মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিক্ষা অফিসারের ছাদ বাগানে ফলের সমারোহ

মো. রফিকুল ইসলাম: ইয়াতিম খানার ছাদের যেদিকে চোখের দৃষ্টি যায় শুধু ফলের গাছ আর গাছ। দৃষ্টিনন্দন ছাদ বাগান তো নয়, যেন প্রকৃতির এক টুকরো ভালোবাসা। এ ছাদ বাগানে দেশি-বিদেশি দুই শতাধিক প্রজাতির ফলের গাছের সমারোহ। ছাদ যেন রুপ নিয়েছে ফলের মেলায়! দৃষ্টিনন্দন ছাদ বাগান দিতে পারে নির্মল-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও পারিবারের চাহিদা মতো নিরাপদ ফল-সবজি। আবার এ বাগান অবসরে এনে দেবে বিনোদনের প্রশান্তি। এ অভিপ্রায়ে ছাদে দৃষ্টিনন্দন ২০০ প্রজাতির ফলের বাগান গড়ে তুলেছেন দিনাজপুর শহরের রাজবাড়ির সুখসাগর-ভুইপাড়া এলাকায় গড়ে তুলেছেন আফছার-মহছেনা হাফিজিয়া ইয়াতিম খানার সভাপতি ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. মঞ্জুরুল হক। বর্তমানে তিনি দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তিনি শখের বসে প্রকৃতিকে ভালোবেসে গড়ে তুলেছেন এই ছাদ ফল বাগান। প্রতিটি গাছ সংগ্রহে রয়েছে ত্যাগ-তিতিক্ষা আর শ্রম। ইয়াতিম খানার ছাদে এত ফলের গাছ নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষকসহ অভিভাবকরা বলেন, এ যেন প্রকৃতির ছাদ বাগান!

এই ছাদ বাগানে কী নেই? ছাদের টবে শোভা পাচ্ছে আমেরিকার পালবার আম, ব্যানানা ম্যাংগো, মিরাক্কেল ফল, লটকন, নাশপাতি, করোসোল, কেনু, সুইট লেমন, অরবরই, ফিলিপাইন চেরি, বারোডাস চেরি, আনারস, লঙ মালবেরি, ব্লাক বেরি, ব্লুবেরি, কামরাঙা, লোকট, সোলাপরি আনার, ভাগোয়া আনার, বেদানা, করমচা, আলু বোখারা, জামরুল, গোলাপ জাম, কালো জাম, এগফ্রুট, ক্যাটস আই ফ্রুট, অস্ট্রেলিয়ান বিচচেরি, থাই পেয়ারা, থাই মাধুরী পেয়ারা, ব্রাজিলিয়ান স্ট্রোবেরি পেয়ারা, কালা আঙ্গুর, সাদা আঙ্গুর, ত্বীন, জয়তুন, আমলকীসহ ২০০ প্রজাতির ফল।

ইয়াতিমখানার সভাপতি ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. মজ্ঞুরুল হক জানান, শখের বসে নিজের পরিচর্যায় এ ফলের বাগান গড়ে তুলেছেন। এ বাগানেই অবসর সময় কাটান। অবসরে প্রকৃতির মাঝে সময় কাটানো ছাড়াও তিনি এসব ফল দিয়ে অতিথি আপ্যায়নও করা যায়।

শিক্ষা অফিসারের ছাদ বাগানে ফলের সমারোহ

প্রকাশের সময়: ০৫:১০:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫

মো. রফিকুল ইসলাম: ইয়াতিম খানার ছাদের যেদিকে চোখের দৃষ্টি যায় শুধু ফলের গাছ আর গাছ। দৃষ্টিনন্দন ছাদ বাগান তো নয়, যেন প্রকৃতির এক টুকরো ভালোবাসা। এ ছাদ বাগানে দেশি-বিদেশি দুই শতাধিক প্রজাতির ফলের গাছের সমারোহ। ছাদ যেন রুপ নিয়েছে ফলের মেলায়! দৃষ্টিনন্দন ছাদ বাগান দিতে পারে নির্মল-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও পারিবারের চাহিদা মতো নিরাপদ ফল-সবজি। আবার এ বাগান অবসরে এনে দেবে বিনোদনের প্রশান্তি। এ অভিপ্রায়ে ছাদে দৃষ্টিনন্দন ২০০ প্রজাতির ফলের বাগান গড়ে তুলেছেন দিনাজপুর শহরের রাজবাড়ির সুখসাগর-ভুইপাড়া এলাকায় গড়ে তুলেছেন আফছার-মহছেনা হাফিজিয়া ইয়াতিম খানার সভাপতি ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. মঞ্জুরুল হক। বর্তমানে তিনি দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তিনি শখের বসে প্রকৃতিকে ভালোবেসে গড়ে তুলেছেন এই ছাদ ফল বাগান। প্রতিটি গাছ সংগ্রহে রয়েছে ত্যাগ-তিতিক্ষা আর শ্রম। ইয়াতিম খানার ছাদে এত ফলের গাছ নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষকসহ অভিভাবকরা বলেন, এ যেন প্রকৃতির ছাদ বাগান!

এই ছাদ বাগানে কী নেই? ছাদের টবে শোভা পাচ্ছে আমেরিকার পালবার আম, ব্যানানা ম্যাংগো, মিরাক্কেল ফল, লটকন, নাশপাতি, করোসোল, কেনু, সুইট লেমন, অরবরই, ফিলিপাইন চেরি, বারোডাস চেরি, আনারস, লঙ মালবেরি, ব্লাক বেরি, ব্লুবেরি, কামরাঙা, লোকট, সোলাপরি আনার, ভাগোয়া আনার, বেদানা, করমচা, আলু বোখারা, জামরুল, গোলাপ জাম, কালো জাম, এগফ্রুট, ক্যাটস আই ফ্রুট, অস্ট্রেলিয়ান বিচচেরি, থাই পেয়ারা, থাই মাধুরী পেয়ারা, ব্রাজিলিয়ান স্ট্রোবেরি পেয়ারা, কালা আঙ্গুর, সাদা আঙ্গুর, ত্বীন, জয়তুন, আমলকীসহ ২০০ প্রজাতির ফল।

ইয়াতিমখানার সভাপতি ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. মজ্ঞুরুল হক জানান, শখের বসে নিজের পরিচর্যায় এ ফলের বাগান গড়ে তুলেছেন। এ বাগানেই অবসর সময় কাটান। অবসরে প্রকৃতির মাঝে সময় কাটানো ছাড়াও তিনি এসব ফল দিয়ে অতিথি আপ্যায়নও করা যায়।