সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গলা কেটে স্ত্রীকে হত্যার ঘটনায় স্বামীসহ আসামি ১১

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মোছাঃ জনতা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূকে গলা কেটে নির্মমভাবে হত্যা করেছেন তারই স্বামী মো. আবদুল লতিফ মিয়া। এ ঘটনায় তাঁকে প্রধান আসামি করে ১১ জনের নামে একটি হত্যা মামলা করেছেন নিহত ওই গৃহবধূর বড়ভাই মো. শহীদ মিয়া।

নিহত মোছাঃ জনতা বেগম ছাপড়হাটি ইউনিয়নের উত্তর মরুয়াদহ গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীনের মেয়ে। ঘাতক স্বামী মো. আবদুল লতিফ মিয়া শ্রীপুর ইউনিয়নের মো. মতলব মিয়ার ছেলে। তাঁদের দাম্পত্য জীবনের ১১ বছরের মাথায় এসে এ মর্মান্তিক হত্যা কান্ডের ঘটনা ঘটেছে। এক ছেলে ও এক মেয়ে আছে তাদের সংসারে।

শনিবার দুপুর ১ টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবদুল হাকিম আজাদ।

তিনি বলেন, এ-র আগে গত ১০ জুন (মঙ্গলবার) সকাল ৯টার দিকে শ্রীপুর ইউনিয়নের উত্তর শ্রীপুর মৎস্য খামার গ্রামে এ মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আসামীদের ধরতে পুলিশ তৎপর আছে বলেও জানান ওসি।’

মামলা সূত্রে জানা যায়, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকসহ নানা বিষয়ে মোছাঃ জনতা বেগমকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছিলেন স্বামী ও তার পরিবারের বাকি সদস্যরা। এ নিয়ে সালিশি বৈঠকও হয়েছে কয়েকবার। কিন্তু বন্ধ হয়নি নির্যাতন। হত্যাকাণ্ডের দিন জনতা বেগমকে ফাঁসাতে তাবিজ বের করার নাম করে সাজানো হয় একটি নাটক। এতে জনতা বেগম প্রতিবাদ করলে স্বামী তাকে কিলঘুষি শুরু করেন। ভয়ে গৃহবধূ ঘরের মাচার নিচে লুকায়। সেখান থেকে তাকে টেনেহিঁচড়ে বের করেন এবং হাত-পা বেঁধে ফেলানো হয়। এরপর স্বামী লতিফ মিয়া ধারালো দা দিয়ে তার গলায় কোপ দিলে গুরুতর জখম হন জনতা বেগম। রক্তাক্ত অবস্থায় ঘণ্টা খানেক ফেলে রাখার পর আসামিরা তাকে অজ্ঞাতনামা একটি ভ্যানে করে সীচা বাজারের এক পল্লী চিকিৎসকের কাছে নেন। চিকিৎসক জনতা বেগমকে মৃত ঘোষণা করলে তার মরদেহ কছিম বাজার এলাকায় কাঠের ব্রিজের উত্তরে ফেলে রেখে সবাই পালিয়ে যায়।

 

গলা কেটে স্ত্রীকে হত্যার ঘটনায় স্বামীসহ আসামি ১১

প্রকাশের সময়: ০৭:১৩:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মোছাঃ জনতা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূকে গলা কেটে নির্মমভাবে হত্যা করেছেন তারই স্বামী মো. আবদুল লতিফ মিয়া। এ ঘটনায় তাঁকে প্রধান আসামি করে ১১ জনের নামে একটি হত্যা মামলা করেছেন নিহত ওই গৃহবধূর বড়ভাই মো. শহীদ মিয়া।

নিহত মোছাঃ জনতা বেগম ছাপড়হাটি ইউনিয়নের উত্তর মরুয়াদহ গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীনের মেয়ে। ঘাতক স্বামী মো. আবদুল লতিফ মিয়া শ্রীপুর ইউনিয়নের মো. মতলব মিয়ার ছেলে। তাঁদের দাম্পত্য জীবনের ১১ বছরের মাথায় এসে এ মর্মান্তিক হত্যা কান্ডের ঘটনা ঘটেছে। এক ছেলে ও এক মেয়ে আছে তাদের সংসারে।

শনিবার দুপুর ১ টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবদুল হাকিম আজাদ।

তিনি বলেন, এ-র আগে গত ১০ জুন (মঙ্গলবার) সকাল ৯টার দিকে শ্রীপুর ইউনিয়নের উত্তর শ্রীপুর মৎস্য খামার গ্রামে এ মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আসামীদের ধরতে পুলিশ তৎপর আছে বলেও জানান ওসি।’

মামলা সূত্রে জানা যায়, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকসহ নানা বিষয়ে মোছাঃ জনতা বেগমকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছিলেন স্বামী ও তার পরিবারের বাকি সদস্যরা। এ নিয়ে সালিশি বৈঠকও হয়েছে কয়েকবার। কিন্তু বন্ধ হয়নি নির্যাতন। হত্যাকাণ্ডের দিন জনতা বেগমকে ফাঁসাতে তাবিজ বের করার নাম করে সাজানো হয় একটি নাটক। এতে জনতা বেগম প্রতিবাদ করলে স্বামী তাকে কিলঘুষি শুরু করেন। ভয়ে গৃহবধূ ঘরের মাচার নিচে লুকায়। সেখান থেকে তাকে টেনেহিঁচড়ে বের করেন এবং হাত-পা বেঁধে ফেলানো হয়। এরপর স্বামী লতিফ মিয়া ধারালো দা দিয়ে তার গলায় কোপ দিলে গুরুতর জখম হন জনতা বেগম। রক্তাক্ত অবস্থায় ঘণ্টা খানেক ফেলে রাখার পর আসামিরা তাকে অজ্ঞাতনামা একটি ভ্যানে করে সীচা বাজারের এক পল্লী চিকিৎসকের কাছে নেন। চিকিৎসক জনতা বেগমকে মৃত ঘোষণা করলে তার মরদেহ কছিম বাজার এলাকায় কাঠের ব্রিজের উত্তরে ফেলে রেখে সবাই পালিয়ে যায়।