রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুর-১ আসন: যুবসমাজসহ ভোটারদের আস্থার প্রতীক ঈগল 

ফরিদপুর-১ আসনে নির্বাচনী এলাকা মাতিয়ে তুলেছেন আরিফুর রহমান দোলন। ঈগল মার্কার এ প্রার্থীর প্রতি আস্থা রাখছেন ভোটাররা। বিশেষ করে যুব সমাজের ঝোঁক রয়েছে বহুমাত্রিক এ জননেতার প্রতি।

গত দুই দশক ধরে ইতিবাচক কর্মকাণ্ড আর সবসময় মানুষের পাশে থাকার কারণে দোলন জনসমর্থনে এগিয়ে রয়েছেন। প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া আরিফুর রহমান দোলন জাতীয় পর্যায়ের ব্যক্তিত্ব। একাধারে মেধাদীপ্ত সাংবাদিক, সফল উদ্যোক্তা ও ডায়নামিক রাজনীতিক।

তরুণ এই নেতা ফরিদপুর-১ আসন নিয়ে যে উন্নয়ন পরিকল্পনা করছেন তা বাস্তবায়ন হলে এই জনপদ হবে স্মার্ট ও আদর্শ। ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতি করে আসা দোলন মানুষের জন্য কাজ করতে নিবেদিত প্রাণ। গত দুই দশক ধরে তিনি ঘুরে বেড়িয়েছেন আলফাডাঙ্গা-বোয়ালমারী মধুখালীর গ্রামে গ্রামে। শুনেছেন মানুষের সুখ-দুখের কথা। গরীব-দুঃখী-মেহনতী মানুষের পাশে ছিলেন। চেষ্টা করে যাচ্ছেন তাদের জীবনমান উন্নয়নে। দোলন ভাবেন শিক্ষিত কিন্তু বেকার তরুণ-তরুণীদের নিয়ে। নানা রকম প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মদক্ষ যুবসমাজ তৈরিতে তিনি ভূমিকা রেখে আসছেন। তরুণদের জন্য যোগ্য কর্মসংস্থান গড়ে তুলতেও নিয়েছেন বিশেষ পরিকল্পনা।

আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ী হলে কৃষি ও কারিগরি ভিত্তিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নকে তিনি অগ্রাধিকার দেবেন। আলফাডাঙ্গা উপজেলার কামার গ্রামের ঐতিহ্যবাহী মুন্সী পরিবারের সন্তান দোলন। বৃটিশ আমল থেকে সমাজসেবায় এই পরিবারটির ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে। ফলে দোলনের অস্থি-মজ্জায় রয়েছে প্রপিতামহ কাঞ্চন মুন্সীর মতো সমাজসেবার স্বভাব। তিনি বিপদে আপদে মানুষের পাশে দাঁড়ান। হাত বাড়ান অসহায়ের দিকে। মিশে থাকেন তাদের আপনজন হয়ে। এসব কারণে নির্বাচনী মাঠে দোলন যেখানেই যাচ্ছেন জমে যাচ্ছে হাজারো জনতা। ঈগল মার্কার স্লোগান দিয়ে স্বাগত জানাচ্ছেন স্বতন্ত্র এ প্রার্থীকে। দোলনকে এমপি নির্বাচিত করার প্রত্যাশা রেখে বক্তব্য দিচ্ছেন স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতারা। কেন এগিয়ে দোলন? স্থানীয় নেতারা বলছেন, আলফাডাঙ্গা-বোয়ালমারী-মধুখালীর প্রত্যন্ত এলাকায় গেলেও দোলনের হাতের ছোঁয়া পাওয়া যায়। তিন উপজেলায় হাজার হাজার মানুষকে বিনামূল্যে চোখের চিকিৎসা, কম্বল বিতরণ, ছাতা বিতরণ, শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, করোনাকালে খাদ্য সহায়তা, পাঠাগারগুলোতে বই বিতরণসহ দোলনের অজস্র মানবিক কর্মকাণ্ড। এছাড়াও দোলন নিজ অর্থায়নে মাদক সচেতনতায় সমাবেশ, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সংস্কার ও উন্নয়ন করার পাশাপাশি ভূমিকা রেখেছেন সরকারিভাবে টিটিসি স্থাপন এবং বীরশ্রেষ্ঠ আবদুর রউফ স্মৃতি কমপ্লেক্স সংস্কারে।

স্থানীয়রা বলছেন, জনপ্রতিনিধি না হয়েও দুই দশক ধরে দোলন যে জনসেবা করেছেন, এমপি হলে আরো বেশি বেশি জনসেবা করবেন সেটিই স্বাভাবিক। তাছাড়া জনগণের উন্নয়ন সাধন করার মতো পরীক্ষিত মানবকল্যাণী নেতা দোলন। তাই নারী-পুরুষ নির্বিশেষে ফরিদপুর-১ আসনের ভোটারদের কাছে দোলনই প্রথম পছন্দ।

