সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় জামায়াত-শিবির নেতার বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ-সমাবেশ

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় কামারজানীর অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের ইন্ধনে স্থানীয় যুব জামায়াত ও শিবির নেতাসহ বিভিন্ন ব্যক্তির নামে হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের অভিযোগ উঠেছে। এরই প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও  সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (৮ জুন) বিকেলে কামারজানী বন্দরে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক ইকবাল হোসেন।

এসময় বক্তব্য দেন-  বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কামারজানী ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মাওলানা ক্বারী মো. রেজাউল করিম,  ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কামারজানী ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো. মাজু আহম্মেদ, ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মো. জাভেদ হোসেন  বকুল, সংবাদকর্মী সাদ্দাম হোসেন পবন, ইউনিয়ন বিএনপির সহ সভাপতি জহুরুল ইসলাম,  ছাত্রনেতা আসাদ মাহমুদ দীপুসহ অনেকে।

বক্তারা বলেন, যেখানে সরকারী চাকুরীজীবি, ইউনিয়ন যুব জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি, সাবেক শিবির নেতাকে আসামি করা হয়েছে। জুলাই আন্দোলনে যারা স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে সরাসরি যুক্ত ছিল তাদের নামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র নেতার করার মামলায় নাম দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা হতাশ হয়েছি। মামলার বাদী কাকে খুশি করার জন্য এই নেক্কারজনক কাজ করেছেন তা আমরা বোধগম্য নই। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে বৈষম্যবিরোধী নেতার করা মামলা থেকে এই ৪ জনের নাম প্রত্যাহার করাসহ, মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা প্রত্যাহার করা না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

বক্তারা আরও বলেন, শুধুমাত্র অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করার কারনে ইউনিয়নের বিশিষ্ট নাগরিকদের নামে দুটি হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। একটি সরাসরি বালুদস্যু নিজেই বাদী হয়ে দিয়েছেন। অপরটি অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের ইন্ধনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন নেতা নাশকতা মামলা দেয় সেই মামলায় আসামি করা হয়।

 

গাইবান্ধায় জামায়াত-শিবির নেতার বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ-সমাবেশ

প্রকাশের সময়: ০৮:২২:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় কামারজানীর অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের ইন্ধনে স্থানীয় যুব জামায়াত ও শিবির নেতাসহ বিভিন্ন ব্যক্তির নামে হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের অভিযোগ উঠেছে। এরই প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও  সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (৮ জুন) বিকেলে কামারজানী বন্দরে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক ইকবাল হোসেন।

এসময় বক্তব্য দেন-  বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কামারজানী ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মাওলানা ক্বারী মো. রেজাউল করিম,  ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কামারজানী ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো. মাজু আহম্মেদ, ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মো. জাভেদ হোসেন  বকুল, সংবাদকর্মী সাদ্দাম হোসেন পবন, ইউনিয়ন বিএনপির সহ সভাপতি জহুরুল ইসলাম,  ছাত্রনেতা আসাদ মাহমুদ দীপুসহ অনেকে।

বক্তারা বলেন, যেখানে সরকারী চাকুরীজীবি, ইউনিয়ন যুব জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি, সাবেক শিবির নেতাকে আসামি করা হয়েছে। জুলাই আন্দোলনে যারা স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে সরাসরি যুক্ত ছিল তাদের নামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র নেতার করার মামলায় নাম দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা হতাশ হয়েছি। মামলার বাদী কাকে খুশি করার জন্য এই নেক্কারজনক কাজ করেছেন তা আমরা বোধগম্য নই। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে বৈষম্যবিরোধী নেতার করা মামলা থেকে এই ৪ জনের নাম প্রত্যাহার করাসহ, মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা প্রত্যাহার করা না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

বক্তারা আরও বলেন, শুধুমাত্র অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করার কারনে ইউনিয়নের বিশিষ্ট নাগরিকদের নামে দুটি হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। একটি সরাসরি বালুদস্যু নিজেই বাদী হয়ে দিয়েছেন। অপরটি অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের ইন্ধনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন নেতা নাশকতা মামলা দেয় সেই মামলায় আসামি করা হয়।