মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় মনু গীদাল পালা নাট্যৎসব শুরু

হাতের মুঠোয় হাজার বছর আমরা চলছি সামনে- এ শ্লোগান নিয়ে গাইবান্ধার দারিয়াপুরে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপি মনু গীদাল পালা নাট্যৎসব। বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার ও বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশানের সদস্য সংগঠন সারথি থিয়েটারের  ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এই উৎসব শুরু হয়।

গাইবান্ধা সারথি থিয়েটারের আয়োজনে তিন দিন ব্যাপি পালা নাট্য বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়ে চলবে শনিবার পর্যন্ত।

দারিয়াপুর হাটখোলায় মনু গীদাল পালা নাট্যৎসবটির উদ্বোধন করেন- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান লেবু, ড. তানভীর আহমেদ সিডনি, সারথি থিয়েটারের প্রধান নির্বাহী জুলফিকার চঞ্চল, বিথি সরকারসহ আরো অন্যরা।

এ সময় লাঠিখেলা, দেশীও বাদ্যযন্ত্রের সমবেত বাজনা, লোকগান, নৃত্যায়তন, বাউল গান ও পালানাটক, নদীকথন ও জয়তুনবিরির পালা মঞ্চায়িত করা হয়।।

অনুষ্ঠানের আলোচনায় বক্তরা বলেন,  সংস্কৃতির মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার উপস্থাপন রীতি ছিল প্রধানত পালা কেন্দ্রিক। শেকড়ের পালানাট্য হোক সত্যিকারের বাঙালির পালানাট্য। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে পালানাট্যের উপাদান ও উৎস। আমাদের এই রূপসী বাংলাদেশে অগণিত গল্প, কেচ্ছা, কথা, উপকথা, রূপকথা নিয়ে পালানাট্য হয়েছে। গল্পের মৌলিক কাহিনি নিয়ে পালানাট্য এগিয়ে যায়। সেখানে থাকে মৌলিক নাচ, গান, সংলাপ ও বন্দনা এই পালা নাট্য হারিয়ে যাওয়ার পথে আজ আমরা এই ভাবে দেখতে পারবো সেটাও কল্পনার বাইরে।

গাইবান্ধায় মনু গীদাল পালা নাট্যৎসব শুরু

প্রকাশের সময়: ০৮:১৯:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৫

হাতের মুঠোয় হাজার বছর আমরা চলছি সামনে- এ শ্লোগান নিয়ে গাইবান্ধার দারিয়াপুরে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপি মনু গীদাল পালা নাট্যৎসব। বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার ও বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশানের সদস্য সংগঠন সারথি থিয়েটারের  ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এই উৎসব শুরু হয়।

গাইবান্ধা সারথি থিয়েটারের আয়োজনে তিন দিন ব্যাপি পালা নাট্য বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়ে চলবে শনিবার পর্যন্ত।

দারিয়াপুর হাটখোলায় মনু গীদাল পালা নাট্যৎসবটির উদ্বোধন করেন- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান লেবু, ড. তানভীর আহমেদ সিডনি, সারথি থিয়েটারের প্রধান নির্বাহী জুলফিকার চঞ্চল, বিথি সরকারসহ আরো অন্যরা।

এ সময় লাঠিখেলা, দেশীও বাদ্যযন্ত্রের সমবেত বাজনা, লোকগান, নৃত্যায়তন, বাউল গান ও পালানাটক, নদীকথন ও জয়তুনবিরির পালা মঞ্চায়িত করা হয়।।

অনুষ্ঠানের আলোচনায় বক্তরা বলেন,  সংস্কৃতির মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার উপস্থাপন রীতি ছিল প্রধানত পালা কেন্দ্রিক। শেকড়ের পালানাট্য হোক সত্যিকারের বাঙালির পালানাট্য। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে পালানাট্যের উপাদান ও উৎস। আমাদের এই রূপসী বাংলাদেশে অগণিত গল্প, কেচ্ছা, কথা, উপকথা, রূপকথা নিয়ে পালানাট্য হয়েছে। গল্পের মৌলিক কাহিনি নিয়ে পালানাট্য এগিয়ে যায়। সেখানে থাকে মৌলিক নাচ, গান, সংলাপ ও বন্দনা এই পালা নাট্য হারিয়ে যাওয়ার পথে আজ আমরা এই ভাবে দেখতে পারবো সেটাও কল্পনার বাইরে।