ফরিদপুর-১ আসন: যুবসমাজসহ ভোটারদের আস্থার প্রতীক ঈগল 

প্রকাশের সময়: ১০:৪৯:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৪

ফরিদপুর-১ আসনে নির্বাচনী এলাকা মাতিয়ে তুলেছেন আরিফুর রহমান দোলন। ঈগল মার্কার এ প্রার্থীর প্রতি আস্থা রাখছেন ভোটাররা। বিশেষ করে যুব সমাজের ঝোঁক রয়েছে বহুমাত্রিক এ জননেতার প্রতি।

গত দুই দশক ধরে ইতিবাচক কর্মকাণ্ড আর সবসময় মানুষের পাশে থাকার কারণে দোলন জনসমর্থনে এগিয়ে রয়েছেন। প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া আরিফুর রহমান দোলন জাতীয় পর্যায়ের ব্যক্তিত্ব। একাধারে মেধাদীপ্ত সাংবাদিক, সফল উদ্যোক্তা ও ডায়নামিক রাজনীতিক।

তরুণ এই নেতা ফরিদপুর-১ আসন নিয়ে যে উন্নয়ন পরিকল্পনা করছেন তা বাস্তবায়ন হলে এই জনপদ হবে স্মার্ট ও আদর্শ। ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতি করে আসা দোলন মানুষের জন্য কাজ করতে নিবেদিত প্রাণ। গত দুই দশক ধরে তিনি ঘুরে বেড়িয়েছেন আলফাডাঙ্গা-বোয়ালমারী মধুখালীর গ্রামে গ্রামে। শুনেছেন মানুষের সুখ-দুখের কথা। গরীব-দুঃখী-মেহনতী মানুষের পাশে ছিলেন। চেষ্টা করে যাচ্ছেন তাদের জীবনমান উন্নয়নে। দোলন ভাবেন শিক্ষিত কিন্তু বেকার তরুণ-তরুণীদের নিয়ে। নানা রকম প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মদক্ষ যুবসমাজ তৈরিতে তিনি ভূমিকা রেখে আসছেন। তরুণদের জন্য যোগ্য কর্মসংস্থান গড়ে তুলতেও নিয়েছেন বিশেষ পরিকল্পনা।

আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ী হলে কৃষি ও কারিগরি ভিত্তিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নকে তিনি অগ্রাধিকার দেবেন। আলফাডাঙ্গা উপজেলার কামার গ্রামের ঐতিহ্যবাহী মুন্সী পরিবারের সন্তান দোলন। বৃটিশ আমল থেকে সমাজসেবায় এই পরিবারটির ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে। ফলে দোলনের অস্থি-মজ্জায় রয়েছে প্রপিতামহ কাঞ্চন মুন্সীর মতো সমাজসেবার স্বভাব। তিনি বিপদে আপদে মানুষের পাশে দাঁড়ান। হাত বাড়ান অসহায়ের দিকে। মিশে থাকেন তাদের আপনজন হয়ে। এসব কারণে নির্বাচনী মাঠে দোলন যেখানেই যাচ্ছেন জমে যাচ্ছে হাজারো জনতা। ঈগল মার্কার স্লোগান দিয়ে স্বাগত জানাচ্ছেন স্বতন্ত্র এ প্রার্থীকে। দোলনকে এমপি নির্বাচিত করার প্রত্যাশা রেখে বক্তব্য দিচ্ছেন স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতারা। কেন এগিয়ে দোলন? স্থানীয় নেতারা বলছেন, আলফাডাঙ্গা-বোয়ালমারী-মধুখালীর প্রত্যন্ত এলাকায় গেলেও দোলনের হাতের ছোঁয়া পাওয়া যায়। তিন উপজেলায় হাজার হাজার মানুষকে বিনামূল্যে চোখের চিকিৎসা, কম্বল বিতরণ, ছাতা বিতরণ, শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, করোনাকালে খাদ্য সহায়তা, পাঠাগারগুলোতে বই বিতরণসহ দোলনের অজস্র মানবিক কর্মকাণ্ড। এছাড়াও দোলন নিজ অর্থায়নে মাদক সচেতনতায় সমাবেশ, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সংস্কার ও উন্নয়ন করার পাশাপাশি ভূমিকা রেখেছেন সরকারিভাবে টিটিসি স্থাপন এবং বীরশ্রেষ্ঠ আবদুর রউফ স্মৃতি কমপ্লেক্স সংস্কারে।

স্থানীয়রা বলছেন, জনপ্রতিনিধি না হয়েও দুই দশক ধরে দোলন যে জনসেবা করেছেন, এমপি হলে আরো বেশি বেশি জনসেবা করবেন সেটিই স্বাভাবিক। তাছাড়া জনগণের উন্নয়ন সাধন করার মতো পরীক্ষিত মানবকল্যাণী নেতা দোলন। তাই নারী-পুরুষ নির্বিশেষে ফরিদপুর-১ আসনের ভোটারদের কাছে দোলনই প্রথম পছন্দ।