সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাবার কবর জিয়ারতের মধ্যদিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু সিন্টু সরদারের

অতর্বর্তী সরকারের দেয়া ঘোষণা মোতাবেক আগামী বছরের এপ্রিলের দিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

আর নির্বাচনের এ তারিখ পেয়েই অন্যান্য প্রার্থীর ন্যায় নির্বাচনী প্রচারণায় মাঠে নেমেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনয়ন প্রত্যাশী বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. আরেফিন সরদার সিন্টু।

তিনি ২৯ গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসন থেকে আগামী সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে লড়বেন বলে জানান।

তবে ধানের শীষ প্রতীক অন্যকেউ পেলে তার হয়েও কাজ করবেন বলেও জানান এ প্রার্থী।

বুধবার সকাল ১১ টার দিকে তিনি তাঁর বাবার কবর জিয়ারতের মাধ্যমে নির্বাচনী মাঠে প্রচারণার আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন।

তাঁর বাবা মরহুম মো. আজিজার রহমান সরদার উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার প্রথম প্রশাসক ছিলেন।

তরুণ ও উদীয়মান ক্লিন ইমেজের ব্যাক্তিত্ব সিন্টু সরদার বাবার কবর জিয়ারত শেষে মোটরসাইকেলে শোডাউন করেন উপজেলার সোনারায়, ছাপড়হাটী, শ্রীপুর ও কাপাসিয়াসহ কয়েকটি ইউনিয়নে। ২ শতাধিক মোটরসাইকেল শোডাউনে অংশ নেন।

এ সময় শ্রীপুর ইউনিয়নের উত্তর শ্রীপুর পূর্ব চাপড়া জামে মসজিদ ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভাটি কাপাসিয়া খেয়াঘাট টোনগ্রাম জামে মসজিদে ১ টন করে রড ও সিমেন্ট দেয়ার আশ্বাস দেন। গণসংযোগ ও পথসভাও করেন কয়েক স্থানে।

পথসভায় বক্তব্য দেন জিয়া মঞ্চের জেলা আহবায়ক (ভারপ্রাপ্ত) মো. মাহামুদুল হাসান মুসা ও কাপাসিয়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মো. শহিদুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

সর্বজন পরিচিত ক্লিন ইমেজের অধিকারী তরুণ প্রার্থী সিন্টু সরদার বাবার দ্বিতীয় সন্তান। ছোটবেলা থেকে মেধাবী ছিলেন সিন্টু সরদার। পড়াশোনা শেষে নিজকে যুক্ত করেন বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্যসহ নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডে। বিভিন্ন এলাকার মসজিদ, ঈদগাহ মাঠ, কবরস্থান ও দরিদ্র মানুষের মেয়ের বিয়েতে দিয়ে আসছেন আর্থিক সহায়তা এছাড়াও আরেফিন মিডিয়ার ছত্রছায়ায় তরুণ উদ্দোক্তা সৃষ্টির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে চলেছেন হাজারো বেকার যুবকদের।

মনোনয়ন প্রসঙ্গে আরেফিন আজিজ সরদার সিন্টু বলেন, ‘আমি বিএনপির হয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে প্রস্তুতি নিচ্ছি। তবে যদি দল অন্য কাউকে মনোনয়ন দেয়, তবুও আমি তার পক্ষেই কাজ করব ইনশাআল্লাহ। কারণ আমার কাছে ব্যক্তি নয়, দলের সিদ্ধান্তই মুখ্য।

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপির পতাকা একসময় আমার বাবার হাতে ছিল। আজ সেই পতাকা বয়ে নিয়ে আমি মাঠে নেমেছি। আমার আদর্শ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। আমি রাজনীতিকে ক্ষমতার নয়, মানুষের সেবা করার মাধ্যম হিসেবে দেখি। জনগণের ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন করাটাই আমার মূল লক্ষ্য।’

ভাটি কাপাসিয়া ও চাপড়া মসজিদে মুসল্লিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনাদের পাশে থেকে সুন্দরগঞ্জকে একটি আদর্শ উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আপনাদের দোয়া ও সমর্থনই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।’

