম, নুরুন্নাহার আকতার, সোনালী আকতার, নুসরাত জাহান, মাহাফুজা আকতার প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, বিগত ৮ ডিসেম্বরের প্রথম ধাপে রংপুর বিভাগসহ ৩টি বিভাগের ১৮টি জেলার প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পরীক্ষায় ব্যাপক প্রশ্ন ফাঁস, প্রক্সি, ডিভাইস ব্যবহার ও অনিয়ম করা হয়েছে। এর ফলে মেধাবী পরীক্ষার্থীরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরীক্ষার্থীরা গত ১২ ডিসেম্বর মৌলিক অধিকার ১০২ ধারায় হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন করে এবং ১৩টি অধিদপ্তর বরাবর চিঠি পাঠায়। কিন্তু সেই রিটের ফয়সালা না করেই গত ২০ ডিসেম্বর তরিঘড়ি করে পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হয়। শুধু তাই নয়, পরীক্ষায় সরাসরি যে পরীক্ষার্থীরা ডিভাইস জালিয়াতি, প্রশ্ন ফাঁস, অনিয়ম করে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে তাদেরও রোল নম্বর ফলাসীটে রয়েছে। এমনকি তাদের অনেকেই এখনও কারাভোগ করছে। তারা এতো অনিয়ম করে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পরও তাদের ফলাফল সিটে কীভাবে রোল নম্বর আসে। তাই ১৮টি জেলার প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রথম ধাপের পরীক্ষা বাতিল করে পুন:রায় পরীক্ষা নেওয়ার আহবান জানান।