শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধার প্রাণিসম্পদের ডিপ্লোমা পাস শিক্ষার্থীদের নিয়োগের দাবি

গাইবান্ধা শহরের বোর্ড বাজার এলাকায় অবস্থিত ইন্সটিটিউট অব লাইভস্টক সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি ( আই.এল.এস.টি) তে ৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন লাইভস্টক/প্রাণিসম্পদ ডিপ্লোমা বিষয়ে ৪ বছর মেয়াদি কোর্স শেষ করার পর প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে চাকরির ব্যবস্থা ও বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিল (BVC) এর অধীনে “প্যারাভেট” নিবন্ধন এর ব্যবস্থা করা হয়নি।  চাকুরী না হওয়ায়  বেকার অবস্থায় দিনাতিপাত করছে ২শ জন ছাত্র ছাত্রী।  অতি দ্রুত উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (SALO) পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রদানের জন্য শিক্ষার্থীরা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জানা গেছে- ইন্সটিটিউট অব লাইভস্টক সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি (আই.এল.এস.টি)-তে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অধীনে  এই প্রতিষ্ঠানে ৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন লাইভস্টক/প্রাণিসম্পদ ডিপ্লোমা বিষয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি হাতে-কলমে প্রশিক্ষনের মাধ্যমে দক্ষ জনবল তৈরি করা হয়। ২০১৬ সাল থেকে প্রতি বছর এই প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠান থেকে ৪ টি ব্যাচে প্রায় ২শ  জন ছাত্র-ছাত্রী পাশ করে চাকুরি না হওয়ায়  বেকার অবস্থায় দিনাতিপাত করছে। এছাড়াও এই প্রতিষ্ঠানে আরো ৪ টি ব্যাচে ছাত্র-ছাত্রী অধ্যয়নরত অবস্থায় আছে। এই ইন্সটিটিউট থেকে পাশকৃতদের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের~ উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (SALO) পদে নিয়োগ দেওয়ার কথা থাকলেও অদ্যবধি প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের  নিয়োগ বিধিমালাতে উক্ত পদ সংযুুক্ত করা হয়নি। এছাড়াও বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিল (BVC) এর অধীনে “ডিপ্লোমা ইন লাইভস্টক” সনদ ধারীদের “প্যারাভেট” নিবন্ধন এর ব্যবস্থা করা হয়নি। এই প্রতিষ্ঠানটি ইতোপূর্বে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সহ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সাবেক মহা-পরিচালক সহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিদর্শন করলেও প্রতিকার পাচ্ছেন না শিক্ষার্থীরা। এ কারনে আই.এল.এস.টিতে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের পড়াতে অনাগ্রহী হচ্ছেন। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের পাশকৃত ও অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীদের দাবী- অতি দ্রুত উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (SALO) পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও প্যারাভেট নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করার জোড় দাবী জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

বাংলাদেশ “ডিপ্লোমা ইন লাইভস্টক” স্টুডেন্টস ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আল ফরহাদ জীম” বলেন- প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আই.এল.এস.টিতে স্থাপন প্রকল্পের উদ্দেশ্যে ছিল  এসব প্রতিষ্ঠান থেকে দক্ষ জনবল সৃষ্টি হবে এবং পাশ করলে চাকুরীর সুবিধা পাবে ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার কথা ছিল প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে। আই.এল.এস.টি নির্মিত হওয়ার পরেও উল্লেখিত শর্তগুলো বাস্তবায়ন করেনি তারা। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর নিয়োগ বিধিমালাতে ডিপ্লোমা ইন লাইভস্টক ইচ্ছাকৃতভাবে উল্লেখ করেনি তারা। এ জন্য বাংলাদেশ “ডিপ্লোমা ইন লাইভস্টক”” স্টুডেন্টস ফেডারেশন নেতৃবৃন্দরা উল্লেখিত মন্ত্রণালয়ে বারবার যোগাযোগ করলেও বিভিন্ন ধরনের আশ্বাস ছাড়া কিছুই আদায় হয়নি। উপায় না পেয়ে অবশেষে ২০২৩ এর অক্টোবরের শেষের দিকে উচ্চ আদালতে একটি রিট মামলা দায়ের করলে তা নভেম্বরে হাইকোর্ট কেন নিয়োগ দেয়া হয়নি মর্মে রুল জারী করেন।

“বাংলাদেশ”ডিপ্লোমা ইন লাইভস্টক”স্টুডেন্টস ফেডারেশন এর কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবিদ শাহরিয়ার” বলেন -আমরা ইতোপূর্বে সাবেক মহা-পরিচালক ও বর্তমান মহাপরিচালক স্যার সহ অধিদপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে বার বার আমাদের দাবীর বিষয়ে আলোচনা করেছিলাম ও স্মারকলিপি প্রদান করেছি। এছাড়াও মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার চিঠি পাঠিয়েছি কিন্তু কোন কাজ  হয়নি।  এমতাবস্থায় আমরা নতুন মন্ত্রী মহোদয়ের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।  স্মার্ট লাইভস্টক স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে যেন আমাদের অতি দ্রুত নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়।

বিডিএলএসএফ  কেন্দ্রীয় কমিটির  সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও  আই,এলএস টি গাইবান্ধা কলেজ শাখার  সাবেক সভাপতি মো: নুহু ইসলাম বলেন-  আমরা প্রায় ২শ ৫০জন শিক্ষার্থী পাশ করে বেকার অবস্থায় দিন পার করতেছি। আমরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেছি  আমাদের কর্মসংস্থানের দ্রুত ব্যবস্থা করার জন্য। আমরা ইতিপূর্বে অনেকবার ডিএলএস ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করেছি এবং এখনো করে যাচ্ছি। কিন্তু ফলাফল পাই নাই।  নবসৃষ্ট ও পূর্বের মিলিয়ে মোট প্রায়  ৭হাজার ২শ টি পদ রয়েছে সারাদেশে। এর মধ্যে বর্তমানে প্রায় ২হাজার  এর একটু বেশি জনবল কর্মরত রয়েছেন সারাদেশে। বিপুল সংখ্যক পদ শুন্য থাকার পরও দেশের সুদক্ষ ডিপ্লোমা ইন লাইভস্টক ডিগ্রীধারীদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না। আমরা পাশকৃত শিক্ষার্থীদের দ্রুত নিয়োগের ব্যবস্থা করন চাই। ২০২৩-এ পাশ হওয়া নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন করে ডিপ্লোমা ইন লাইভস্টক ডিগ্রী সংযুক্ত করার ব্যবস্থা সহ প্যারাভেট নিবন্ধন প্রদানের দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জোড় দাবি জানাচ্ছি।

“গাইবান্ধা  ইন্সটিটিউট অব লাইভস্টক সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি’র অধ্যক্ষ প্রদীপ কুমার হালদার” এর সাথে তার মোবাইলে কল দেয়া হলে তিনি এই প্রতিবেদককে জানান- এখানে শিক্ষার্থীদের প্রাণিসম্পদ ডিপ্লোমা করানো হচ্ছে ও তাদেরকে শেখানো হচ্ছে দক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য। প্রাণিসম্পদের নিয়োগ বিধিমালা রয়েছে এসব সংশোধন হলে তবেই সার্কুলার অনুযায়ী তারা সুযোগ পাবে৷ তবে তারা চাকরির পিছনে না ছুটে বিভিন্ন ধরনের পশু-পাখির খামার করে আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী হতে পারে।

গাইবান্ধার প্রাণিসম্পদের ডিপ্লোমা পাস শিক্ষার্থীদের নিয়োগের দাবি

প্রকাশের সময়: ০৪:১৮:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৪

গাইবান্ধা শহরের বোর্ড বাজার এলাকায় অবস্থিত ইন্সটিটিউট অব লাইভস্টক সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি ( আই.এল.এস.টি) তে ৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন লাইভস্টক/প্রাণিসম্পদ ডিপ্লোমা বিষয়ে ৪ বছর মেয়াদি কোর্স শেষ করার পর প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে চাকরির ব্যবস্থা ও বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিল (BVC) এর অধীনে “প্যারাভেট” নিবন্ধন এর ব্যবস্থা করা হয়নি।  চাকুরী না হওয়ায়  বেকার অবস্থায় দিনাতিপাত করছে ২শ জন ছাত্র ছাত্রী।  অতি দ্রুত উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (SALO) পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রদানের জন্য শিক্ষার্থীরা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জানা গেছে- ইন্সটিটিউট অব লাইভস্টক সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি (আই.এল.এস.টি)-তে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অধীনে  এই প্রতিষ্ঠানে ৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন লাইভস্টক/প্রাণিসম্পদ ডিপ্লোমা বিষয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি হাতে-কলমে প্রশিক্ষনের মাধ্যমে দক্ষ জনবল তৈরি করা হয়। ২০১৬ সাল থেকে প্রতি বছর এই প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠান থেকে ৪ টি ব্যাচে প্রায় ২শ  জন ছাত্র-ছাত্রী পাশ করে চাকুরি না হওয়ায়  বেকার অবস্থায় দিনাতিপাত করছে। এছাড়াও এই প্রতিষ্ঠানে আরো ৪ টি ব্যাচে ছাত্র-ছাত্রী অধ্যয়নরত অবস্থায় আছে। এই ইন্সটিটিউট থেকে পাশকৃতদের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের~ উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (SALO) পদে নিয়োগ দেওয়ার কথা থাকলেও অদ্যবধি প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের  নিয়োগ বিধিমালাতে উক্ত পদ সংযুুক্ত করা হয়নি। এছাড়াও বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিল (BVC) এর অধীনে “ডিপ্লোমা ইন লাইভস্টক” সনদ ধারীদের “প্যারাভেট” নিবন্ধন এর ব্যবস্থা করা হয়নি। এই প্রতিষ্ঠানটি ইতোপূর্বে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সহ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সাবেক মহা-পরিচালক সহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিদর্শন করলেও প্রতিকার পাচ্ছেন না শিক্ষার্থীরা। এ কারনে আই.এল.এস.টিতে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের পড়াতে অনাগ্রহী হচ্ছেন। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের পাশকৃত ও অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীদের দাবী- অতি দ্রুত উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (SALO) পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও প্যারাভেট নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করার জোড় দাবী জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

