সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জে গৃহবধূসহ ২ জনের মরদেহ উদ্ধার

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা পৃথক স্থান থেকে সুমন মিয়া (১৮) ও আজেনা বেগমের (৩৫)  নামের দুইজনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২ জুন) সন্ধ্যার দিকে মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সুন্দরগঞ্জ থানা পুলিশ।

নিহত সুমন মিয়া উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের কিসামত সর্বানন্দ গ্রামের মৃত আলম মিয়ার ছেলে ও আজেনা বেগম হরিপুর ইউনিয়নের হরিপুর গেন্দুরাম গ্রামের ফুল মিয়ার স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানায়, সুমন মিয়া প্রত্যেক রাতের ন্যায় রোববার রাতে ঘুমিয়ে পড়েন নিজ শয়ন ঘরে। পরদিন সকালে তাকে ঘরে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন পরিবারের লোকজন। এরই একপর্যায়ে প্রতিবেশী আনোয়ার হোসেনের ধান ক্ষেতে থাকা সেচপাম্পের ঘরে তার মরদেহ ঝুলতে দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেন।

অন্যদিকে প্রত্যেক দিনের ন্যায় রাতে ঘুমের যান আজেনা বেগম। পরদিন সকালে তাকে দেখতে না পেয়ে তার ঘরে যান পরিবারের লোকজন। শয়ন ঘরের ধর্ণার সাথে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলছিলো তার মরদেহ। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে থেকে লাশ উদ্ধার করেন।

এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল হাকিম আজাদ বলেন, সুমন মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা মর্গে পাঠানো হয়েছে।  আর স্বজনদের কোনো আপত্তি না থাকায় গৃহবধূ আজেনা বেগমের মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

 

সুন্দরগঞ্জে গৃহবধূসহ ২ জনের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময়: ১০:৩৫:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা পৃথক স্থান থেকে সুমন মিয়া (১৮) ও আজেনা বেগমের (৩৫)  নামের দুইজনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২ জুন) সন্ধ্যার দিকে মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সুন্দরগঞ্জ থানা পুলিশ।

নিহত সুমন মিয়া উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের কিসামত সর্বানন্দ গ্রামের মৃত আলম মিয়ার ছেলে ও আজেনা বেগম হরিপুর ইউনিয়নের হরিপুর গেন্দুরাম গ্রামের ফুল মিয়ার স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানায়, সুমন মিয়া প্রত্যেক রাতের ন্যায় রোববার রাতে ঘুমিয়ে পড়েন নিজ শয়ন ঘরে। পরদিন সকালে তাকে ঘরে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন পরিবারের লোকজন। এরই একপর্যায়ে প্রতিবেশী আনোয়ার হোসেনের ধান ক্ষেতে থাকা সেচপাম্পের ঘরে তার মরদেহ ঝুলতে দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেন।

অন্যদিকে প্রত্যেক দিনের ন্যায় রাতে ঘুমের যান আজেনা বেগম। পরদিন সকালে তাকে দেখতে না পেয়ে তার ঘরে যান পরিবারের লোকজন। শয়ন ঘরের ধর্ণার সাথে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলছিলো তার মরদেহ। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে থেকে লাশ উদ্ধার করেন।

এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল হাকিম আজাদ বলেন, সুমন মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা মর্গে পাঠানো হয়েছে।  আর স্বজনদের কোনো আপত্তি না থাকায় গৃহবধূ আজেনা বেগমের মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।