মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় তিস্তার পানি বিপৎসীমার উপরে

নদীবিদৌত গাইবান্ধার তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট ও করতোয়াসহ সবগুলো নদ-নদীর পানিবৃদ্ধি পেয়েছে। এরই মধ্যে সুন্দরগঞ্জ পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে বন্যার আশঙ্কা রয়েছে বলে স্থানীয়দের ধারণা।

বুধবার (১৯ জুন) গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কন্ট্রোলরুম থেকে জানানো হয়, আজ বিকেল ৩ টা পর্যন্ত তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া ব্রহ্মপুত্র ১২০, ঘাঘট ১৭৭ ও করতোয়ার পানি ২৬৩ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। এই কন্ট্রোলরুমের দায়িত্বে থাকা শাহীনুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ইতোমধ্যে গাইবান্ধা সদর, সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার নদীবেষ্টিত চরাঞ্চলে বেশ কিছু স্থানে প্লাবিত হচ্ছে। সেই সাথে সুন্দরগঞ্জের কাপাসিয়া এলাকায় পানিবৃদ্ধির ফলে কিছু সংখ্যক ঘরবাড়িতে পানি জমেছে। একই সংঙ্গে দেখা দিয়েছি নদী ভাঙনও।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত কয়েক দিনের ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢলে জেলার সবগুলো নদ-নদীর পানি অস্বাভাকিভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কারনের নদীর তীরবর্তী ও নিচু এলাকার বেশ কিছু ঘরবাড়ি ও বিভিন্ন ফসলাদি পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। নদ-নদীগুলোর পানিবৃদ্ধির কারণে কামারজানি, কাপাসিয়া, এরেন্ডাবাড়ী, ঘাগোয়া, হরিপুর, ফজলুপুর ও তারাপুর এলাকায় পানি উঠতে শুরু করছে।

খেয়াঘাট এলাকার বাসিন্দা আব্দুল রাজ্জাক মিয়া জানান, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে পানিবন্দী মানুষরা গৃহপালিত পশু-পাখি নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ছেন। তাদের মধ্যে দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধপানি, টয়লেট, ও আবাসনের অভাব।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হাফিজুল হক বলেন, ইতোমধ্যে নদ-নদীর পানিবৃদ্ধি পেয়েছে। এসব এলাকাগুলো দেখা হচ্ছে। আর ভাঙনরোধেও কাজ করা হচ্ছে।

গাইবান্ধায় তিস্তার পানি বিপৎসীমার উপরে

প্রকাশের সময়: ০৭:৫১:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪

নদীবিদৌত গাইবান্ধার তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট ও করতোয়াসহ সবগুলো নদ-নদীর পানিবৃদ্ধি পেয়েছে। এরই মধ্যে সুন্দরগঞ্জ পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে বন্যার আশঙ্কা রয়েছে বলে স্থানীয়দের ধারণা।

বুধবার (১৯ জুন) গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কন্ট্রোলরুম থেকে জানানো হয়, আজ বিকেল ৩ টা পর্যন্ত তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া ব্রহ্মপুত্র ১২০, ঘাঘট ১৭৭ ও করতোয়ার পানি ২৬৩ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। এই কন্ট্রোলরুমের দায়িত্বে থাকা শাহীনুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ইতোমধ্যে গাইবান্ধা সদর, সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার নদীবেষ্টিত চরাঞ্চলে বেশ কিছু স্থানে প্লাবিত হচ্ছে। সেই সাথে সুন্দরগঞ্জের কাপাসিয়া এলাকায় পানিবৃদ্ধির ফলে কিছু সংখ্যক ঘরবাড়িতে পানি জমেছে। একই সংঙ্গে দেখা দিয়েছি নদী ভাঙনও।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত কয়েক দিনের ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢলে জেলার সবগুলো নদ-নদীর পানি অস্বাভাকিভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কারনের নদীর তীরবর্তী ও নিচু এলাকার বেশ কিছু ঘরবাড়ি ও বিভিন্ন ফসলাদি পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। নদ-নদীগুলোর পানিবৃদ্ধির কারণে কামারজানি, কাপাসিয়া, এরেন্ডাবাড়ী, ঘাগোয়া, হরিপুর, ফজলুপুর ও তারাপুর এলাকায় পানি উঠতে শুরু করছে।

খেয়াঘাট এলাকার বাসিন্দা আব্দুল রাজ্জাক মিয়া জানান, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে পানিবন্দী মানুষরা গৃহপালিত পশু-পাখি নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ছেন। তাদের মধ্যে দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধপানি, টয়লেট, ও আবাসনের অভাব।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হাফিজুল হক বলেন, ইতোমধ্যে নদ-নদীর পানিবৃদ্ধি পেয়েছে। এসব এলাকাগুলো দেখা হচ্ছে। আর ভাঙনরোধেও কাজ করা হচ্ছে।