বাংলাদেশ “ডিপ্লোমা ইন লাইভস্টক” স্টুডেন্টস ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আল ফরহাদ জীম” বলেন- প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আই.এল.এস.টিতে স্থাপন প্রকল্পের উদ্দেশ্যে ছিল  এসব প্রতিষ্ঠান থেকে দক্ষ জনবল সৃষ্টি হবে এবং পাশ করলে চাকুরীর সুবিধা পাবে ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার কথা ছিল প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে। আই.এল.এস.টি নির্মিত হওয়ার পরেও উল্লেখিত শর্তগুলো বাস্তবায়ন করেনি তারা। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর নিয়োগ বিধিমালাতে ডিপ্লোমা ইন লাইভস্টক ইচ্ছাকৃতভাবে উল্লেখ করেনি তারা। এ জন্য বাংলাদেশ “ডিপ্লোমা ইন লাইভস্টক”” স্টুডেন্টস ফেডারেশন নেতৃবৃন্দরা উল্লেখিত মন্ত্রণালয়ে বারবার যোগাযোগ করলেও বিভিন্ন ধরনের আশ্বাস ছাড়া কিছুই আদায় হয়নি। উপায় না পেয়ে অবশেষে ২০২৩ এর অক্টোবরের শেষের দিকে উচ্চ আদালতে একটি রিট মামলা দায়ের করলে তা নভেম্বরে হাইকোর্ট কেন নিয়োগ দেয়া হয়নি মর্মে রুল জারী করেন।

“বাংলাদেশ”ডিপ্লোমা ইন লাইভস্টক”স্টুডেন্টস ফেডারেশন এর কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবিদ শাহরিয়ার” বলেন -আমরা ইতোপূর্বে সাবেক মহা-পরিচালক ও বর্তমান মহাপরিচালক স্যার সহ অধিদপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে বার বার আমাদের দাবীর বিষয়ে আলোচনা করেছিলাম ও স্মারকলিপি প্রদান করেছি। এছাড়াও মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার চিঠি পাঠিয়েছি কিন্তু কোন কাজ  হয়নি।  এমতাবস্থায় আমরা নতুন মন্ত্রী মহোদয়ের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।  স্মার্ট লাইভস্টক স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে যেন আমাদের অতি দ্রুত নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়।

বিডিএলএসএফ  কেন্দ্রীয় কমিটির  সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও  আই,এলএস টি গাইবান্ধা কলেজ শাখার  সাবেক সভাপতি মো: নুহু ইসলাম বলেন-  আমরা প্রায় ২শ ৫০জন শিক্ষার্থী পাশ করে বেকার অবস্থায় দিন পার করতেছি। আমরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেছি  আমাদের কর্মসংস্থানের দ্রুত ব্যবস্থা করার জন্য। আমরা ইতিপূর্বে অনেকবার ডিএলএস ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করেছি এবং এখনো করে যাচ্ছি। কিন্তু ফলাফল পাই নাই।  নবসৃষ্ট ও পূর্বের মিলিয়ে মোট প্রায়  ৭হাজার ২শ টি পদ রয়েছে সারাদেশে। এর মধ্যে বর্তমানে প্রায় ২হাজার  এর একটু বেশি জনবল কর্মরত রয়েছেন সারাদেশে। বিপুল সংখ্যক পদ শুন্য থাকার পরও দেশের সুদক্ষ ডিপ্লোমা ইন লাইভস্টক ডিগ্রীধারীদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না। আমরা পাশকৃত শিক্ষার্থীদের দ্রুত নিয়োগের ব্যবস্থা করন চাই। ২০২৩-এ পাশ হওয়া নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন করে ডিপ্লোমা ইন লাইভস্টক ডিগ্রী সংযুক্ত করার ব্যবস্থা সহ প্যারাভেট নিবন্ধন প্রদানের দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জোড় দাবি জানাচ্ছি।

“গাইবান্ধা  ইন্সটিটিউট অব লাইভস্টক সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি’র অধ্যক্ষ প্রদীপ কুমার হালদার” এর সাথে তার মোবাইলে কল দেয়া হলে তিনি এই প্রতিবেদককে জানান- এখানে শিক্ষার্থীদের প্রাণিসম্পদ ডিপ্লোমা করানো হচ্ছে ও তাদেরকে শেখানো হচ্ছে দক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য। প্রাণিসম্পদের নিয়োগ বিধিমালা রয়েছে এসব সংশোধন হলে তবেই সার্কুলার অনুযায়ী তারা সুযোগ পাবে৷ তবে তারা চাকরির পিছনে না ছুটে বিভিন্ন ধরনের পশু-পাখির খামার করে আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী হতে পারে।