শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তীব্র শীত আর ঘন কুয়াশায় নাকাল লালমনিরহাটবাসী

পৌষের শেষে হাড় কাঁপানো কনকনে ঠান্ডা আর ঘন কুয়াশায় লালমনিরহাটের মানুষের জীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ।
বিশেষ করে চরাঞ্চল এবং নদীর তীরবর্তী লোকালয়ের মানুষের জীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। এতে বিপাকে পড়েছে শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষ।
বুধবার সকাল ৮টায় জেলার তাপমাত্রার পারদ ১১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমেছে বলে জানিয়েছেন রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র।
সারা দিনেই সূর্যের দেখা না মেলায় তীব্র শীতে ভোগান্তি বেড়েছে জনজীবনে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর থেকে ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে রাস্তা-ঘাট, লোকালয়।
সেই সঙ্গে উত্তরের হিমেল বাতাসে জবুথবু অবস্থা সাধারণ মানুষের। কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে নিম্ন আয়ের লোকজনের। রাতে বৃষ্টির মত ঝরছে কুয়াশা। হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় দুর্ভোগে পড়েছে বয়স্ক ও শিশুরা।
ঠান্ডার কারণে ঘরে বাইরে জমির কাজও ঠিক মত করতে পারছে না কৃষকরা। ঘন কুয়াশার কারণে রাতে গাড়ি চালানো যাচ্ছে না, এমনকি দিনের বেলায়ও হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরে গতিতে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। ফলে বিপাকে পড়েছে খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষ।
তীব্র শীতে ঠান্ডা জনিত রোগীর সংখ্যা বেড়ে চলছে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা আক্রান্ত বেশি হচ্ছে। লালমনিরহাট সিভিল সার্জন ডাঃ নির্মলেন্দু রায় বলেন, অতিরিক্ত ঠান্ডায় শিশুদের সর্দি-কাশি ও ডায়রিয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে।
রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র্র বলেন, কয়েকদিনের মধ্যে জেলার তাপমাত্রা আরও কমে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামার সম্ভাবনা রয়েছে।
লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ উল্যাহ বলেন, ঠান্ডায় জেলায় নিম্ন আয়ের মানুষদের মধ্যে শীত বস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তীব্র শীত আর ঘন কুয়াশায় নাকাল লালমনিরহাটবাসী

প্রকাশের সময়: ০৯:১৭:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৪
পৌষের শেষে হাড় কাঁপানো কনকনে ঠান্ডা আর ঘন কুয়াশায় লালমনিরহাটের মানুষের জীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ।
বিশেষ করে চরাঞ্চল এবং নদীর তীরবর্তী লোকালয়ের মানুষের জীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। এতে বিপাকে পড়েছে শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষ।
বুধবার সকাল ৮টায় জেলার তাপমাত্রার পারদ ১১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমেছে বলে জানিয়েছেন রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র।
সারা দিনেই সূর্যের দেখা না মেলায় তীব্র শীতে ভোগান্তি বেড়েছে জনজীবনে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর থেকে ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে রাস্তা-ঘাট, লোকালয়।
সেই সঙ্গে উত্তরের হিমেল বাতাসে জবুথবু অবস্থা সাধারণ মানুষের। কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে নিম্ন আয়ের লোকজনের। রাতে বৃষ্টির মত ঝরছে কুয়াশা। হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় দুর্ভোগে পড়েছে বয়স্ক ও শিশুরা।
ঠান্ডার কারণে ঘরে বাইরে জমির কাজও ঠিক মত করতে পারছে না কৃষকরা। ঘন কুয়াশার কারণে রাতে গাড়ি চালানো যাচ্ছে না, এমনকি দিনের বেলায়ও হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরে গতিতে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। ফলে বিপাকে পড়েছে খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষ।
তীব্র শীতে ঠান্ডা জনিত রোগীর সংখ্যা বেড়ে চলছে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা আক্রান্ত বেশি হচ্ছে। লালমনিরহাট সিভিল সার্জন ডাঃ নির্মলেন্দু রায় বলেন, অতিরিক্ত ঠান্ডায় শিশুদের সর্দি-কাশি ও ডায়রিয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে।
রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র্র বলেন, কয়েকদিনের মধ্যে জেলার তাপমাত্রা আরও কমে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামার সম্ভাবনা রয়েছে।
লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ উল্যাহ বলেন, ঠান্ডায় জেলায় নিম্ন আয়ের মানুষদের মধ্যে শীত বস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।