বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভাইয়ের কোঁদালের আঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় আনওয়ারুল ইসলাম শ্যামল(২৭)নামের ছোট ভাইয়ের কোদালের আঘাতে শামসুল হুদা (৪২) নামের এক বড় ভাই নিহত হয়েছেন। এছাড়া গুরত্বর আহত হয়ে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল (শজিমেক) কলেজ হাসপাতালে চিকিসাধীন রয়েছেন আরও এক ভাই। 

শনিবার (৮ জুন) দুপুরে মৃতুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গেবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল আলম শাহ।

নিহত শামসুল হুদা উপজেলার তালুককানুপুর গ্রামে হাফিজার রহমানের ছেলে। অভিযুক্ত আনওয়ারুল ইসলাম শ্যামল একে অপরের স ভাই। 

এরআগে, শুক্রবার (৭ জুন) রাতে বগুড়ার একটি বেসসরকারী হাসপাতালে চিকিসাধীন অবস্থায় আহত সামছুল হুদার মৃত্যু হয়। তার আগে গত ৫ জুন বিকেল ৩ টার দিকে উপজেলার তালুককানুপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

নিহতের পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর গ্রামের হাফিজার রহমানের দুই স্ত্রী। তাদের দুজনেরই মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে বড় স্ত্রীর সন্তান সামছুল হুদা ও শাহীন এবং ছোট স্ত্রীর সন্তান অভিযুক্ত আনওয়ারুল ইসলাম। তাদের এই বিমাতা ভাইয়ের মধ্যে বেশ কিছুদিন থেকেই জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই একপর্যায়ে গত ৫ জুন বিকেলে সামছুল হুদা ও তার ছোট ভাই শাহীন মোটরসাইকেল যোগে বাজারে যাচ্ছিলেন। এসময় পথিমধ্যে অভিযুক্ত আনওয়ারুল ইসলামের বাড়ির সামনে সেই জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরেই তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এময় আনওয়ারুল কোঁদাল দিয়ে সামছুল হুদার মাথায় চোট দেয়। এতে রক্তাক্ত হয়ে গুরত্বর আহত হয় সামছুল হুদা। তাকে আগাতে গেলে তার মাথাতেও কোঁদালের চোট দিলে গুরত্বর আহত হয় ছোট ভাই শাহীনও। পরে স্থানীয়রা উভয়কে উদ্ধার করে তাদেরকে প্রথমে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নেয়। কিন্তু তাদের অবস্থার অবনতি দেখে কর্তব্যরত চিকিসক উভয়কে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানে তাদের মধ্যে সামছুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় আইসিইউতে রাখার পরামর্শ দেন চিকিসা সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু শজীমেকে আইসিইউ সংকট থাকায় মূমুর্ষু সামছুলকে বগুড়ার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করে পরিবার। সেখানেই চিকিসাধীন অবস্থায় গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এছাড়া গুরত্বর আহত ছোট ভাই শাহীন সেদিন থেকেই বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিসাধীন রয়েছেন।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল আলম শাহ বলেন, তালুককানুপুরে বিমাতা ভাইয়ের কোঁদালের কোপে বড় ভাই নিহত হয়েছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রধান অভিযুক্ত আনওয়ারুল ইসলাম ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন।  

ভাইয়ের কোঁদালের আঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের

প্রকাশের সময়: ০৫:২৬:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ জুন ২০২৪

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় আনওয়ারুল ইসলাম শ্যামল(২৭)নামের ছোট ভাইয়ের কোদালের আঘাতে শামসুল হুদা (৪২) নামের এক বড় ভাই নিহত হয়েছেন। এছাড়া গুরত্বর আহত হয়ে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল (শজিমেক) কলেজ হাসপাতালে চিকিসাধীন রয়েছেন আরও এক ভাই। 

শনিবার (৮ জুন) দুপুরে মৃতুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গেবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল আলম শাহ।

নিহত শামসুল হুদা উপজেলার তালুককানুপুর গ্রামে হাফিজার রহমানের ছেলে। অভিযুক্ত আনওয়ারুল ইসলাম শ্যামল একে অপরের স ভাই। 

এরআগে, শুক্রবার (৭ জুন) রাতে বগুড়ার একটি বেসসরকারী হাসপাতালে চিকিসাধীন অবস্থায় আহত সামছুল হুদার মৃত্যু হয়। তার আগে গত ৫ জুন বিকেল ৩ টার দিকে উপজেলার তালুককানুপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

নিহতের পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর গ্রামের হাফিজার রহমানের দুই স্ত্রী। তাদের দুজনেরই মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে বড় স্ত্রীর সন্তান সামছুল হুদা ও শাহীন এবং ছোট স্ত্রীর সন্তান অভিযুক্ত আনওয়ারুল ইসলাম। তাদের এই বিমাতা ভাইয়ের মধ্যে বেশ কিছুদিন থেকেই জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই একপর্যায়ে গত ৫ জুন বিকেলে সামছুল হুদা ও তার ছোট ভাই শাহীন মোটরসাইকেল যোগে বাজারে যাচ্ছিলেন। এসময় পথিমধ্যে অভিযুক্ত আনওয়ারুল ইসলামের বাড়ির সামনে সেই জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরেই তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এময় আনওয়ারুল কোঁদাল দিয়ে সামছুল হুদার মাথায় চোট দেয়। এতে রক্তাক্ত হয়ে গুরত্বর আহত হয় সামছুল হুদা। তাকে আগাতে গেলে তার মাথাতেও কোঁদালের চোট দিলে গুরত্বর আহত হয় ছোট ভাই শাহীনও। পরে স্থানীয়রা উভয়কে উদ্ধার করে তাদেরকে প্রথমে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নেয়। কিন্তু তাদের অবস্থার অবনতি দেখে কর্তব্যরত চিকিসক উভয়কে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানে তাদের মধ্যে সামছুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় আইসিইউতে রাখার পরামর্শ দেন চিকিসা সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু শজীমেকে আইসিইউ সংকট থাকায় মূমুর্ষু সামছুলকে বগুড়ার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করে পরিবার। সেখানেই চিকিসাধীন অবস্থায় গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এছাড়া গুরত্বর আহত ছোট ভাই শাহীন সেদিন থেকেই বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিসাধীন রয়েছেন।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল আলম শাহ বলেন, তালুককানুপুরে বিমাতা ভাইয়ের কোঁদালের কোপে বড় ভাই নিহত হয়েছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রধান অভিযুক্ত আনওয়ারুল ইসলাম ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন।