সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নদীতে নিখোঁজ বৃদ্ধের লাশ মিলল দুই কি.মি দূরে 

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় সাঁতরে ঘাঘট নদী পার হতে গিয়ে তসলু ব্যাপারীর (৭২) নামের এক বৃদ্ধ পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনার একদিন পর দুই কিলোমিটার দূরে এই বৃদ্ধের মরহেদ উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (১১ জুন) উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়নের নুরপুর গুচ্ছগ্রামের সামনে ঘাঘট নদ থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত তসলু ব্যাপারী উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের হামিন্দপুর গ্রামের মৃত ময়েন ব্যাপারীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, তসলু ব্যাপারী মঙ্গলবার (১০ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে বাড়ির পাশের ঘাঘট নদ সাঁতরে পার হওয়ার সময় হঠাৎ পানিতে ডুবে নিখোঁজ হন। নিখোঁজের পর রংপুর থেকে আসা ডুবুরি দল নদীতে নেমে অনেক চেষ্টা করেও তার সন্ধান পায়নি। এরই একপর্যায়ে বুধবার সকালে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দুরে নুরপুর গুচ্ছগ্রামের সামনে ঘাঘট নদে তার মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে।

সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজউদ্দিন খন্দকার এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

নদীতে নিখোঁজ বৃদ্ধের লাশ মিলল দুই কি.মি দূরে 

প্রকাশের সময়: ০৭:৩৭:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় সাঁতরে ঘাঘট নদী পার হতে গিয়ে তসলু ব্যাপারীর (৭২) নামের এক বৃদ্ধ পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনার একদিন পর দুই কিলোমিটার দূরে এই বৃদ্ধের মরহেদ উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (১১ জুন) উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়নের নুরপুর গুচ্ছগ্রামের সামনে ঘাঘট নদ থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত তসলু ব্যাপারী উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের হামিন্দপুর গ্রামের মৃত ময়েন ব্যাপারীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, তসলু ব্যাপারী মঙ্গলবার (১০ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে বাড়ির পাশের ঘাঘট নদ সাঁতরে পার হওয়ার সময় হঠাৎ পানিতে ডুবে নিখোঁজ হন। নিখোঁজের পর রংপুর থেকে আসা ডুবুরি দল নদীতে নেমে অনেক চেষ্টা করেও তার সন্ধান পায়নি। এরই একপর্যায়ে বুধবার সকালে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দুরে নুরপুর গুচ্ছগ্রামের সামনে ঘাঘট নদে তার মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে।

সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজউদ্দিন খন্দকার এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।