সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নজরুল পাঠাগার ও ক্লাব আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করছে

দিনাজপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মো. রফিকুল ইসলাম প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশে ৮৭ হাজার ১৯১টি গ্রাম রয়েছে। বাংলাদেশে এরকম গ্রাম খুবই কম রয়েছে, যে গ্রামে কাজী নজরুল ইসলামের নামে পাঠাগার ও ক্লাব রয়েছে। আমি এখানে বসে জেলার বিভিন্ন গ্রামের চিত্র কল্পনায় দেখলাম যে, আমার জেলায়, উপজেলার কোনো গ্রামে এত সুন্দর একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ নজরুল পাঠাগার ও ক্লাবের মাধ্যমে অত্রাঞ্চলের মানুষ আলোর দিশারী ও আলোর পথ খুঁজে পায়।

বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় চিরিরবন্দর উপজেলার রানীরবন্দরের নজরুল পাঠাগার ও ক্লাব আয়োজিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৬তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনে ৪দিনব্যাপি অনুষ্ঠানের সমাপনী উপলক্ষে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

এসময় তিনি আরও বলেন, আমাদের নতুন প্রজন্ম ধ্বংস হয়ে গেছে। শিক্ষকরা হচ্ছেন জাতির কারিগর, জাতির মূল চালিকাশক্তি, মূল স্তম্ভ। শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতি উন্নতি লাভ করতে পারে না। শিক্ষা একটি নেয়ামত। যা সকল রকমের অনিয়ম, দূর্নীতি দূর করতে এবং একটি অন্ধকার সমাজে আলো জ্বালাতে একমাত্র ভূমিকা পালন করতে পারে। শিক্ষা থেকে দূরে রয়েছি বলে আমরা দিন দিন বেশি আমরা দূরদর্শার মধ্যে পড়ে যাচ্ছি। শিক্ষাই পৃথিবীর পরিবর্তনের একমাত্র নেয়ামত। বিখ্যাত মনিষী কাজী মোতাহার হোসেন বলেছেন, যে শিক্ষার সাথে আনন্দ নেই সেই শিক্ষা প্রকৃত শিক্ষা নয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন, শিশুরা শিক্ষা লাখ করবে আনন্দের সাথে। আমি আশা করবো, আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যেন ভারবাহী কোনো প্রতিষ্ঠানে পরিণত না হয়। ছেলেমেয়েরা যেন মন খুলে বাস্তব জ্ঞান অর্জন করতে পারে সেদিকে নজর দেয়া দিতে হবে। নজরুল পাঠাগার ও ক্লাব অত্রাঞ্চলে আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করছে।

এলাকাবাসীকে এখানে এসে পড়াশোনা করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি চিত্ত বিনোদনের জন্য খেলাধূলা করারও আহ্বান জানান।

অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমাদের যুব সমাজের অনেকটা অংশ মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে। সেদিকে নজরদারী করতে হবে। ছেলেমেয়েদের কর্মমূখী কাজ শেখার প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে নজরুল পাঠাগার ও ক্লাবের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) শাহ মো. মোয়াজ্জেম হোসেনের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নজরুল পাঠাগার ও ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. মোশাররফ হোসেন নান্নু, বিশেষ অতিথি হিসেবে চিরিরবন্দর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. হামিদুর রহমান, সোনালী ব্যাংক পিএলসি বগুড়া অঞ্চলের জিএম মো. রশিদুল ইসলাম প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

আলোচনা সভা শেষে অতিথিবৃন্দকে সম্মাননা স্মারক প্রদান, নজরুল পাঠাগার ও ক্লাবের লোগো উন্মোচন, বিভিন্ন খেলাধূলা, বির্তক, কবিতা আবৃতি, গল্পবলা প্রতিযোগিতায় জয়ীদের পুরস্কার প্রদান করা হয়। রাতে এক মনোজ্ঞ সঙ্গীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

