দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার দক্ষিণ গাঢ়পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সেই ১৩ জন শিক্ষার্থী সব পাঠ্যবই পেয়েছে। গতকাল ২৫ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার তাদের অবশিষ্ট বাংলা দ্বিতীয়পত্র ও কৃষি শিক্ষা বিষয়ের বই দুইটি দেয়া হয়। এর পূর্বে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চিত্তরঞ্জন রায়কে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়ার পাশাপাশি বই বিতরণের নির্দেশ দিয়েছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস।
খানসামা উপজেলার এমপিওভূক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দক্ষিণ গাঢ়পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের দশম শ্রেণির ১৩ জন শিক্ষার্থী বাংলা দ্বিতীয়পত্র ও কৃষি শিক্ষা বিষয়ের পাঠ্যবই দুইটি এক বছরেও হাতে পায়নি। সহপাঠীর নিকট থেকে বই ধার নিয়ে ও গাইড ক্রয় করে লেখাপড়া করে মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে দশম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়েছে শিক্ষার্থীরা। এজন্য প্রধান শিক্ষককে দায়ী করেছেন অভিভাবকেরা। এ নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের টনক নড়ে।
এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মঞ্জুরুল হক বলেন, বিষয়টি নজরে আসার পর ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে শোকজ করাসহ শিক্ষার্থীদের বই দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে ওই প্রধান শিক্ষক শোকজের জবাবসহ শিক্ষার্থীদের বই প্রদান করেছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. তাজ উদ্দিন বলেন, বই প্রদানে গাফিলতির বিষয়ে শিক্ষকের শোকজের জবাব ও তদন্ত প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। সেই সঙ্গে ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মানোন্নয়নে তদারকি অব্যাহত থাকবে।
মো. রফিকুল ইসলাম, করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) 

