বাবার কবর জিয়ারতের মধ্যদিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু সিন্টু সরদারের

প্রকাশের সময়: ০৮:০৩:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫

অতর্বর্তী সরকারের দেয়া ঘোষণা মোতাবেক আগামী বছরের এপ্রিলের দিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

আর নির্বাচনের এ তারিখ পেয়েই অন্যান্য প্রার্থীর ন্যায় নির্বাচনী প্রচারণায় মাঠে নেমেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনয়ন প্রত্যাশী বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. আরেফিন সরদার সিন্টু।

তিনি ২৯ গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসন থেকে আগামী সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে লড়বেন বলে জানান।

তবে ধানের শীষ প্রতীক অন্যকেউ পেলে তার হয়েও কাজ করবেন বলেও জানান এ প্রার্থী।

বুধবার সকাল ১১ টার দিকে তিনি তাঁর বাবার কবর জিয়ারতের মাধ্যমে নির্বাচনী মাঠে প্রচারণার আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন।

তাঁর বাবা মরহুম মো. আজিজার রহমান সরদার উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার প্রথম প্রশাসক ছিলেন।

তরুণ ও উদীয়মান ক্লিন ইমেজের ব্যাক্তিত্ব সিন্টু সরদার বাবার কবর জিয়ারত শেষে মোটরসাইকেলে শোডাউন করেন উপজেলার সোনারায়, ছাপড়হাটী, শ্রীপুর ও কাপাসিয়াসহ কয়েকটি ইউনিয়নে। ২ শতাধিক মোটরসাইকেল শোডাউনে অংশ নেন।

এ সময় শ্রীপুর ইউনিয়নের উত্তর শ্রীপুর পূর্ব চাপড়া জামে মসজিদ ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভাটি কাপাসিয়া খেয়াঘাট টোনগ্রাম জামে মসজিদে ১ টন করে রড ও সিমেন্ট দেয়ার আশ্বাস দেন। গণসংযোগ ও পথসভাও করেন কয়েক স্থানে।

পথসভায় বক্তব্য দেন জিয়া মঞ্চের জেলা আহবায়ক (ভারপ্রাপ্ত) মো. মাহামুদুল হাসান মুসা ও কাপাসিয়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মো. শহিদুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

সর্বজন পরিচিত ক্লিন ইমেজের অধিকারী তরুণ প্রার্থী সিন্টু সরদার বাবার দ্বিতীয় সন্তান। ছোটবেলা থেকে মেধাবী ছিলেন সিন্টু সরদার। পড়াশোনা শেষে নিজকে যুক্ত করেন বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্যসহ নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডে। বিভিন্ন এলাকার মসজিদ, ঈদগাহ মাঠ, কবরস্থান ও দরিদ্র মানুষের মেয়ের বিয়েতে দিয়ে আসছেন আর্থিক সহায়তা এছাড়াও আরেফিন মিডিয়ার ছত্রছায়ায় তরুণ উদ্দোক্তা সৃষ্টির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে চলেছেন হাজারো বেকার যুবকদের।

মনোনয়ন প্রসঙ্গে আরেফিন আজিজ সরদার সিন্টু বলেন, ‘আমি বিএনপির হয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে প্রস্তুতি নিচ্ছি। তবে যদি দল অন্য কাউকে মনোনয়ন দেয়, তবুও আমি তার পক্ষেই কাজ করব ইনশাআল্লাহ। কারণ আমার কাছে ব্যক্তি নয়, দলের সিদ্ধান্তই মুখ্য।

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপির পতাকা একসময় আমার বাবার হাতে ছিল। আজ সেই পতাকা বয়ে নিয়ে আমি মাঠে নেমেছি। আমার আদর্শ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। আমি রাজনীতিকে ক্ষমতার নয়, মানুষের সেবা করার মাধ্যম হিসেবে দেখি। জনগণের ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন করাটাই আমার মূল লক্ষ্য।’

ভাটি কাপাসিয়া ও চাপড়া মসজিদে মুসল্লিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনাদের পাশে থেকে সুন্দরগঞ্জকে একটি আদর্শ উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আপনাদের দোয়া ও সমর্থনই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।’