নজরুল পাঠাগার ও ক্লাব আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করছে

প্রকাশের সময়: ১০:১০:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জুন ২০২৫

দিনাজপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মো. রফিকুল ইসলাম প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশে ৮৭ হাজার ১৯১টি গ্রাম রয়েছে। বাংলাদেশে এরকম গ্রাম খুবই কম রয়েছে, যে গ্রামে কাজী নজরুল ইসলামের নামে পাঠাগার ও ক্লাব রয়েছে। আমি এখানে বসে জেলার বিভিন্ন গ্রামের চিত্র কল্পনায় দেখলাম যে, আমার জেলায়, উপজেলার কোনো গ্রামে এত সুন্দর একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ নজরুল পাঠাগার ও ক্লাবের মাধ্যমে অত্রাঞ্চলের মানুষ আলোর দিশারী ও আলোর পথ খুঁজে পায়।

বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় চিরিরবন্দর উপজেলার রানীরবন্দরের নজরুল পাঠাগার ও ক্লাব আয়োজিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৬তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনে ৪দিনব্যাপি অনুষ্ঠানের সমাপনী উপলক্ষে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

এসময় তিনি আরও বলেন, আমাদের নতুন প্রজন্ম ধ্বংস হয়ে গেছে। শিক্ষকরা হচ্ছেন জাতির কারিগর, জাতির মূল চালিকাশক্তি, মূল স্তম্ভ। শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতি উন্নতি লাভ করতে পারে না। শিক্ষা একটি নেয়ামত। যা সকল রকমের অনিয়ম, দূর্নীতি দূর করতে এবং একটি অন্ধকার সমাজে আলো জ্বালাতে একমাত্র ভূমিকা পালন করতে পারে। শিক্ষা থেকে দূরে রয়েছি বলে আমরা দিন দিন বেশি আমরা দূরদর্শার মধ্যে পড়ে যাচ্ছি। শিক্ষাই পৃথিবীর পরিবর্তনের একমাত্র নেয়ামত। বিখ্যাত মনিষী কাজী মোতাহার হোসেন বলেছেন, যে শিক্ষার সাথে আনন্দ নেই সেই শিক্ষা প্রকৃত শিক্ষা নয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন, শিশুরা শিক্ষা লাখ করবে আনন্দের সাথে। আমি আশা করবো, আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যেন ভারবাহী কোনো প্রতিষ্ঠানে পরিণত না হয়। ছেলেমেয়েরা যেন মন খুলে বাস্তব জ্ঞান অর্জন করতে পারে সেদিকে নজর দেয়া দিতে হবে। নজরুল পাঠাগার ও ক্লাব অত্রাঞ্চলে আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করছে।

এলাকাবাসীকে এখানে এসে পড়াশোনা করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি চিত্ত বিনোদনের জন্য খেলাধূলা করারও আহ্বান জানান।

অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমাদের যুব সমাজের অনেকটা অংশ মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে। সেদিকে নজরদারী করতে হবে। ছেলেমেয়েদের কর্মমূখী কাজ শেখার প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে নজরুল পাঠাগার ও ক্লাবের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) শাহ মো. মোয়াজ্জেম হোসেনের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নজরুল পাঠাগার ও ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. মোশাররফ হোসেন নান্নু, বিশেষ অতিথি হিসেবে চিরিরবন্দর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. হামিদুর রহমান, সোনালী ব্যাংক পিএলসি বগুড়া অঞ্চলের জিএম মো. রশিদুল ইসলাম প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

আলোচনা সভা শেষে অতিথিবৃন্দকে সম্মাননা স্মারক প্রদান, নজরুল পাঠাগার ও ক্লাবের লোগো উন্মোচন, বিভিন্ন খেলাধূলা, বির্তক, কবিতা আবৃতি, গল্পবলা প্রতিযোগিতায় জয়ীদের পুরস্কার প্রদান করা হয়। রাতে এক মনোজ্ঞ সঙ্গীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।