রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে অভিযানেও থামেনি ইছা-ছালেকের অবৈধ মাটি বানিজ্য

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ইছা প্রধান ও ছালেক মিয়ার করাল গ্রাসে হারিয়ে যাচ্ছে কৃষিজমির টপ সয়েল। এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে এবং প্রশাসন অভিযান চালালেও থামেনি তাদের অবৈধ মাটি বানিজ্য। রাতের আধারে তারা বীরদর্পে কেটে নিয়ে যাচ্ছে কৃষিজমির উর্বরাশক্তি। এর কারণ হিসেবে ইছা-ছালেক বলছেন- তাদের কথায় পুলিশ ওঠে আর বসে। সবকিছু ম্যানেজ করে কৃষিজমির মাটি তোলা হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের বদলাগাড়ী গ্রামের বুদা প্রধানের ছেলে ইছা প্রধান ও একই গ্রামের কছির সরকারের ছেলে ছালেক মিয়া দীঘদিন ধরে কৃষিজমি থেকে টপ সয়েল তুলে অন্যত্র বিক্রি করছে। আসন্ন নির্বাচন নিয়ে প্রশাসনের ব্যস্ততার সুযোগ কাজে লাগিয়েছে তারা। সম্প্রতি তুঙ্গে উঠেছে তাদের অবৈধ মাটি ব্যবসা। তবে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দিনের বেলায় একাধিকবার অভিযান করায় এখন রাতের বেলায় মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে ইছা ও ছালেক। ইতোমধ্যে বনগ্রাম ইউনিয়নের বদলাগাড়ী ও শেরপুর এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে ভেকু মেশিন স্থাপন করে কৃষিজমির টপ সয়েল কাটার উৎসবে মেতে ওঠেছে।

এই মাটিখেকোরা ড্রাম ট্রাক ও ট্রাক্টর (কাঁকড়া) দিয়ে মাটি সরবরাহ করে লাখ লাখ টাকা পকেটস্থ করছে। এতে করে যেমন জমি উর্বরাশক্তি হারাচ্ছে তেমনি ফসল উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে। নষ্ট হচ্ছে কাঁচা-পাকা রাস্তা ও ধুলাবালিতে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। এভাবে উপজেলার আরও বিভিন্ন স্থানে কৃষিজমির উপরিভাগের মাটি লুটপাটে ফুসে উঠেছে একটি চক্র। দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা সঠিক কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে ভূক্তভোগিদের অভিযোগ। এ যেন দেখার কেউ নেই।

সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম আজমিরুজ্জামান বলেন, ওইস্থানে মাটি তোলার ব্যাপারটি জানা নেই। বিষয়টি এসিল্যান্ড স্যার দেখবেন।

সাদুল্লাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুজ্জামান জানান, ওই স্থানে একাধিকবার অভিযান চালানো হয়েছে। এ অভিযান চলমান থাকবে।

সাদুল্লাপুরে অভিযানেও থামেনি ইছা-ছালেকের অবৈধ মাটি বানিজ্য

প্রকাশের সময়: ০২:০৫:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৩

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ইছা প্রধান ও ছালেক মিয়ার করাল গ্রাসে হারিয়ে যাচ্ছে কৃষিজমির টপ সয়েল। এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে এবং প্রশাসন অভিযান চালালেও থামেনি তাদের অবৈধ মাটি বানিজ্য। রাতের আধারে তারা বীরদর্পে কেটে নিয়ে যাচ্ছে কৃষিজমির উর্বরাশক্তি। এর কারণ হিসেবে ইছা-ছালেক বলছেন- তাদের কথায় পুলিশ ওঠে আর বসে। সবকিছু ম্যানেজ করে কৃষিজমির মাটি তোলা হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের বদলাগাড়ী গ্রামের বুদা প্রধানের ছেলে ইছা প্রধান ও একই গ্রামের কছির সরকারের ছেলে ছালেক মিয়া দীঘদিন ধরে কৃষিজমি থেকে টপ সয়েল তুলে অন্যত্র বিক্রি করছে। আসন্ন নির্বাচন নিয়ে প্রশাসনের ব্যস্ততার সুযোগ কাজে লাগিয়েছে তারা। সম্প্রতি তুঙ্গে উঠেছে তাদের অবৈধ মাটি ব্যবসা। তবে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দিনের বেলায় একাধিকবার অভিযান করায় এখন রাতের বেলায় মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে ইছা ও ছালেক। ইতোমধ্যে বনগ্রাম ইউনিয়নের বদলাগাড়ী ও শেরপুর এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে ভেকু মেশিন স্থাপন করে কৃষিজমির টপ সয়েল কাটার উৎসবে মেতে ওঠেছে।

এই মাটিখেকোরা ড্রাম ট্রাক ও ট্রাক্টর (কাঁকড়া) দিয়ে মাটি সরবরাহ করে লাখ লাখ টাকা পকেটস্থ করছে। এতে করে যেমন জমি উর্বরাশক্তি হারাচ্ছে তেমনি ফসল উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে। নষ্ট হচ্ছে কাঁচা-পাকা রাস্তা ও ধুলাবালিতে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। এভাবে উপজেলার আরও বিভিন্ন স্থানে কৃষিজমির উপরিভাগের মাটি লুটপাটে ফুসে উঠেছে একটি চক্র। দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা সঠিক কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে ভূক্তভোগিদের অভিযোগ। এ যেন দেখার কেউ নেই।

সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম আজমিরুজ্জামান বলেন, ওইস্থানে মাটি তোলার ব্যাপারটি জানা নেই। বিষয়টি এসিল্যান্ড স্যার দেখবেন।

সাদুল্লাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুজ্জামান জানান, ওই স্থানে একাধিকবার অভিযান চালানো হয়েছে। এ অভিযান চলমান থাকবে।