সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এমপিও বঞ্চনার স্বীকার উপাধ্যক্ষ সাখাওয়াতের সংবাদ সম্মেলন

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ভূরারঘাট এম.ইউ বহুমুখী ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মো. সাখাওয়াত হোসেন দীর্ঘদিনের বেতন-ভাতা বঞ্চনা, অনিয়ম ও ভুয়া নিয়োগের অভিযোগ এনে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

সোমবার দুপুর ২ টার দিকে সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার বাহিরগোলা মসজিদসংলগ্ন তাঁর নিজস্ব কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।

লিখিত বক্তব্যে মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘আমি ২০১০ সাল থেকে প্রভাষক (আরবি) পদে এবং পরবর্তীতে উপাধ্যক্ষ ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। ২০১৮ সালের জুলাই মাসে আমি এবং আরও চারজন শিক্ষক মোছা. মোবাশ্বেরা মাহমুদা, নাজমা বেগম, মোছা. দিল আফরোজা ও মো. আতিকুর রহমান এমপিওভুক্তি থেকে বঞ্চিত হই। পরবর্তীতে মোবাশ্বেরা মাহমুদা অন্যত্র চাকরিতে যোগ দেন।

তার অভিযোগ, তৎকালীন সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম লিটনের সরাসরি হস্তক্ষেপে মাদ্রাসায় একাধিক অযোগ্য ব্যক্তি নিয়োগ পান। তাদের সহায়তায় প্রকৃত শিক্ষকরা এমপিও থেকে বাদ পড়েন এবং নিয়মিত বেতন-ভাতা থেকে বঞ্চিত হন।

তিনি বলেন, ‘ ভুয়া প্রভাষক ও উপজেলা তাতী লীগের সভাপতি মো. ইউনুস আলী এবং মোছা. নিলুফা ইয়াসমিনের যোগসাজশে আমাদের এমপিও কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। বাধ্য হয়ে আমরা হাইকোর্টে ৮৮০৮/২১ ও ৯০০৮/২১ নম্বর রিট দায়ের করি। আদালত আমাদের পক্ষে রায় দিলেও তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি।

তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০১৫ সালের ১০ মে তারিখে দেওয়া প্রতিবেদনে মোছা. নিলুফা ইয়াসমিনের চাকরিকে অবৈধ ঘোষণা করে তার বেতন স্থগিত করা হলেও মো. ইউনুস আলী এখনও বহাল তবিয়তে রয়েছেন এবং সরকারি কোষাগার থেকে বছরের পর বছর বেতন-ভাতা গ্রহণ করে আসছেন।

সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে উপাধ্যক্ষ সাখাওয়াত হোসেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি যথাযথ তদন্তের আহ্বান জানান। পাশাপাশি ভুয়া নিয়োগ বাতিল, দোষীদের শাস্তি এবং বৈধ শিক্ষকদের বকেয়াসহ বেতন-ভাতা দ্রুত ছাড়ের দাবি জানান।

এ বিষয়ে কথা হয় মো. ইউনুস আলী ও মোছা. নিলুফা ইয়াসমিনের সাথে। তাঁরা বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো মিথ্যে ও ভিত্তিহীন।

সংবাদ সম্মেলনে সহকারী শিক্ষক মো. আতিকুর রহমান, প্রভাষক হারুন অর রশিদ ও প্রভাষক আলাউদ্দীন মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।

এমপিও বঞ্চনার স্বীকার উপাধ্যক্ষ সাখাওয়াতের সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশের সময়: ০৭:৪০:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ভূরারঘাট এম.ইউ বহুমুখী ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মো. সাখাওয়াত হোসেন দীর্ঘদিনের বেতন-ভাতা বঞ্চনা, অনিয়ম ও ভুয়া নিয়োগের অভিযোগ এনে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

সোমবার দুপুর ২ টার দিকে সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার বাহিরগোলা মসজিদসংলগ্ন তাঁর নিজস্ব কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।

লিখিত বক্তব্যে মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘আমি ২০১০ সাল থেকে প্রভাষক (আরবি) পদে এবং পরবর্তীতে উপাধ্যক্ষ ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। ২০১৮ সালের জুলাই মাসে আমি এবং আরও চারজন শিক্ষক মোছা. মোবাশ্বেরা মাহমুদা, নাজমা বেগম, মোছা. দিল আফরোজা ও মো. আতিকুর রহমান এমপিওভুক্তি থেকে বঞ্চিত হই। পরবর্তীতে মোবাশ্বেরা মাহমুদা অন্যত্র চাকরিতে যোগ দেন।

তার অভিযোগ, তৎকালীন সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম লিটনের সরাসরি হস্তক্ষেপে মাদ্রাসায় একাধিক অযোগ্য ব্যক্তি নিয়োগ পান। তাদের সহায়তায় প্রকৃত শিক্ষকরা এমপিও থেকে বাদ পড়েন এবং নিয়মিত বেতন-ভাতা থেকে বঞ্চিত হন।

তিনি বলেন, ‘ ভুয়া প্রভাষক ও উপজেলা তাতী লীগের সভাপতি মো. ইউনুস আলী এবং মোছা. নিলুফা ইয়াসমিনের যোগসাজশে আমাদের এমপিও কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। বাধ্য হয়ে আমরা হাইকোর্টে ৮৮০৮/২১ ও ৯০০৮/২১ নম্বর রিট দায়ের করি। আদালত আমাদের পক্ষে রায় দিলেও তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি।

তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০১৫ সালের ১০ মে তারিখে দেওয়া প্রতিবেদনে মোছা. নিলুফা ইয়াসমিনের চাকরিকে অবৈধ ঘোষণা করে তার বেতন স্থগিত করা হলেও মো. ইউনুস আলী এখনও বহাল তবিয়তে রয়েছেন এবং সরকারি কোষাগার থেকে বছরের পর বছর বেতন-ভাতা গ্রহণ করে আসছেন।

সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে উপাধ্যক্ষ সাখাওয়াত হোসেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি যথাযথ তদন্তের আহ্বান জানান। পাশাপাশি ভুয়া নিয়োগ বাতিল, দোষীদের শাস্তি এবং বৈধ শিক্ষকদের বকেয়াসহ বেতন-ভাতা দ্রুত ছাড়ের দাবি জানান।

এ বিষয়ে কথা হয় মো. ইউনুস আলী ও মোছা. নিলুফা ইয়াসমিনের সাথে। তাঁরা বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো মিথ্যে ও ভিত্তিহীন।

সংবাদ সম্মেলনে সহকারী শিক্ষক মো. আতিকুর রহমান, প্রভাষক হারুন অর রশিদ ও প্রভাষক আলাউদ্দীন মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।