মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঘাস খাওয়া হলো না গরুর, বজ্রপাতে কেড়ে নিল প্রাণ

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় জাহিদুল ইসলাম (৪৮) নামের এক কৃষকের বজ্রপাতে একটি গরুর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (১৭ মে) সকালের দিকে উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের কাতলামারী গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, কাতলামারী গ্রামের জাহিদুল ইসলাম বাড়ির পাশে আজ সকালে মুন্সীরহাটে অফদা বাঁধ এলাকায় ঘাস খাওয়ার জন্য তার গরুটি বেঁধে রেখে আসেন। এসময় হঠাৎ বৃষ্টিসহ বজ্রপাতে গরুটি ঘটনাস্থলেই মারা যায়। এ ঘটনায় গরুর মালিক মাঠে গিয়ে গরু টিকে মৃত দেখতে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

ক্ষতিগ্রস্ত জাহিদুল ইসলাম বলেন, বৃষ্টি শেষ হলে গরু আনতে যাই। গিয়ে দেখি বজ্রপাতে আমার গরুটি মারা গেছে। আমি কৃষি কাজ করে সংসার চালাই পাশাপাশি গরুটি লালন পালন করছিলাম। আমার অপূরনীয় ক্ষতি হয়ে গেল।

রহমান মিয়া নামের এক ব্যক্তি বলেন, দরিদ্র কৃষকের বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে গেল। গরুটির আনুমানিক মূল্য লাখ টাকা। এ কৃষককে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতার দাবি করছি।

এ বিষয়ে গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম খুশি বলেন, বিষয়টি লোকমুখে শুনেছি। এ ধরনের ঘটনা খুব দুঃখজনক।

 

ঘাস খাওয়া হলো না গরুর, বজ্রপাতে কেড়ে নিল প্রাণ

প্রকাশের সময়: ০৩:৩৩:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় জাহিদুল ইসলাম (৪৮) নামের এক কৃষকের বজ্রপাতে একটি গরুর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (১৭ মে) সকালের দিকে উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের কাতলামারী গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, কাতলামারী গ্রামের জাহিদুল ইসলাম বাড়ির পাশে আজ সকালে মুন্সীরহাটে অফদা বাঁধ এলাকায় ঘাস খাওয়ার জন্য তার গরুটি বেঁধে রেখে আসেন। এসময় হঠাৎ বৃষ্টিসহ বজ্রপাতে গরুটি ঘটনাস্থলেই মারা যায়। এ ঘটনায় গরুর মালিক মাঠে গিয়ে গরু টিকে মৃত দেখতে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

ক্ষতিগ্রস্ত জাহিদুল ইসলাম বলেন, বৃষ্টি শেষ হলে গরু আনতে যাই। গিয়ে দেখি বজ্রপাতে আমার গরুটি মারা গেছে। আমি কৃষি কাজ করে সংসার চালাই পাশাপাশি গরুটি লালন পালন করছিলাম। আমার অপূরনীয় ক্ষতি হয়ে গেল।

রহমান মিয়া নামের এক ব্যক্তি বলেন, দরিদ্র কৃষকের বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে গেল। গরুটির আনুমানিক মূল্য লাখ টাকা। এ কৃষককে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতার দাবি করছি।

এ বিষয়ে গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম খুশি বলেন, বিষয়টি লোকমুখে শুনেছি। এ ধরনের ঘটনা খুব দুঃখজনক।