শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধা-৩ আসনে ১১ প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারালেন ৮ প্রার্থী

গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনে ৮ প্রার্থী হারালেন তাদের জামানত

রোববার (৭ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনে ১১ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। এর মধ্যে ৮ প্রার্থী হারালেন তাদের জামানত। 

 

সোমবার (৮ জানুয়ারি) গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

 

ওই নির্বাচনে পরাজিত হয়ে যারা জামানত হারালেন- কেটলি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু জাফর মো. জাহিদ। তিনি পেয়েছেন ৫৪৯ ভোট। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের মশাল প্রতীকে এসএম খাদেমুল ইসলাম খুদি পেয়েছেন ৭ হাজার ১৬৭ ভোট। জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে মইনুর রাব্বী চৌধুরী পেয়েছেন ৭ হাজার ৪৬৫ ভোট। ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আম প্রতীকে জাহাঙ্গীর আলম পেয়েছেন ১৫০ ভোট। বাংলদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের নোঙ্গর প্রতীকে মনজুরুল হক পেয়েছেন ২২৫ ভোট।  বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির হাতঘড়ি প্রতীকে মাহামুদুল হক পেয়েছেন ২ হজার ১৮৩ ভোট। কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের গামছা প্রতীকে মোস্তফা মনিরুজ্জামান পেয়েছেন ১৮৭ ভোট ও আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাহারিয়া খাঁন বিপ্লব- ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ১৯২ ভোট। 

 

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার কাজী নাহিদ রসুলের স্বাক্ষরিত বেসরকারি ফলাফল সিটে জানানো হয়, গাইবান্ধা-৩ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৭৪ হাজার ৮৭৬। এর মধ্যে বৈধ্য ভোটের সংখ্যা ১ লাখ ২১ হাজার ৮০৪।

 

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, নির্বাচন কমিশনের বিধিমালা অনুযায়ী কোন প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে বৈধ ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ থেকে অন্তত একটি ভোট বেশী পেতে হবে। এ বিধি মোতাবেক ওই ৮ প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন। 

 

এদিকে রোববার (৭ জানুয়ারি) আসনটিতে বিজয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীক প্রার্থী ও বাংলাদেশ কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি। তিনি দ্বিতীয় বারে  পূণরায় নির্বাচিত হলেন। 

 

এ তথ্য নিশ্চিত করে গাইবান্ধা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসুল বলেন, অনুষ্ঠিত নির্বাচনে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

গাইবান্ধা-৩ আসনে ১১ প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারালেন ৮ প্রার্থী

প্রকাশের সময়: ০৪:৪২:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৪

গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনে ৮ প্রার্থী হারালেন তাদের জামানত

রোববার (৭ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনে ১১ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। এর মধ্যে ৮ প্রার্থী হারালেন তাদের জামানত। 

 

সোমবার (৮ জানুয়ারি) গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

 

ওই নির্বাচনে পরাজিত হয়ে যারা জামানত হারালেন- কেটলি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু জাফর মো. জাহিদ। তিনি পেয়েছেন ৫৪৯ ভোট। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের মশাল প্রতীকে এসএম খাদেমুল ইসলাম খুদি পেয়েছেন ৭ হাজার ১৬৭ ভোট। জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে মইনুর রাব্বী চৌধুরী পেয়েছেন ৭ হাজার ৪৬৫ ভোট। ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আম প্রতীকে জাহাঙ্গীর আলম পেয়েছেন ১৫০ ভোট। বাংলদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের নোঙ্গর প্রতীকে মনজুরুল হক পেয়েছেন ২২৫ ভোট।  বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির হাতঘড়ি প্রতীকে মাহামুদুল হক পেয়েছেন ২ হজার ১৮৩ ভোট। কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের গামছা প্রতীকে মোস্তফা মনিরুজ্জামান পেয়েছেন ১৮৭ ভোট ও আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাহারিয়া খাঁন বিপ্লব- ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ১৯২ ভোট। 

 

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার কাজী নাহিদ রসুলের স্বাক্ষরিত বেসরকারি ফলাফল সিটে জানানো হয়, গাইবান্ধা-৩ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৭৪ হাজার ৮৭৬। এর মধ্যে বৈধ্য ভোটের সংখ্যা ১ লাখ ২১ হাজার ৮০৪।

 

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, নির্বাচন কমিশনের বিধিমালা অনুযায়ী কোন প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে বৈধ ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ থেকে অন্তত একটি ভোট বেশী পেতে হবে। এ বিধি মোতাবেক ওই ৮ প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন। 

 

এদিকে রোববার (৭ জানুয়ারি) আসনটিতে বিজয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীক প্রার্থী ও বাংলাদেশ কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি। তিনি দ্বিতীয় বারে  পূণরায় নির্বাচিত হলেন। 

 

এ তথ্য নিশ্চিত করে গাইবান্ধা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসুল বলেন, অনুষ্ঠিত নির্বাচনে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।